বৃহস্পতিবার-২১ নভেম্বর ২০১৯- সময়: রাত ১২:৫৯
বিরামপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চোখের অপারেশন বিরামপুরে সাংবাদিকের বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় আটক-১ ৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১কেজি পেয়াজ বিরামপুরের বাজারে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানব সেবা করতে চাই-পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হুমায়ুন কবীর বিরামপুরে নেশার ইনজেকশন ও ফেন্সিডিলসহ আটক-৩ হিলি চেকপোস্টে বিজিবি’র গোয়েন্দা সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হয়রাণীর অভিযোগ বিরামপুরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত বিরামপুরে প্রকল্প সমাপনী কর্মশালা গরীব ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে আমি শান্তি পাই জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে আজও চালু হয়নি, নবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

স্বাস্থ্য newsdiarybd.com:

বিরামপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চোখের অপারেশন

 

বিরামপুর-প্রস্তাবিত জেলা শহর বিরামপুরে অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের ইনসানিয়াত সোসাইটি ও দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম যৌথ উদ্দ্যেগে দিনাজপুর দক্ষিনাঞ্চলের বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলার রোগীদের বিনামূল্যে চোখের সানি অপারেশন ও লেন্স সংযোজন করা হয়েছে।
১৭ নভেম্বর রবিবার চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মোখলেছুর রহমানের তত্বাবধায়নে ডাঃ ইমার উদ্দিন কমিউনিটি হাসপাতালে পাঁচটি প্যাকেজের আওতায় ১০০ জন রোগীর অপারেশন সর্ম্পূণ হয়েছে।
ডাঃ মোঃ মোখলেছুর রহমান বলেন, ইনসানিয়াত সোসাইটি’র প্রকৌশলী মোঃ ফরহাদ রেজা এলাকার অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের সেবায় মহান উদ্যেগ গ্রহন করেছে।
ডাঃ মোঃ ইমার উদ্দিন কায়েস বলেন, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি বিগ্রেডিয়ার (অবঃ) মাসুদ আলী খানের তত্বাবধায়নে অত্র অঞ্চলের চারটি উপজেলার মানব সেবায় এক বীরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চোখ অপারেশন করতে আসা রোগী মনোয়ারা বলেন, “আমরা গরিব মানুষ এত টাকা ব্যয় করে চখের অপারেশন করা সম্ভব নয় বা” যারা এ আয়োজন করেছে আল্লাহ অমাক ভালো করুক।
এছাড়াও হাইড্রোসিল হারনিয়া, ইউট্রাস অপারেশন ও ইতিমধ্যে এ সংগঠনের মাধ্যমে সর্ম্পূণ হয়েছে।

চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানব সেবা করতে চাই-পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হুমায়ুন কবীর

বিরামপুর (দিনাজপুর) থেকে-সীমান্তবর্তী ও কৃষি অর্থনীতিতে অগ্রগামী দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় বিরামপুর ম্যাটস এন্ড আইএইচটি অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অরিয়েনটেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, চিকিৎসা সেবায় মনোযোগ দিয়ে মানবসেবা করতে হবে।

এ অঞ্চলের চিকিৎসাসেবা খাতকে এগিয়ে নিতে ম্যাটস্ ও আইএইচটির প্রচেষ্ট অব্যহত থাকবে। তোমরা যারা নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছো তারা পুরাতনদের কাছ থেকে অনেককিছু শেখার আছে। আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানব সেবা করতে চাই ।

১৬ নভেম্বর শনিবার দুপুরে ম্যাটস কার্যালয়ের হলরুমে অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ সোলায়মান আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ হুমায়ুন কবীর।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুর রহমান, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী সরকার, অধ্যক্ষ, বিরামপুর সরকারী কলেজ, ফরহাদ হোসেন, প্রাক্তন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোস্তফা মোহাম্মদ নুরুন্নবী, প্রাক্তন সিভিল সার্জন ডাঃ ইমার উদ্দিন কায়েস, অধ্যক্ষ বিরামপুর মহিলা কলেজ, শিশির কুমার সরকার, ম্যাটস্ এর পরিচালক হারুনুর রশিদ, নূর-ই-আলম, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন প্রমূখ।

বিরামপুরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত

বিরামপুর (দিনাজপুর) থেকে-ডায়াবেটিস থেকে আপনার পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন, শৃঙ্খলা মেনে চলুন।
আজ ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ব ডায়াবেটিস উপলক্ষে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিরামপুর ডায়াবেটিস সমিতি পৃথকভাবে পালন করেছে।
সকাল ১০টায় বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেগে ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে র‌্যালী শেষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, ইউএইচপিও ডাঃ সিরাজুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম আর এমও ডাঃ আহসান হাবিব সরকার বকুল, ডাঃ মহোতারিমা সিফাত ।

র‌্যালী শেষে সকাল ৯টায় বিরামপুর ডায়াবেটিস সমিতি রোগিদের বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কর্মসূচীর উদ্ভবন করেন ডায়াবেটিস সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ আক্কাস আলী।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান সরকার, ডাঃ ইমার উদ্দিন কায়েস, সমাজ কল্যান সম্পাদক ওবায়দুল মিনহাজ, ডাঃ পলাশ চন্দ্র সরকার, ডাঃ ইফতে খায়রুল ইসলাম জনি, উপধ্যক্ষ মেজবাউল হক, আজীবন সদস্য মাহমুদুল হক মানিক।

গরীব ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে আমি শান্তি পাই

জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর-দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা “হেলথ ক্যাম্প” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় উপজেলার ব্রাক হেলথ সেন্টারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ সরকার মামুনুর রশীদ দিনব্যাপী এই স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেন।
এসময় ডাঃ সরকার মামুনুর রশীদ প্রতিবেদক’কে জানান, “কিভাবে যেন এখানকার দরিদ্র মানুষগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছি টেরই পাইনি”। মানুষকে সেবা প্রদান করা পৃথিবীর সব মানুষেরই নৈতিক দায়িত্ব। সুবিধাবঞ্চিত, গরীব ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে আমি শান্তি পাই।
তিনি আরও জানান, ডাক্তার হওয়ার পর থেকেই আমার ভাবনা ছিলো যত বেশী পারা যায় গরীব ও অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা করা। এজন্যই যখন কেউ আমাকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলেন সেখানেই আমি ছুটে চলে যাই।
এসময় চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে ক্যাম্পটি ঘুরে দেখা যায়, তিনি রোগী দেখছেন পরম যত্নে, মায়া মমতায়, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে। যেন মানুষগুলোর মধ্যে একাত্ম হয়ে উঠেছেন।
কয়েকজন রোগী জানান, বরাবরই তিনি গরীব ও অসহায় রোগীদের প্রাধান্য দেন, অত্র এলাকার দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবার শেষ আশ্রয়স্থল ডাঃ সরকার মামুনুর রশীদ। মানবসেবায় ডাঃ সরকার মামুনুর রশীদ এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল হাসপাতালে লাইভ ওয়ার্কশপে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় রিং (স্টেন্ট) সফল প্রতিস্থাপন সম্পন্ন

দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও বাংলাদেশ রেডিয়াল ইন্টারভেশন কোর্সের (বিআরআইসি) উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী কমপ্লেক্স ট্রান্সরেডিয়াল ইন্টারভেশন ও পিটিএমসির লাইভ ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়।

এই ওয়ার্কশপের অধীনে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাথল্যাবে ৫টি সিটিও, ২টি ক্যালসিফাইড ও ২টি সিম্পল রিশনসহ মোট ৯ জন রোগীর হাতের রক্তনালীর মাধ্যমে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ডিসটাল রেডিয়াল ও আলনার রুট ব্যবহার করে হৃদপৃন্ডের ধমনীতে সরকার নির্ধারিত স্বল্পমূল্যে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে ২ জন রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিজ সরু হার্টভাল্ব(মাইট্রাল স্টেনোসিস) রোগীর পিটিএমসি প্রসিডিউরের মাধ্যমে সফল ভাবে চিকিৎসা করা হয়।

দিনাজপুর পর্যটন মটেল ও দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ ও ৯ নভেম্বর শুক্র ও শনিবার দুই দিন ব্যাপী এই ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে লাইভ ওয়ার্কশপের মাধ্যমে এত রোগীর ট্রান্সরেডিয়াল রুটে স্টেন্ট সফল ভাবে প্রতিস্থাপন এটাই প্রথম।

দুই দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপে উপস্থিত ছিলেন, দেশবরেন্য ইন্টারভেশনাল কার্ডিওলজিষ্ট, ব্রিক (বিআরআইসি) এর কোর্স ডাইরেক্টর, বিএসসিআই এর সেকেটারী জেনারেল এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডাঃ মীর জামাল উদ্দিন, ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসাপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সিএম শাহীন কবির ও এনআইসিভিডির ইন্টারভেশনাল কার্ডিওলজিষ্ট ডাঃ মোঃ সাকীফ শাহরিয়ার।

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এএফ খবির উদ্দিন আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহরিয়ার কবীর ও ডাঃ মোঃ বসির উদ্দিনসহ হৃদরোগ বিভাগের পুরোটীম সহযোগীতায় ছিলেন।

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাথল্যাবে উক্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর ডাঃ নাসিমা সুলতানা। এ সময় তিনি সন্তুটি প্রকাশ করে কার্ডিওলজি বিভাগের কার্যক্রমের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

অধ্যাপক ডাঃ মীর জামাল উদ্দিন বলেন, পায়ের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করলে রোগীর প্রচন্ড কষ্ট হয়। দুই তিন দিন হাটতে পারেনা । অনেক সময় রক্তক্ষরণসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করা হলে রোগীর কোন কষ্ট হয়না। জটিলতা নেই বললেই চলে। রোগীর ঝুকি কম থাকে।

লাইভ ওয়ার্কশপের মাধ্যমে এত রোগীর ট্রান্সরেডিয়াল রুটে স্টেন্ট ওয়ার্কশপের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চাইলে সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহরিয়ার কবীর বলেন, আমি আগেও হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করেছি। জটিল রোগীদের ক্ষেত্রে এটা করার সাহস পেতাম না। কিন্তু এই ওয়ার্কশপে যে অভিজ্ঞতা অর্জন হল তা দিয়ে আমি এখন অনেক ঝুকিপূর্ণ রোগীরও হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করতে পারব। যাতে করে রোগীর কষ্টও কম হবে, সময় কম লাগবে ও রোগীর অর্থনৈতিক সাশ্রয় হবে।

বিরামপুরে সচেতনতামূলক সভা

মোঃ আবু সাঈদ,বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি- সারাদেশের ন্যায় বিরামপুরে আনসার ভিডিপি ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আয়োজনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ও ছেলেধরা গুজবে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসিবে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন, থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) সোহেল রানা, আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গোলজার হোসেন প্রমূখ।

সভায় বক্তারা সাধারন মানুষকে সচেতন করতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করনীয় বিষয়ক নানা দিক তুলে ধরেন এবং সকলকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন।

বিরামপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা

বিরামপুর (দিনাজপুর) থেকে-সীমান্ত কর্তৃক কৃষি অর্থনীতিতে অগ্রগামী বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালি ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে জনসচেতনতায় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হল রুমে শনিবার ৩ আগষ্ট ডা. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্তে র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন, রংপুর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক, ডা. মোস্তাফা খালেদ আহমদ, দিনাজপুর সিভিল সার্জেন ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু, মেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল, ভাইস চেয়ারম্যান মেসবাউল ইসলাম মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যার ইয়াকুব আলী, আরএমও ডা. মামুনুর রশীদ।

পরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ডা. আহসান হাবিব সরকার বকুল, ডা. আয়েশা সিদ্দিকা ও হাসপাতালের সিনিয়র নার্স ও স্টাফগণ।

র‌্যালি শেষে রংপুর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক, ডা. মোস্তাফা খালেদ আহমদ, দিনাজপুর সিভিল সার্জেন ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

বিরামপুরে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ শুরু

বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা-বিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১ আগষ্ট) মসক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ শুরু করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে সকালে উপজেলা চত্বর থেকে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে উপজেলা বাউন্ডারীর ঝোপঝাড় পরিস্কার ও অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউএনও তৌহিদুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম ও উম্মে কুলছুম বানু, থানার ওসি মনিরুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদ জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাওছার আলী, যুব কর্মকর্তা জামির মন্ডল, সমবায় কর্মকর্তা নাছিমুল হক প্রমূখ।

রমেক হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এখন ৬০ জন

রংপুর প্রতিনিধি-রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বিগত ১৯ জুলাই থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত মোট ২১ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসার জন্য এ হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিন্তু দু,দিনের ব্যবধানেই এ রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে এ সংখ্যা ৪৫ জন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।

রোগীদের সকলেই রংপুর ও পার্শ্ববর্তী জেলা সমূহের বাসিন্দা। এদের মধ্যে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের কাশিরাম গ্রামের পরিতোষ সরকার (২৫) চাকুরীজীবি এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলাধীন হাজারীহাট গ্রামের আজানুর রহমান (২২) একজন কৃষক। বাঁকিরা সবাই ছাত্র এবং রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছেন।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের পর বিগত ১৯ জুলাই থেকে একের পর এক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টগণ মনে করছেন।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. সুলতান আহমেদ সাংবাদিকদের জানান,ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের সকলেই আশঙ্কামুক্ত। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে সুস্থ্য হয়ে তারা সবাই ঘরে ফিরবেন।

ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু আক্রান্ত রুগীদের পরীক্ষার সরঞ্জাম না তাকায় ডেঙ্গু রুগীদের দৃর্ভোগ

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা হাসপাতালে দুই ভর্তি হলেও এখানে ডেঙ্গু জ্বরের কোন সরঞ্জাম না থাকায় চিকিৎসক ডাঃ নুরনেয়াজ তাদেক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়্। এদের মধ্যে চাদপাড়া গ্রামের সুভাস চন্দ্রের ছেলে সংকোর চন্দ্র বগুড়া থেকে ডেঙ্গু ভাইরাজ জ্বও নিয়ে বাড়ীতে আসেন।

অপর একজন মাঝিয়ান গ্রামের মনিরুলের ছেলে আঃ মালেক সে ঢাকা পোষাক কারখানায় চাকুরী করা অবস্থায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বাড়ী আসেন। তাদের দু-জনকে ডেঙ্গু আক্রান্ত সনাক্ত করে দিনাজপুর জেলা সদও হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।

এ দিকে ডেঙ্গু আতস্কে দিন পার করছেন ঘোড়াঘাট উপজেলার সাধানর মানুষ। তার উপর এখানে ডেঙ্গু জ্বরের নাই কোন চিকিৎসা ও সরঞ্জাম।

ডেঙ্গু আতংকো না হওয়ার জন্য কাজ করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমসহ বিভিন্ন সংস্থা গুলো। তারা মাইকিং করে ডেঙ্গু আতংকো থেকে বিরোত থাকার নির্দ্দেশ প্রদান করছেন্ । এ ছাড়াও বাড়ীর আশে পাশেসহ ময়লা আর্বজনা পরিস্কার করার পরামর্শ দেন।