সোমবার-২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০- সময়: রাত ১০:০০
গুরুদাসপুরে এক বৃদ্ধা খুন বিরামপুরে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত কাটলা হলি চাইল্ড স্কুল বিরামপুরে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান দিদউফ বিরামপু‌রে দুস্থ শীতার্ত‌দের মা‌ঝে শীতবস্ত্র বিতরন বিরামপুরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণ গণনার সূচনা বিরামপুরে ১২ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো হয়েছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সীতার কুটুরি গোচারণ ভূমিতে পরিণত কালো জাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস, কালের পরিক্রমায় প্রতি বছরই হাজির হয় শীত দিনাজপুর হতদরিদ্র শীতার্থ মানুষের পাশে এগিয়ে এসেছে ডিএফএর

ধর্ম newsdiarybd.com:

যশোর আঞ্চলিক ইজতেমায় জুম্মার নামাজে মুসল্লি ভিড়

যশোর প্রতিনিধি- শুক্রবার জুম্মার নামাজে যশোরের বিশ্ব ইজতেমাস্থলে উপচে পড়ে মুসল্লিরা। এদিন ইজতেমাস্থল ছাড়িয়ে গোটা উপশহরের বৃহদংশ জুড়ে ছিল মুসল্লির ভিড়।

একদিকে সারথী টেক্সটাইল মিল,যশোর-মাগুরা সড়কের কাছাকাছি,বিরামপুর বাবলাতলা পর্যন্ত জায়গাজুড়ে নামাজে দাঁড়ান মুসল্লিরা। কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

যশোরে তিনদিনের আঞ্চলিক ইজতেমার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার। এদিন জুমার নামাজ আদায় করতে ইজতেমায় আসেন যশোর ছাড়াও আশপাশের বহু এলাকার মুসলিমরা। বৃহৎ জমায়েতে নামাজ আদায়ের ফজিলত থাকায় নামাজিদের উপস্থিতি লাখ ছুঁয়েছে বলে মনে করছেন জুমায় আসা মুসলিমরা।

সাধারণ মানুষের সঙ্গে জুমার নামাজে অংশ নেন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক,সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার, পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু,যশোর জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল হুদা,সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল,ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। ছুটির দিন হওয়ায় শহরের ব্যবসায়ীরাও দলে দলে যোগ দেন নামাজে।

নামাজ শেষে আলজেরিয়া থেকে আসা তাবলিগের মুরব্বি মো. আলী কাদের বয়ান শুরু করেন। তার বয়ান বাংলায় অনুবাদ করে শোনান তাবলিগের সাথী মুফতি মাওলানা মো. উমায়েদ হোসেন। বয়ানে তিনি গোটা মুসলিম জাতিকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে দ্বীন প্রচারের আহ্বান জানান। শনিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমা।

দিনাজপুরে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা সমাপ্ত

স্টাফ রির্পোটার,দিনাজপুর- দিনাজপুরে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপাী ইজতেমা শেষ হয়েছে। আখেরী মুনাজাতে ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঢল।

মুনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক। ১২ থেকে ১২টা ১১ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ১১ মিনিটের মুনাজাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনা করা হয়।

গত শনিবার ২ ডিসেম্বর সকাল থেকে দিনাজপুর বড়মাঠে ইজতেমা মাঠে সমবেত হন কয়েক লাখ মানুষ। বেলা ১০টার মধ্যে ইজতেমা মাঠ ভরে শিশু পার্ক, পুলিশ সুপার অফিসের রাস্তা ও আশপাশের এলাকা লোকে লোকারন্য হয়ে ঊঠে। দিনাজপুর বড়মাঠ পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

মুনাজাতে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষের দাবী দিনাজপুরে এতো বড় জামায়েত আর কখনো হয়নি। আখেরী মুনাজাতে ৫/৬ লাখ নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেছে বলে ইজতেমার আয়োজক ও সাধারণ মুসল্লিরা দাবী করেছে। শহরের অধিকাংশ দোকানীরা দোকানপাট বন্ধ করে মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। ফলে শহর ছিল ফাকা।

আখেরী মুনাজাতে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মো. হামিদুল আলম, দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া জেলা শহর ও আশপাশের এলাকার পুরুষ, নারী বৃদ্ধ, শিশুসহ সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষ মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

ইজতেমার শেষ দিন শনিবার বাদ ফজর থেকে সকাল সাড়ে ৯টায় পর্যন্ত বয়ান করেন কাকরাইলের মুরব্বি মাওলানা মো. মোশাররফ হোসেন।

সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত হেদায়েতী বয়ান পেশ করেন কাকরাইলের মুরব্বি মাওলানা আব্দুল মতিন। হেদায়েতী বক্তব্যের পর মুনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক। প্রায় ১১ মিনিট পর মুনাজাত শেষ করেন। মুনাজাতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করা হয়।

আখেরী মুনাজাতের পূর্বে ১৫ মিনিট বয়ান পেশ করেন মাওলানা মো. রবিউল হক। এ সময় তিনি বলেন, সাহাবায়ে কেরামের যুগে তাদের কোন সামান (সরঞ্জাম) ছিল না। তাদের জ্ঞানও কম ছিল। তার পরও তারা ইমানের বলে বলিয়ান হয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাড়িয়েছিল। কিন্তু বর্তমান বিশ্বের মুসলমানদের হাতে সব কিছু থাকার পরও আজ বিশ্বে মুসলমানরা লাঞ্চিত। এর কারণ মুসলমানরা দ্বীন ইসলামের দাওয়াতী কাজ থেকে দুরে সুরে গেছে। তাই মুসলমানদের সেই মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে হলে দ্বীন ইসলামের পথে ফিরে আসতে হবে। তাহলে বিশ্বে আবারো শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। বয়ান শেষে প্রায় ১১ মিনিট মুনাজাত করার পর মুনাজাত শেষ করেন মাওলানা মো. রবিউল হক।

এদিকে দিনাজপুর তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) আলহাজ্ব মো. লতিফুর রহমান জানান, তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ইজতেমা মাঠ থেকে প্রায় ৫০টি জামাত এক চিল্লা ও তিন চিল্লার জন্য বের হয়ে যায়। এসব জামাত সিরাজগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও বি.বাড়িয়া জেলায় যাবে বলে জানান তিনি। এই তিনটি জেলায় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

অপরদিকে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ইজতেমা মাঠের চার পাশে মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য ৬টি পুলিশ বক্স স্থাপন করা হয়।

পাশাপাশি রয়েছে রাব-পুলিশের সার্বক্ষনিক টহলদল। এছাড়া সাদা পোষাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ গোয়েন্দা বিভাগের লোকজন ইজতেমা মাঠে দায়িত্ব পালন করেন।

দিনাজপুরে ইজতেমার জুম্মার নামাজে লাখো মানুষের ঢল, আজ আখেরী মোনাজাত

স্টাফ রির্পোটার,দিনাজপুর- দিনাজপুর বড় মাঠে অনুষ্ঠিত ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে গতকাল শুক্রবার শুক্রবার জুম্মার নামাজে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামে ইজতেমা মাঠে।

দিনাজপুরের ইতিহাসে লাখ লাখ মানুষের এটাই প্রথম জামাত। ভোর হতে বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা মাঠে শুরু করে।

৯টা হতে হতেই কানায় কানায় পুর্ন হয়ে দিনাজপুর বড়মাঠ যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

জুম্মার নামাজের পর দিনাজপুরের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মরহুম মনোয়ারুল ইসলাম মনার জানাযা একই স্থানে পরানো হয়। আখেরী মোনাজাতে অংশগ্রহনের জন্য জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপিসহ ঢাকায় অবস্থানরত বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ ও বিভিণœ জেলার মুসল্লিরা ইতিমধ্যেই দিনাজপুরে এসে পৌছে।

দিনাজপুর জেলা ও উপজেলা থেকে তাবলীগ জামাতের অনুসারীসহ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুম্মার নামাজের জামাতে অংশ গ্রহনের জন্য সমবেত হন ইজতেমা মাঠে। বড় জামাতে জুমার নামাজ আদায় করলে অনেক সওয়াব পাওয়া যাবে এই আশা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষ ইজমেতা মাঠে জুমার নামাজের জামাতে শরিক হন।

ফলে ইজতেমা মাঠ ও আশপাশের এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। ইতিপুর্বে সকাল থেকেই ইজতেমা মাঠ ও গোর-এ-শহীদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী মহল, প্রভাবশালী ও বিশিষ্টজন, ওলামায়ে কেরাম এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে পৃথক পৃথক আলোচনা করেন তাবলীগ জামাতের মুরব্বিরা।

এ সময় সমাজের শিক্ষিত, প্রভাবশালী ও উচু শ্রেণির লোকজন কিভাবে মানুষের মাঝে দ্বীন ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতে পারেন এবং এই দাওয়াতের কিভাবে প্রভাব পড়ে সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বাদ জুম্মা বয়ান করেন মাওলানা মোঃ সোহেল, বাদ আসর বয়ান করেন মাওলানা মো. মোশাররফ হোসেন ও বাদ মাগরিব মাওঃ রবিউল হক।

দিনাজপুর তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) আলহাজ্ব মো. লতিফুর রহমান জানান, শনিবার শেষ দিনে কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান পেশ করবেন। শনিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শেষ হবে।

কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করবেন বলে জানান লতিফুর রহমান।

অপরদিকে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইজতেমা মাঠের চার পাশে মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য ৬টি পুলিশ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে রাব-পুলিশের সার্বক্ষনিক টহলদল। এছাড়া সাদা পোষাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ গোয়েন্দা বিভাগের লোকজন ইজতেমা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।

বড় ময়দানে হাজারো মুসুল্লীর আল্লাহু আকবর প্রতিধ্বনী আর পদচারনায় দিনাজপুরে শুরু হয়েছে জেলা ইজতেমা

স্টাফ রির্পোটার,দিনাজপুর- দিনাজপুরে তিন দিনব্যাপী তাবলীগ জামাতের আয়োজনে জেলা ইজতেমা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার হাজারো মুসুল্লীর পদচারনায় শুরু হয়েছে।

মুসুল্লীদের আল্রঅহু আকবর প্রতিধ্বনী আর পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে দিনাজপুর বড় ময়দান।

৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে জেলা ইজতেমা।

২ ডিসেম্বর আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে জেলা ইজতেমা শেষ হবে। দিনাজপুর গোর ই শহীদ বড় ময়দানে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত জেলা ইজতেমায় তাবলীগ জামাত ও ধর্মপ্রান হাজার হাজার মুসল্লি এসে সমবেত হয়েছে।

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরে পুলিশ ও র‌্যাব কর্ঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রায় ৫০ হাজার মুসল্লি এই ইজতেমায় অংশগ্রহন করবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

দিনাজপুর মার্কাস মসজিদের সাথীদের আয়োজনে এই তাবলীগের জিম্মাদার আলহাজ্ব রায়হানুল আমিন।

জামাতের সাথী মাওঃ মতিউর রহমান কাসেমী জানান, টঙ্গীতে জায়গা স্বলতার কারনে কেন্দ্রীয় আয়োজকরা ৬৪ জেলাকে ৩২ জেলা করে ভাগ করেছে।

আগামী বিশ্ব ইজতেমায় দিনাজপুরসহ ৩২ জেলার মুসল্লিরা টঙ্গীতে যাবে না জানান আয়োজকরা। জেলায় জেলায় ইজতেমা হবে।

এদিকে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে তাবলীগ জামাতের মুসল্লিরা ও সাধারন মুসল্লীরা দিনাজপুর ইজতেমা স্থলে এসে সমবেত হয়েছে।

কাল দিনাজপুরে জেলা ইজতেমা শুরু,২ ডিসেম্বর আখেরী মোনাজাত

স্টাফ রির্পোটার,দিনাজপুর- দিনাজপুরে তিন দিনব্যাপী তাবলীগ জামাতের আয়োজনে জেলা ইজতেমার সব প্রস্ততি সম্পন্ন। নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা।

৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে শুরু এবং ২ ডিসেম্বর আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে জেলা ইজতেমা শেষ হবে।

দিনাজপুর গোর ই শহীদ বড় ময়দানে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত জেলা ইজতেমায় তাবলীগ জামাত ও ধর্মপ্রান মুসল্লিরা এসে পৌছেছে। ইজতেমাকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরে পুলিশ ও র‌্যাব নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে।

প্রায় ৫০ হাজার মুসল্লি এই ইজতেমায় অংশগ্রহন করবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। দিনাজপুর মার্কাস মসজিদের সাথীদের আয়োজনে এই তাবলীগের জিম্মাদার আলহাজ্ব রায়হানুল আমিন।

জামাতের সাথী মাওঃ মতিউর রহমান কাসেমী জানান, টঙ্গীতে জায়গা স্বলতার কারনে কেন্দ্রীয় আয়োজকরা ৬৪ জেলাকে ৩২ জেলা করে ভাগ করেছে। আগামী বিশ্ব ইজতেমায় দিনাজপুরসহ ৩২ জেলার মুসল্লিরা টঙ্গীতে যাবে না জানা গেছে। জেলায় জেলায় ইজতেমা হবে।

দিনাজপুরে তাবলীগ জামাতের কাকরাইল মার্কাস মসজিদ থেকে ১৫জন সাথী যোগদান করবেন। শনিবার দুপুর ১২.৩০ মিনিটে আখেরী মোনাজাত অনুষ্ঠিত।

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে মুসল্লিদের অজু-গোসলের পানি সরবরাহের জন্য ৩০টি টিউবওয়েল, একটি সাবমারসেবল পাম্প, ৩টি মটর স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া নিরাপদ স্যানিটেশনের জন্য ৪শ’ টয়লেট তৈরা করা হয়েছে।

দিনাজপুর তাবলীগ জামাতের আমীর (জিম্মাদার) আলহাজ্ব রায়হানুল আমিন জানান, মানুষকে দ্বীনের পথে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই ইজতেমার আয়োজন। মানুষ কিভাবে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগীর দিকে রুজু হবে, মানুষের মাঝে হক তথা সঠিক পথ কবুল করার যোগ্যতা তৈরী হবে, আখেরাতের জিন্দেগী বা মৃত্যুর পরবর্তি জীবন কেমন হবে এবং কিভাবে মানুষ আখেরাতমূখী হবে এ সব বিষয়ে এই ইজতেমায় বয়ান করা হবে।

তিনি আরো জানান, কাকরাইলের মুরব্বিদের মধ্যে মাওঃ জোবায়ের হোসেন, মাওঃ মো. রবিউল হক, মাওঃ মো. মোশাররফ হোসেন ও মাওঃ মো. ফারুক লক্ষীপুরী আগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান করার সম্ভাবনা রয়েছে।

দিনাজপুর পুলিশ সুপার মোঃ হামিদুল আলম জানান, ইজতেমা সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্নের জন্য পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে প্রায় ৩০০ পুলিশ মোতায়ান থাকবে।

দিনাজপুর র‌্যাব-১৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুস সাকিব জানান, ইজতেমাকে ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। র‌্যাব সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এদিকে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে তাবলীগ জামাতের মুসল্লিরা ও সাধারন মুসল্লীরা দিনাজপুর ইজতেমা স্থলে এসে পৌছেছে।

যশোর উপশহর কলেজ মাঠে ২৮ ডিসেম্বর ইজতেমা শুরু

যশোর প্রতিনিধি- যশোর উপশহর কলেজ মাঠে তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে।

যশোরসহ আশপাশের জেলার মানুষ অংশ নিবেন এ চিন্তা মাথায় রেখে ইজমেমা ময়দানের তৈরির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

ঢাকার কাকরাইল মসজিদের তাবলিগের মুরব্বী উলামারগণ বয়ান করবেন। যশোর মারকাজ মসজিদের তত্তাবধানে একদল স্বেচ্ছাসেবী রাতদিন কাজ করে চলছে।

এত পরিশ্রমের পরও মহা আবেগের মধ্য দিয়ে মাঠ তৈরীতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। একজন স্বেচ্ছাসেবী বলেন আমরা কাজ করছি  নৈকট্য নাভের আসাই। ইজতেমা মাঠে এসে কেউ কোন সমস্যায় না পড়ে। সকলে যাতে ইবাদত করতে পারে সেটা লক্ষ রেখে কাজ করছি।

যশোর মারকাজ মসজিদের শুরা সদস্য মশিয়ার রহমান জানান, আগামী ২৮ ডিসেম্বর যশোরে জেলা ইজতেমা অনুষ্টিত হবে। এ ইজতেমায় দেশি বিদেশি ধর্মপ্রাণ মসলমানরা অংশ নিবেন।

ইতিমধ্যে ইজতেমার জন্য মাঠ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে এবং ২৮ ডিসেম্বরের আগেই মাঠের সকল কাজ শেষ করা হবে। ৩০ ডিসেম্বর মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে।

আজ পবিত্র আশুরা

ধর্ম ডেস্ক-আজ পবিত্র আশুরা। মুসলিম উম্মাহর কাছে এ দিনটি একই সঙ্গে ধর্মীয়ভাবে গভীর তাৎপর্যময় ও বেদনাদায়ক। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার যুদ্ধে ৬১ হিজরি সনের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ফোরাত নদীতীরের কারবালা প্রান্তরে পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীসহ শাহাদাত বরণ করেন। আরবিতে আশুরা অর্থ ১০। শোকের এ দিনটি তাই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে আশুরা নামে পরিচিত।

শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানরা বিশেষভাবে পালন করলেও সব মুসলমানের কাছেই এ দিনটি গুরুত্বপূর্ণ। হাদিস শরিফ ও প্রাচীন ধর্ম ইতিহাস মতে, মহররমের ১০ তারিখ বা আশুরাতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঐশী ঘটনা ঘটেছে। তাই যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হয়।

আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বাণীতে বলেন, ইসলামের আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্য হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তার ঘনিষ্ঠ সহচররা যে আত্মত্যাগ করেছেন, তা ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। কারবালার শোকাবহ ঘটনার স্মৃতিতে ভাস্বর পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী আমাদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে উদ্বুদ্ধ করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, পবিত্র আশুরা মানব ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তার পরিবারবর্গ যে আত্মত্যাগ করেছেন, মুসলিম উম্মাহর জন্য তা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী সব অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আশুরার মহান শিক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

এ ছাড়া পৃথক বাণী দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বাণীতে হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তার পরিবারবর্গের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবাইকে অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি।

রাসূলুল্লাহর (সা.) ওফাতের পর প্রতিষ্ঠিত খেলাফত টিকিয়ে রাখা ও অনৈসলামিক রাজতন্ত্রকে রুখে দেওয়ার লড়াইয়ে ইরাকের ফোরাত নদীতীরে কারবালা মরুপ্রান্তরে হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তার ৭২ সঙ্গী শাহাদাত বরণ করেন। এর আগে হত্যাকারী ইয়াজিদ বাহিনী তাদের দীর্ঘসময় অবরোধ করে রাখে। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও ইমানের শক্তিতে বলীয়ান ইমাম হুসাইন (রা.) আত্মসমর্পণ করেননি। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি লড়াই চালিয়ে যান।

আশুরা উপলক্ষে রবিবার সরকারি ছুটি। প্রতি বছরের মতো এবারও শিয়া সম্প্রদায় দেশের বিভিন্ন স্থানে তাজিয়া মিছিল বের করবে। ইতিমধ্যে রাজধানীর হোসেনী দালানে তার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

শিয়া সম্প্রদায় ছাড়াও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা দিনটি পবিত্র কোরআনখানি, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল, জিকির-আজকার, আলোচনা সভা, নফল নামাজ আদায়, দান-খয়রাতের মাধ্যমে পালন করেন। অনেকে নফল রোজাও রাখেন এই দিনে। আশুরা উপলক্ষে বেতার ও টেলিভিশনে প্রচার করা হবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। সংবাদপত্রগুলোতে প্রকাশ পাচ্ছে বিশেষ নিবন্ধ।

হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু

ধর্ম ডেস্ক- চলতি বছর হজ গমনেচ্ছুদের স্বাস্থ্য সনদ (হেলথ সার্টিফিকেট) প্রদানের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে।

হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি দুই ধরনের (মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা) টিকা দেয়া হবে। এ ছাড়া ১৬ জুলাই থেকে রাজধানীর আশকোনার হাজী ক্যাম্পে কেন্দ্রীয়ভাবে শুরু হবে এ কার্যক্রম। ধর্ম ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রত্যেক হজযাত্রীকে মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের টিকা দেয়া হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে একটি হেলথ সার্টিফিকেট দেয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চূড়ান্তভাবে নিবন্ধিত সব হজযাত্রীকেই স্বাস্থ্য সনদ ও টিকা নিতে হবে। স্বাস্থ্য সনদটি বিমানবন্দরে প্রদর্শনের জন্য যাত্রীদের সংরক্ষণ করতে হবে।
প্রত্যেক হজযাত্রীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নিয়ে জেদ্দা বিমানবন্দরে দেখানোর জন্য স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে হয়। হজযাত্রীকে টিকা নিতে যাওয়ার সময় প্রাক-নিবন্ধন বা নিবন্ধনের ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। টিকা গ্রহণের পর হেলথ কার্ড সংরক্ষণ করতে হবে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদার ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, ফুলবাড়িয়া সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল ও সচিবালয় ক্লিনিকে ঢাকা জেলা ও মহানগরীর হজযাত্রীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা নিতে পারবেন। আশকোনা হজ ক্যাম্পে ১৬ জুলাই থেকে শুরু হবে এ কার্যক্রম।
অন্য সব জেলার হজযাত্রীরা বিভাগীয় শহরে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলা শহরে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।
সৌদি আরবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। দেশটির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালন করতে পারবেন। হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে ২৪ জুলাই থেকে।

শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১১ মে পবিত্র শবে বরাত

আগামী ১১ মে (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে আজ বৃহস্পতিবার ১৪৩৮ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল শুক্রবার থেকে পবিত্র শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ১৪ শাবান ১১ মে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালিত হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী।

সভায় পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় আগামীকাল ২৮ এপ্রিল শুক্রবার থেকে পবিত্র শাবান মাস গণনা শুরু হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১৪ শাবান, ১১ মে (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালিত হবে।

সভায় ওয়াক্‌ফ প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রেস) মো. মিজান-উল-আলম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য অফিসার ফজলে রাব্বী, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (প্রশাসন) মো. শাখাওয়াত হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব শাফায়াত মাহবুব, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দিন আহমাদ, ধর্মসচিবের একান্ত সচিব মো. গোলাম মওলা, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবদুর রহমান, স্পারসোর সিএসও মো. শাহ আলম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান, লালবাগ শাহি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবু রায়হান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আগামীকাল পবিত্র লাইলাতুল মি‘রাজ

নিউজ ডায়েরী ডেস্ক-আগামীকাল পবিত্র লাইলাতুল মি‘রাজ। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে সোমবার দিবাগত রাতে (২৬ রজব দিবাগত রাতে) সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল মি‘রাজ উদযাপিত হবে।

এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আগামীকাল সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিটে (বাদ মাগরিব) বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে।

ওয়াজ করবেন ঢাকার নারিন্দাস্থ দারুল উলুম আহছানিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল।