রবিবার-১৭ নভেম্বর ২০১৯- সময়: সকাল ৬:০৯
৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১কেজি পেয়াজ বিরামপুরের বাজারে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানব সেবা করতে চাই-পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হুমায়ুন কবীর বিরামপুরে নেশার ইনজেকশন ও ফেন্সিডিলসহ আটক-৩ হিলি চেকপোস্টে বিজিবি’র গোয়েন্দা সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হয়রাণীর অভিযোগ বিরামপুরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত বিরামপুরে প্রকল্প সমাপনী কর্মশালা গরীব ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে আমি শান্তি পাই জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে আজও চালু হয়নি, নবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন “প্রেসিডেন্ট পদক” অর্জন বিরামপুরের কৃতি সন্তান ফায়ার সার্ভিসের গোলাম রওশন ঘোড়াঘাটে বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা বাগান করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে

ধর্ম newsdiarybd.com:

আজ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী

নিউজ ডায়েরী ডেস্ক-আজ বুধবার পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সা.)। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস। জাতীয়ভাবে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যদা ও ভাবগাম্ভির্যের মধ্যদিয়ে এ দিবসটি পালিত হবে।

পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাষ্টপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহ’র সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ আমাদের সবার জীবনকে আলোকিত করুক, আমাদের চলার পথের পাথেয় হোক, মহান আল্লাহর কাছে এ প্রার্থনা করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর সুমহান আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই প্রতিটি জনগোষ্ঠীর অফুরন্ত কল্যাণ, সফলতা ও শান্তি নিহিত রয়েছে। আজকের দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বে প্রিয়নবী (সা.)-এর অনুপম শিক্ষার অনুসরণের মাধ্যমেই বিশ্বের শান্তি, ন্যায় এবং কল্যাণ নিশ্চিত হতে পারে।

এ দিন সরকারি, আধাসরকারি ভবন, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও সশস্ত্রবাহিনীর সব স্থাপনাসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। জাতীয় পতাকা ও ‘কালিমা তায়্যিবা’ লিখিত ব্যানার ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড ও লাইট পোস্টে প্রদর্শিত হবে। রাতে সরকারি ভবন ও সামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা করা হবে।

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ ও বেসরকারি সংস্থাসমূহে হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনীর ওপর পক্ষকালব্যাপী আলোচনা সভা ও মাহফিলসহ বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হবে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। শিশু একাডেমি শিশুদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।

এছাড়া, এ উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধনিবাস ও মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনসমূহে যথাযথভাবে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করা হবে।

সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে আজ থেকে শুরু হচ্ছে পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালা।

মঙ্গলবার থেকে ৪ ডিসেম্বর-২০১৮ পর্যন্তÍ বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর সাহানে ইসলামী ক্যালিগ্রাফি, মহানবী (সা.) এর জীবনীভিত্তিক পোস্টার ও গ্রন্থ প্রদর্শনী হবে।

প্রতিদিন দুপুর দেড়টা থেকে রাত সাড়ে ৭ টা পর্যন্ত প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে বলে ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। – বাসস

পবিত্র আখেরি চাহার শম্বা আজ

ধর্ম ডেস্ক-পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা আজ। হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবারকে ‘আখেরি চাহার সোম্বা’ বলা হয়। এ দিনে আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কঠিন পীড়া থেকে সুস্থতা লাভ করেন।

আখেরি চাহার সোম্বা একটি আরবী ও ফার্সি শব্দ-যুগল। এর আরবী অংশ আখেরি, যার অর্থ ‘শেষ’ এবং ফার্সি অংশ চাহার সোম্বা, যার অর্থ ‘চতুর্থ বুধবার’। এই দিন কিছুটা সুস্থতাবোধ করায় মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা) গোসল করেন। মদিনাবাসী এই খবরে আনন্দ-খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায়। তারা দলে দলে নবীকে এসে একনজর দেখে যায়। সকলে তাদের সাধ্যমতো দান সদকা করেন। শুকরিয়া নামাজ আদায় ও দোয়া করেন।

নবীর রোগমুক্তিতে তার অনুসারীরা এতটাই খুশি হয়েছিলেন যে তাদের কেউ দাসমুক্তি করেন, কেউবা অর্থ বা উট দান করেন। এই খবরে আবু বকর সিদ্দিক ৫ হাজার দিরহাম, উমর ৭ হাজার দিরহাম, ওসমান ১০ হাজার দিরহাম, আলী ৩ হাজার দিরহাম, আবদুর রহমান ১০০ উট, ইবনে আউফ ১০০ উট দান করেন।

বাংলাদেশে আখেরি চাহার সোম্বার দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা দরবার খানকায়ে ওয়াজ নসিয়ত জিকির-আজকার, মিলাদ মাহফিল দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এদিনে। সাধারণ মুসলমানরা এ দিনটিকে খুশির দিন হিসেবে উদযাপন করে।

আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ফুলবাড়ীতে দিনাজপুর জেলা ইজতেমা

মেহেদী হাসান উজ্জল-আমি আমিন শব্দ ধ্বনি আর গুনাহ মাফের কান্নায়, আখেরী মুনাজাতের মধ্যে দিয়ে  শনিবার শেষ হয়েছে, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের ভিমলপুর ঈদগাঁহ মাঠে অনুষ্ঠিত গত (৬ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া দিনাজপুর জেলা ইজতেমা।

ইজতেমায় আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইল মসজিদের তাবলীগ জামাতের কেন্দ্রীয় মুরুব্বী মাওলানা মোঃ আব্দুল ওহাব মিঞা।

তাবলীগের কেন্দ্রিয় স্থান কাকরাইল মসজিদের সিদ্ধান্তে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের ভিমলপুর ঈদগাঁহ মাঠে গত (৬ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার বাদ জোহর থেকে আমবয়ানের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া তিনদিন ব্যাপী দিনাজপুর জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। ইজতেমায় সকল জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ আশপাশের জেলার তাবলীগের মুরুব্বীগণ দলে দলে ইজতেমা মাঠে সমবেত হয়।

তাবলীগের মুরুব্বী গণ ও ইজতেমা পরিচালনা কমিটির সদস্য সহকারী অধ্যাপক শেখ সাবীর আলী ও আব্দুল মান্নান সরকার বলেন, এই ইজতেমা থেকে প্রায় ৬৭টি তাবলীগ জামাত দিনের কাজে আল্লাহর রাস্তায় বের হয়েছে। তারা বিভিন্ন এলাকার মসজিদে মসজিদে গিয়ে ওই এলাকার বাসীন্দাদের আল্লহর এবাদত বন্দেগির জন্য হেদায়েতের আহবান করবেন।

এদিকে আখেরী মুনাজাতে অংশ নেন, প্রানী ও মৎস্য মন্ত্রনালয়ের সচিব ওয়াসিম উদ্দিন, ধর্ম মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব হাফিজুর রহমান, সাবেক সচিব আলতাব হোসেন, কর্নেল ছানাউল্যাহ, দিনাজপুর ডিসি ড, আবু নঈম মোঃ আব্দুস সব্বুর।

এদিকে গুনাহ মাফের আশায় আখেরী মুনাজাতে অংশ গ্রহন করার জন্য ফুলবাড়ী উপজেলা শহরের সকল দোকান-পাট বন্ধ করে বিভিন্ন শেনী পেশার মানুষ মুনাজাতে অংশ গ্রহন করেন। এবং দুর-দুরান্ত থেকে প্রায় লক্ষাধিক মুসুল্লিগণ আখেরী মুনাজাতে অংশ গ্রহন করেন। এতে ভিমলপুর ঈদগাঁহ মাঠ ছাড়াও, আশপাশের সকল রাস্তাঘাট গ্রাম গুলো জনসমুদ্রে পরিনত হয়।

রাজাপুরের মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সের নির্মান কাজের উদ্বোধন করেন- প্রধানমন্ত্রী

রহিম রেজা, ঝালকাঠি থেকে-দেশের প্রথম মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মিত হতে যাচ্ছে ঝালকাঠির রাজাপুরে। সারা দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রকল্পের আওতায় সবার আগে দেশের ১০ জেলায় ১০ টি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে। এর মধ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা চত্ত্বর সংলগ্ন খাদ্য গুদামের পেছনের মাঠে।

বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ মসজিদ কমপ্লেক্সটি নির্মাণের কার্যক্রম (ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গণপূর্ত অধিদফতরের অধীনে ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪০ শতাংশ জমিতে ৪ তলা বিশিষ্ট এ মডেল মসজিদটি নির্মিত হবে।

প্রথম পর্বে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজাপুরের মডেল মসজিদসহ টুংগীপাড়া, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর, বরিশাল, বগুড়া ও রংপুর এ ১০ টি স্থানে অত্যাধুনিক মডেল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ উপলক্ষে ঝালকাঠি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের নিয়ে কয়েক দফায় মিটিং ও ওই স্থানটি পরিদর্শন করেছেন।

রাজাপুরের নির্মানস্থলে ভিডিও কনফারেন্সিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ধর্ম মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বিএইচ হারুন, বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান ও ইউএনও আফরোজা বেগম পারুলসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন।

মসজিদ কমপ্লেক্সটিতে যা থাকছে: পাঁচতলা উচ্চতার ভবনটি শুধু একটি মসজিদ নয়, মসজিদ কমপ্লেক্স। এরমধ্যে নারীদের জন্য পৃথক পৃথক অজুখানা ও নামাজের ব্যবস্থা থাকবে।

এছাড়া ইমামদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, হজ্বের মৌসুমে হাজীদের থাকার ব্যবস্থা, লাইব্রেরি, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, মেহমানদের আবাসন ও বিদেশি পর্যটকদের পরিদর্শন এবং মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে নকশা আহ্বান করে সেরা নকশাটি বাছাই করে সে আলোকে সারাদেশের মডেল মসজিদগুলো নির্মিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল প্রতি উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা।

আর সেই আলোকে মুসল্লিদের জন্য নামাজ ও ধর্মীয় শিক্ষা, সন্ত্রাস ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ, সরকারের উন্নয়নের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইসলামি মূল্যবোধের লালন ও পরিস্ফুটন ঘটাতে এসব মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বরিশালে আঞ্চলিক ইজতেমা শুরু ২৫ জানুয়ারি

আগৈলঝাড়া(বরিশাল) প্রতিনিধি-আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে বরিশালে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার আঞ্চলিক পর্ব। ওইদিন বাদ ফজর থেকে আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে ইজতেমার মূল আনুষ্ঠানিকতা।

২৭ জানুয়ারি জোহরের নামাজের আগে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ইজতেমা।

এ উপলক্ষে ময়দান প্রস্তুতিতে নগরীর নবগ্রাম রোডে উপজেলা পরিষদের পেছনের অংশে সরদারপাড়া সংলগ্ন এলাকায় মহাযজ্ঞ চলছে। বর্তমানে প্রায় ১৪ একর এলাকা জুড়ে চলছে ইজতেমার প্রস্তুতি।

ইতোমধ্যে তাবলীগে আসা সাথীদের থাকার জন্য নির্মান করা হয়েছে বিশাল সেড। সেখানে এক সাথে ৩৬ হাজার মুসুল্লী থাকতে পারবেন। এছাড়াও আড়াই লক্ষাধিক মুসুল্লী এক সাথে জুমার নামাজ আদায় করতে পারবেন।

সরোজমিনে দেখা গেছে, তাবলিকের মুসুল্লী, বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্র এবং এলাকাবাসী প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে তৈরী করছেন ইজতেমার অবকাঠামো। সম্পন্ন করেছেন সকল আয়োজন।

একই সাথে ইজতেমা আয়োজনে সহযোগীতা করছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। আশপাশে চলছে অজুখানা, পায়খানাসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মানের কাজ।

ইজতেমা মাঠের প্রস্তুতির তদারকীর দায়িত্বে থাকা তাবলীগ জামায়াতের সাথী হামিম খান জানান, ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার বরিশাল জেলা পর্ব নবগ্রাম রোডে অনুষ্ঠিত হয়।

ওই ইজতেমায় দেড় লাখ মুসল্লীর একসাথে জুমার নামাজ আদায় করার মতো ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। কিন্তু মুসল্লীদের সংখ্যা এতোই বেশি হয়েছিলো আয়োজনের সীমানা ছাপিয়ে গিয়ে মুসল্লীদের দুর্ভোগে পরতে হয়েছিলো।

সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই এবারের ইজতেমার আয়োজন চলছে। জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, ইজতেমার নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি র‌্যাব সদস্যদের মোতায়েন রাখা হবে।

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু আম বয়ানের মধ্য দিয়ে

নিউজ ডায়েরী ডেস্ক-দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের উপস্থিতিতে ইবাদত বন্দেগি, জিকির আসকার আর আল্লাহু আকবর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে টঙ্গীর তুরাগপাড়ের বিশ্ব ইজতেমা ময়দান।

আজ শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়েছে।

বাদ ফজর জর্দানের মাওলানা সৈয়দ ওমর খতিবের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ইজতেমার প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা।

এরপর বাদ জোহর বয়ান করবেন বাংলাদেশের মাওলানা মোহাম্মদ হোসেন, বাদ আছর বয়ান করবেন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল বার ও বাদ মাগরিব বয়ান করবেন বাংলাদেশের মাওলান মোহাম্মদ রবিউর হক।

আজ শুক্রবার দিন হওয়ায় আজ ইজতেমা মাঠে বৃহত্তম জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। গাজীপুরসহ আশপাশের অঞ্চলগুলো থেকে থেকে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করতে ইজতেমা ময়দানে আসবেন। প্রথম পর্বে রাজধানী ঢাকাসহ ১৪ জেলার মুসল্লিরা ইজেতেমায় অংশ নিচ্ছেন।

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ শুরু ১২ জানুয়ারি, প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন

ধর্ম ডেস্ক-মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ আগামী ১২ জানুয়ারি থেকে গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হচ্ছে।

ইজতেমার মুরুব্বি প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন আজ বলেন, বিশ^ ইজতেমার সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মাঠের অল্প কিছু অংশের কাজ এখনও বাকি আছে।
শেষ মুহূর্তে মাঠ প্রস্তুতির সার্বিক কাজ বেশ জোরেশোরে চলছে।
আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে মাঠের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা ।
বিশ্বইজতেমা আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৫ জানুয়ারি দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
এরপর একটানা চারদিন বিরতির পর একই স্থানে দ্বিতীয় ধাপের তিন দিনব্যাপী বিশ্ব বিশ্ব ইজতেমা আগামী ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার শুরু হয়ে ২১ জানুয়ারি দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে। এটি ৫২তম বিশ্ব ইজতেমা আসর।- বাসস।

যশোর আঞ্চলিক ইজতেমায় জুম্মার নামাজে মুসল্লি ভিড়

যশোর প্রতিনিধি- শুক্রবার জুম্মার নামাজে যশোরের বিশ্ব ইজতেমাস্থলে উপচে পড়ে মুসল্লিরা। এদিন ইজতেমাস্থল ছাড়িয়ে গোটা উপশহরের বৃহদংশ জুড়ে ছিল মুসল্লির ভিড়।

একদিকে সারথী টেক্সটাইল মিল,যশোর-মাগুরা সড়কের কাছাকাছি,বিরামপুর বাবলাতলা পর্যন্ত জায়গাজুড়ে নামাজে দাঁড়ান মুসল্লিরা। কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

যশোরে তিনদিনের আঞ্চলিক ইজতেমার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার। এদিন জুমার নামাজ আদায় করতে ইজতেমায় আসেন যশোর ছাড়াও আশপাশের বহু এলাকার মুসলিমরা। বৃহৎ জমায়েতে নামাজ আদায়ের ফজিলত থাকায় নামাজিদের উপস্থিতি লাখ ছুঁয়েছে বলে মনে করছেন জুমায় আসা মুসলিমরা।

সাধারণ মানুষের সঙ্গে জুমার নামাজে অংশ নেন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক,সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার, পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু,যশোর জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল হুদা,সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল,ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। ছুটির দিন হওয়ায় শহরের ব্যবসায়ীরাও দলে দলে যোগ দেন নামাজে।

নামাজ শেষে আলজেরিয়া থেকে আসা তাবলিগের মুরব্বি মো. আলী কাদের বয়ান শুরু করেন। তার বয়ান বাংলায় অনুবাদ করে শোনান তাবলিগের সাথী মুফতি মাওলানা মো. উমায়েদ হোসেন। বয়ানে তিনি গোটা মুসলিম জাতিকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে দ্বীন প্রচারের আহ্বান জানান। শনিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমা।

দিনাজপুরে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা সমাপ্ত

স্টাফ রির্পোটার,দিনাজপুর- দিনাজপুরে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপাী ইজতেমা শেষ হয়েছে। আখেরী মুনাজাতে ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঢল।

মুনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক। ১২ থেকে ১২টা ১১ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ১১ মিনিটের মুনাজাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনা করা হয়।

গত শনিবার ২ ডিসেম্বর সকাল থেকে দিনাজপুর বড়মাঠে ইজতেমা মাঠে সমবেত হন কয়েক লাখ মানুষ। বেলা ১০টার মধ্যে ইজতেমা মাঠ ভরে শিশু পার্ক, পুলিশ সুপার অফিসের রাস্তা ও আশপাশের এলাকা লোকে লোকারন্য হয়ে ঊঠে। দিনাজপুর বড়মাঠ পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

মুনাজাতে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষের দাবী দিনাজপুরে এতো বড় জামায়েত আর কখনো হয়নি। আখেরী মুনাজাতে ৫/৬ লাখ নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেছে বলে ইজতেমার আয়োজক ও সাধারণ মুসল্লিরা দাবী করেছে। শহরের অধিকাংশ দোকানীরা দোকানপাট বন্ধ করে মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। ফলে শহর ছিল ফাকা।

আখেরী মুনাজাতে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মো. হামিদুল আলম, দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া জেলা শহর ও আশপাশের এলাকার পুরুষ, নারী বৃদ্ধ, শিশুসহ সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষ মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

ইজতেমার শেষ দিন শনিবার বাদ ফজর থেকে সকাল সাড়ে ৯টায় পর্যন্ত বয়ান করেন কাকরাইলের মুরব্বি মাওলানা মো. মোশাররফ হোসেন।

সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত হেদায়েতী বয়ান পেশ করেন কাকরাইলের মুরব্বি মাওলানা আব্দুল মতিন। হেদায়েতী বক্তব্যের পর মুনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক। প্রায় ১১ মিনিট পর মুনাজাত শেষ করেন। মুনাজাতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করা হয়।

আখেরী মুনাজাতের পূর্বে ১৫ মিনিট বয়ান পেশ করেন মাওলানা মো. রবিউল হক। এ সময় তিনি বলেন, সাহাবায়ে কেরামের যুগে তাদের কোন সামান (সরঞ্জাম) ছিল না। তাদের জ্ঞানও কম ছিল। তার পরও তারা ইমানের বলে বলিয়ান হয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাড়িয়েছিল। কিন্তু বর্তমান বিশ্বের মুসলমানদের হাতে সব কিছু থাকার পরও আজ বিশ্বে মুসলমানরা লাঞ্চিত। এর কারণ মুসলমানরা দ্বীন ইসলামের দাওয়াতী কাজ থেকে দুরে সুরে গেছে। তাই মুসলমানদের সেই মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে হলে দ্বীন ইসলামের পথে ফিরে আসতে হবে। তাহলে বিশ্বে আবারো শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। বয়ান শেষে প্রায় ১১ মিনিট মুনাজাত করার পর মুনাজাত শেষ করেন মাওলানা মো. রবিউল হক।

এদিকে দিনাজপুর তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) আলহাজ্ব মো. লতিফুর রহমান জানান, তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ইজতেমা মাঠ থেকে প্রায় ৫০টি জামাত এক চিল্লা ও তিন চিল্লার জন্য বের হয়ে যায়। এসব জামাত সিরাজগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও বি.বাড়িয়া জেলায় যাবে বলে জানান তিনি। এই তিনটি জেলায় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

অপরদিকে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ইজতেমা মাঠের চার পাশে মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য ৬টি পুলিশ বক্স স্থাপন করা হয়।

পাশাপাশি রয়েছে রাব-পুলিশের সার্বক্ষনিক টহলদল। এছাড়া সাদা পোষাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ গোয়েন্দা বিভাগের লোকজন ইজতেমা মাঠে দায়িত্ব পালন করেন।

দিনাজপুরে ইজতেমার জুম্মার নামাজে লাখো মানুষের ঢল, আজ আখেরী মোনাজাত

স্টাফ রির্পোটার,দিনাজপুর- দিনাজপুর বড় মাঠে অনুষ্ঠিত ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে গতকাল শুক্রবার শুক্রবার জুম্মার নামাজে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামে ইজতেমা মাঠে।

দিনাজপুরের ইতিহাসে লাখ লাখ মানুষের এটাই প্রথম জামাত। ভোর হতে বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা মাঠে শুরু করে।

৯টা হতে হতেই কানায় কানায় পুর্ন হয়ে দিনাজপুর বড়মাঠ যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

জুম্মার নামাজের পর দিনাজপুরের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মরহুম মনোয়ারুল ইসলাম মনার জানাযা একই স্থানে পরানো হয়। আখেরী মোনাজাতে অংশগ্রহনের জন্য জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপিসহ ঢাকায় অবস্থানরত বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ ও বিভিণœ জেলার মুসল্লিরা ইতিমধ্যেই দিনাজপুরে এসে পৌছে।

দিনাজপুর জেলা ও উপজেলা থেকে তাবলীগ জামাতের অনুসারীসহ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুম্মার নামাজের জামাতে অংশ গ্রহনের জন্য সমবেত হন ইজতেমা মাঠে। বড় জামাতে জুমার নামাজ আদায় করলে অনেক সওয়াব পাওয়া যাবে এই আশা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষ ইজমেতা মাঠে জুমার নামাজের জামাতে শরিক হন।

ফলে ইজতেমা মাঠ ও আশপাশের এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। ইতিপুর্বে সকাল থেকেই ইজতেমা মাঠ ও গোর-এ-শহীদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী মহল, প্রভাবশালী ও বিশিষ্টজন, ওলামায়ে কেরাম এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে পৃথক পৃথক আলোচনা করেন তাবলীগ জামাতের মুরব্বিরা।

এ সময় সমাজের শিক্ষিত, প্রভাবশালী ও উচু শ্রেণির লোকজন কিভাবে মানুষের মাঝে দ্বীন ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতে পারেন এবং এই দাওয়াতের কিভাবে প্রভাব পড়ে সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বাদ জুম্মা বয়ান করেন মাওলানা মোঃ সোহেল, বাদ আসর বয়ান করেন মাওলানা মো. মোশাররফ হোসেন ও বাদ মাগরিব মাওঃ রবিউল হক।

দিনাজপুর তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) আলহাজ্ব মো. লতিফুর রহমান জানান, শনিবার শেষ দিনে কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান পেশ করবেন। শনিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শেষ হবে।

কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করবেন বলে জানান লতিফুর রহমান।

অপরদিকে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইজতেমা মাঠের চার পাশে মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য ৬টি পুলিশ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে রাব-পুলিশের সার্বক্ষনিক টহলদল। এছাড়া সাদা পোষাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ গোয়েন্দা বিভাগের লোকজন ইজতেমা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।