বৃহস্পতিবার-২১ নভেম্বর ২০১৯- সময়: রাত ১:৫১
বিরামপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চোখের অপারেশন বিরামপুরে সাংবাদিকের বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় আটক-১ ৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১কেজি পেয়াজ বিরামপুরের বাজারে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানব সেবা করতে চাই-পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হুমায়ুন কবীর বিরামপুরে নেশার ইনজেকশন ও ফেন্সিডিলসহ আটক-৩ হিলি চেকপোস্টে বিজিবি’র গোয়েন্দা সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হয়রাণীর অভিযোগ বিরামপুরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত বিরামপুরে প্রকল্প সমাপনী কর্মশালা গরীব ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে আমি শান্তি পাই জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে আজও চালু হয়নি, নবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

মুক্তিযুদ্ধ newsdiarybd.com:

নাটোরের প্রতিবন্ধি প্রবীণ দম্পত্তি ভাতা নয়, চায় মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

করিম মৃধা,নাটোর প্রতিনিধি-নাটোর জেলার ছাতনী ইউনিয়নের আগদিঘা গ্রাম। এই গ্রামটি দ্বিতীয় মুজিবনগর নামে অনেকের কাছে পরিচিত। তার কারণ, এই গ্রামের শতভাগ মানুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে ১৯৭১ সালে দেশ রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া সহ বিভিন্নভাবে অবদান রাখেন। পাশাপাশি এই গ্রামের শতভাগ মানুষ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেয় ও ভোটাররা ভোট প্রদান করেন।

৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প স্থাপন করা হয় এই গ্রামের গমীর মন্ডলের বাড়ি। গমীর মন্ডলের স্ত্রী, ৪ ছেলে ও ১মেয়ে সকলেই ক্যাম্পের কমান্ডার, প্রশিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীণ দীর্ঘ ৪ মাস রান্না করে খাওয়ানো, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করেছিলেন। পাশাপাশি গমীর মন্ডলের ৪ ছেলে সক্রিয়ভাবে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

১৯৮৭ সালে গমীর মন্ডল মারা যাওয়ার ৮ বছর পর মারা যায় তার স্ত্রী রূপজান বেওয়া। তাদের ৪ ছেলের মধ্যে মৃত সাদেক আলী মন্ডল, মৃত নজিরউদ্দিন মন্ডল ও আব্দুস সামাদ মন্ডল মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেও আরেক ছেলে আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ভাগ্যে আজও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোন সম্মাননা বা স্বীকৃতি। এদিকে বয়সের ভাড়ে নুয়ে পড়েছেন আব্দুস সাত্তার মন্ডল (৭৮)।

প্রায় ১৫ বছর আগে শিমুল গাছ থেকে তুলা পাড়তে গিয়ে পা পিছলে মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হয় এবং তারপর থেকে কোমড় থেকে নীচ অবধি অচল হয়ে পড়ে তার।

অপরদিকে ১০ বছর আগে চোখের অপারেশন করাতে গিয়ে দুচোখের দৃষ্টি চিরতরে হারান স্ত্রী সোহাগী বেগম (৬৮)। বর্তমানে অসহায় ও প্রতিবন্ধি হয়ে মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এই দম্পত্তি।

রবিবার সকালে আগদিঘা গ্রামে সরেজমিনে গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিত হওয়ার সংবাদ শুনে ছুটে আসেন ওই গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা ছবেদ আলী সেখ, মনিরুদ্দিন সরদার, হাবিবুর রহমান মুসল্লী, জেহের আলী প্রধান, কাইমউদ্দিন খান, আয়ুব আলী হাজরা সহ আশে-পাশের ২২ জন মুক্তিযোদ্ধা।

এ সময় তারা বলেন, আব্দুস সাত্তার মন্ডল ও তার স্ত্রী সহ মৃত গমীর মন্ডলের পরিবারের প্রত্যেক নারী-পুরুষ মুক্তিযুদ্ধে যে অবদান রেখেছিলো তাতে সকলকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া দেশ ও সরকারের মানবিক দায়িত্ব ছিলো। কিন্তু মৃত গমীর মন্ডলের তিন ছেলেকে এই স্বীকৃতি দিলেও কোন এক ভুলে বা সঠিক যোগাযোগ না ঘটায় বাদ পড়ে যায় আব্দুস সাত্তার মন্ডল।

ছাতনী ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন সরকার আক্ষেপের সাথে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আব্দুস সাত্তার মন্ডল সরাসরি অংশ নেন। ৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারিখে রাজাকারদের গোপন সভায় হানা দিয়ে ৯ রাজাকারকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখেন ওই আব্দুস সাত্তার মন্ডল সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা।

রাজাকার হত্যার পর যেনো পাক বাহিনী গ্রামে হামলা করতে না পারে জন্য পাশ^বর্তী হোজা নদীর পারে অস্ত্র নিয়ে দিন-রাত অবস্থান নিয়েছেন ওই আব্দুস সাত্তার মন্ডল সহ সহযোগীরা।

এছাড়া আব্দুস সাত্তার মন্ডলের স্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে যেভাবে রাত-দিন রান্না করা, থালা-বাসন ও কাপড়-চোপড় ধৌত করা এবং খাওয়ানোর কাজ করেছেন তাতে তাকে সহযোগী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া দেশের ও সরকারের নৈতিক দায়িত্ব হয়ে পড়েছে।

একই ইউনিয়নের আমহাটি শিবপুর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে কথা হয় আব্দুস সাত্তার মন্ডল ও তার স্ত্রীর সাথে। চিরতরে অবশ হয়ে যাওয়া দুটি পা এলিয়ে দিয়ে মেঝেতে বসে থাকা বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তার মন্ডল কাঁপা কন্ঠে বলেন, কোন ভাতা নয়, ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম’ শুধু এইটুকু স্বীকৃতি রাষ্ট্র আমাকে দিলে আমি মরেও শান্তি পেতাম। স্ত্রী সোহাগী বেগম তখন সেই দীর্ঘ ৪ মাসের কষ্ট ও ত্যাগের স্মৃতিচারণ এবং বয়ে চলা অসায়ত্বের বর্ণনা করতে গিয়ে তার অন্ধ দুই চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে রংহীন পানি।

মুক্তিযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ প্রসঞ্জী রায়এর পাশে- এমপি গোপাল

ফজিবর রহমান বাবু- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ প্রসঞ্জী রায় নামে এক বৃদ্ধার খোজ পেয়ে তার সাথে দেখা করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সুজালপুর ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রামের প্রসঞ্জ রায় এর বর্তমান বয়স প্রায় ৯০ বছর।

তার খোজ পেয়ে ৯ নভেম্বর শনিবার রাতে এমপি গোপাল তার বাসায় যান এবং সেখানে সেই বৃদ্ধার সার্বিক খোজ খবর নেন। এসময় প্রসঞ্জী রায় এমপিকে তার দেখা মুক্তিযুদ্ধের কিছু স্মৃতির কথা বলেন। প্রসঞ্জী রায় বলেন, মুক্তিযুদ্ধে চলাকালিন তার কোমরের বাম দিকে গুলি লাগে। বর্তমানে সেই বৃদ্ধা তার এক ছেলে ধিরেণকে নিয়ে জরাজীর্ণ জীবন যাপন করছেন। পরে মনোঞ্জন শীল গোপাল এমপি তার পাশে সব সময় থাকবেন এবং তাকে একটি বাড়ী নির্মান করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. নুর ইসলাম নুর, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মহেশ চন্দ্র রায়, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান গোপাল দেব শর্মা, জেলা পরিষদের সদস্য মো. আতাউর রহমান বাবু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়শা আক্তার বৃষ্টি, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম ফিরোজ আলম, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের জেলা শাখার আহবায়ক মো. কামাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. ইয়াসিন আলী, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রতন ঘোষ পিযুস, সুজালপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সতিশ চন্দ্র রায়, ইউপি সদস্য মো. দুলাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নতুন ভবন হস্তান্তর

ষ্টাফ রিপোর্টার-আজ সোমবার বহুল প্রতিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি আনুষ্ঠানিক ভাবে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের নিকট হস্তান্তর করেন,দিনাজপুর ৬ আসনের এম.পি শিবলী সাদিক।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের প্রশাসক তৌহিদুর রহমানের নিকট নবনির্মিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নতুন ভবন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু, পৌর মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী সরকার টুটুল, উপজেলা ভাইস চেয়াম্যান মোঃ মেজবাউল ইসলাম।

উপজেলা আ.লীগের সহ- সভাপতি নাড়ু গোপাল কুন্ডু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মাষ্টার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লুৎফর রহমান শাহ্‌, ডেপুটি কমান্ডার হবিবর রহমান, উপজেলার বীরমুক্তিযোদ্ধাগণ, উপজেলা আ.লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ ।

বিরামপুর সরকারি কলেজে ২৫ মার্চ গণহত্যা ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক আলোচনা সভা

 আব্দুর রাজ্জাক,ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি- স্বাধীনতা যুদ্ধের ভয়াল কালরাত্রির ২৫ মার্চ গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্মরণে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজের উদ্যোগে আলোচনাসভা-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে ৩ মার্চ রোববার সকাল ১০ টায় কলেজের বঙ্গবন্ধু সভাকক্ষে অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান।
উপাধ্যক্ষ অদ্বৈত্য কুমারের সঞ্চালনায় এতে প্রধান আলোচক প্রবীণ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব আব্দুল আজিজ সরকার, এ্যাডভোকেট ও প্রবীণ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মওলা বক্স, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ-বিরামপুর উপজেলা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার হাবিবুর রহমান সহ কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল ফজল, প্রভাষিকা জান্নাতুন ফেরদৌস, বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আকরাম হোসেন বক্তব্য রাখেন।
এসময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রবীণ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব আব্দুল আজিজ সরকার স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্যে বলেন, ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে যে গণহত্যা করা হয়েছিল তা চিরস্মরণীয় করার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আমরা দাবী জানাই, এটা আন্তর্জাতিকভাবে অচিরেই স্বীকৃতি দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধে এই এলাকায় হাজার হাজার নিরীহ মানুষ মাটির নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন, এটা শহীদের এলাকা বলা যেতে পারে।
৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে কষ্টার্জিত এই দেশে যেভাবে উন্নয়ন হতে চলেছে, অচিরেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে পারবো।

পাঁচবিবির মুক্তিযোদ্ধা পেল শীতবস্ত্র

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি- ৭ জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দেড় শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস রুমে এই শীতবস্ত্র গুলো বিতরণ করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে শীতবস্ত্র তুলেদেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিবুল আলম, ভাইস-চেয়ারম্যান জিয়াউল ফেরদ্দৌস রাইট, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নূর-এ-শেফা, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মিছির উদ্দিন মন্ডল প্রমুখ।

ফুলবাড়ীতে স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও মুক্তিযুদ্ধের কোন স্মৃতি নেই

মোঃ আফজাল হোসেন-দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের কোন স্মৃতি নেই।
স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হয়ে গেলেও ফুলবাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধা আছে, স্মৃতিসৌধ নেই। শুধু আছে মুক্তিযোদ্ধা। যারা ৪৭ বছর পর সুবিধা পাচ্ছেন।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে এই এলাকার দামাল ছেলেরা ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে যুদ্ধ চলাকালে মৃত্যু বরণ করেছেন তাদের কোন স্মৃতি ফুলবাড়ীতে নেই। শুধু ৪ঠা ডিসেম্বর ফুলবাড়ী মুক্ত দিবস পালন করা হয়।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ফুলবাড়ীর চকচকা নামক স্থানে রাস্তায় পাকিস্থানী সেনাদের পুতে রাখা মাইন বিস্ফোরনে S.S.23737 2/LT RCDHOIL DIED 10 DEC, 71 100 MTN REGT কোম্পানীর সাজোয়া জান ১টি গাড়ি বিস্ফোরনে ধ্বংস হয়ে যায়। এসময় একজন ভারতীয় সেনাবাহিনীর অফিসার সহ ৩জন নিহত হয়।

এছাড়া ফুলবাড়ী উপজেলার আটপুকুর হাট যাওয়ার পথে জাঙ্গালের ব্রিজ মুক্তিযোদ্ধারা উড়িয়ে দিতে গিয়ে ব্রিজের নিচে চাপা পড়ে বেশ কয়েক জন নিহত হয়। কিন্তু যেসব মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছে তাদের স্মরনীয় করে ধরে রাখতে ফুলবাড়ীতে কোন স্মৃতিসৌধ নাই।

মুক্তিযুদ্ধে ফুলবাড়ীতে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারগুলি সরকারী কোন ভাতা পাচ্ছেননা। এইতো স্বাধীন দেশ। কেউ এদের খবর রাখেন না।

হাকিমপুরে মহান বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা

হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-সম্মুখ সমরে ৩১ বার তোপধ্বনীর পর শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদনের মাধ্যমে দিনাজপুরের হাকিমপুরে মহান বিজয় দিবসের কর্মসুচি শুরু হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল পৌনে ৭টায় মুহাড়াপাড়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন সম্মুখ সমরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ, পৌরসভা সহ বিভিন্ন সংগঠন।

এ সময় নির্বাহী অফিসার আব্দুর রাফিউল আলম, সহকারী পুলিশ সুপার আখিউল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘোড়াঘাটের শহিদ মেজর বদর উদ্দিনের আত্ব কাহিনি

মোঃ সামসুল ইসলাম সামু-১৩ ডিসেম্বর ঘোড়াঘাট শক্র মুক্ত দিবস। এই দিনে ঘোড়াঘাট শক্র মুক্ত হয়।

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ডাকে বাংলার স্বাধীনতাকামী দামাল ছেলেরা, বৃদ্ধ, বনিতা, নারী,পুরুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করার ধারাবাহিকতায় ঘোড়াঘাটে ততকালীন মুজাহিদ বেটালিয়ন কমান্ডার মুজাহিদ মেজর বদর উদ্দিন তেনার রক্তে সঞ্চালীত হয় স্বাধীনতা যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে হবে।

আর এই প্রতিজ্ঞা নিয়েই তিনি ঘোড়াঘাটের মুজাহিদ বাহিনীর সদস্য হযরত আলী, আনছার,মজিবর রহমান, আঃ লতিফ খাঁন,মীর হান্নান, আনোয়ার হোসেন, শাহাজাহান, নজরুল ইসলাম, আঃ হান্নান, দুদু মিয়া, মফিজ উদ্দিন, ইসমাইল, আমিরুল ইসলামসহ আরো সহযোদ্ধাদেরকে নিয়ে সেই সময়ে পলাশবাড়ী থানাধীন হোসেনপুর আমবাগানে অবস্থানরত তিন ও চার বেঙ্গল রেজিমেন্টের সাথে যোগদান করেন।

ঐ বেঙ্গল রেজিমেন্টের দায়িত্বে ছিলেন ততকালীন ল্যাপ্টেনেন্ট রফিক এবং সুবাদার আলতাফ হোসেন ও হাওয়ালদার মেজর মুনসুর আলী। এরই সুত্র ধরে পাকি¯থানী খান সেনার এক দল সেনা বাহিনী রংপুর হতে সাজোয়া গাড়ী নিয়ে এসে বেঙ্গল রেজিমেন্টের সহিত সন্ধি করার কথা বলে ওয়ারলেছ বার্তায় জানান যে, তারা ভাই ভাই হানাহানি না করে শাšিতর জন্য আলাপ করার কথা বলে পলাশবাড়ীতে যাইতে বলে।

বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক খাঁন সেনার কথায় বিশ্বাস করে সেখানে গেলে বাঙ্গালী সৈনিকেরা আক্রোমনের ¯ী^কার হয়। সেখানে উভয় পরে মধ্যে গুলি বিনিময় হলে হাওয়ালদার খমির উদ্দিন ও নায়েক আঃ মালেক নামের দুইজন বাঙ্গালী মুক্তিসেনা শহীদ হন। সম্ভাবত তাদের বাড়ী নওগা জেলায় ছিল।

ঐ সময় খান সেনারা লেঃ রফিককে কৌশলে ধরে নিয়ে যায়। তখন থেকেই আলতাফ সুবাদার ও মুজাহিদ মেজর বদর উদ্দিনের রক্তে স্বাধীনতা যুদ্ধের সঞ্চলন বৃদ্ধি পেয়ে বাংলাদেশ শক্র মুক্ত করে স্বাধীন করতে হবে এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধে ঝাপিয়ে পরে।

যুদ্ধের কৌশল মতে বেঙ্গল রেজিমেন্টসহ মুজাহিদ মেজর বদর উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধা বাহিনীদেরকে নিয়ে পলাশবাড়ীর বি টি সি-র উত্তর পুর্ব পার্শ্বে রংপুর মহা সড়কে বেরিকেট সৃষ্টি করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে অবস্থান করতে থাকে। সেখানে কিছুদিন অবস্থান করার পর প্লান মোতাবেক রংপুর ক্যান্টনমেন্ট আক্রোমন করার সিন্ধাšত নেওয়া হয়। আর সেই সিন্ধাšত মতে বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও মুজাহিদ বাহীনির মুক্তিযোদ্ধারা একটি করে খন্ড গ্রপে ভাগ হয়ে মাদারগঞ্জ চৌধুরীনি হয়ে রংপুরের দিকে রওনা দেয় এবং একটি গ্রপ পলাশবাড়ীতে এ্যম্বুষ নিয়ে থাকে। এই অবস্থায় খন্ড খন্ড ভাবে সম্মুখ যুদ্ধ শুরু হলে মাদারগঞ্জ নামক স্থানে চোপাগাড়ী গ্রামের আমিরুল ইসলাম ও জোলাপাড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন নামের দুই মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। সেখানে তুমুল যোদ্ধের সম্মুখিন হলে গোলাবারুদের সল্পতার কারনে মুক্তিযোদ্ধারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যার।যার যার নিরাপদ স্থানে চলে যায়।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধারা পার্শ্ববর্ত্তি বন্ধু দেশ ভারতে গিয়ে গেরিলা প্রশিন নিয়ে মুজাহিদ মেজর বদর উদ্দিন বাংলার মাটিতে অবস্থান নিয়েই মুক্তিযুদ্ধ করার প্রতিজ্ঞায় যুদ্ধের প্রস্তুতিতে আত্ব-গোপনে থাকা কালে খান সেনার হাতে আটক হয়। সেই সময়ে আর সি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে খান সেনাদের ক্যান্টনমেন্টে তাকে একটি ঘরে আটক রেখে হাত বেধে লটকিয়ে ব্লেড দ্বারা শরীর কেটে ত বিত করেন।সেই ত স্থানে লবন ছিটিয়ে দিতো।

মেজর বদর উদ্দিন যন্ত্রনায় অস্থির হলেও খাঁন সেনাদের জিজ্ঞাসায় শুধু বলেছে ইনশাআললাহ আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি। কিন্তু তার সাথে কে-কে ছিল তাদের নাম জানার জন্য ব্যানেট চার্জের মাধ্যমে ত-বিত করে অমানুষিক ভাবে চরম শা¯িত দিলেও মেজর বদর উদ্দিন তার সহযোদ্ধাদের নাম প্রকাশ করে নাই। অবশেষে খাঁন সেনাদের অমানুষিক নির্যাতনের ¯ী^কার হয়ে তার শরীর হতে মাংস পচে খষে ২১ দিন পর চির নিদ্রায় ঘুমিয়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়ে শহীদ হন মেজর বদর উদ্দিন।

মেজর বদর উদ্দিনসহ সারা বাংলাদেশে আরো অগনিত যোদ্ধা শহীদ হলেও তারা না থাকলেও তাদের নাম লেখা থাকবে স্বর্নাঅরে শহীদের খাতায়, আর তারই সাথে চির অমর হয়ে থাকবে এই স্বাধীন বাংলাদেশের নাম। আমরা ঘোড়াঘাটের মানুষ এ বছরের ন্যায় প্রতি বছর যেন এই দিনে শক্র মুক্ত দিবসটি পালন করতে পারি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।বর্তমানে শহীদ বদর উদ্দিনের কবরের পাশে তার নামে একটি সৃতি ফলক তৈরী করা হয়েছে। তার কবরটি দেয়া হয়েছে ঘোড়াঘাট পৌর সদর এলাকার ডাকবাংলার পাশে।

বর্তমানে তার দুটি ছেলে ও দুটি মেয় একটির নাম আমিরুল ইসলাম এবং অপর ছেলের নাম এস এম রবিউল ইসলাম। মেয়ে দুটি সাহাজাদী ও আলেয়া খাতুন,তার স্ত্রী মোছাঃ আনোয়ারা খাতুন।

ঘোড়াঘাট শত্রু মুক্ত দিবস ১৩ ডিসেম্বর

ঘোড়াঘাট থেকে একরামুল হক-  ১৩ই ডিসেম্বর ঘোড়াঘাট মুক্ত দিবস। এই দিনে ঘোড়াঘাট শত্রু মুক্ত হয়।

জাতির জনক বঙ্গবণ্দু শেখ মজিবরের ডাকে বাংলার স্বাধীনতাকামী দামাল ছেলেরা, বৃদ্ধ, বনিতা, নারী, পুরুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করার ধারাবাহিকতায় ঘোড়াঘাটে তৎকালীন মুজাহিদ ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার মুজাহিদ মেজর বদর উদ্দিন সঞ্চালিত হয় স্বাধীনতা যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে হবে।

আর এই প্রতিজ্ঞা নিয়েই তিনি ঘোড়াঘাটের মুজাহিদ বাহিনীর সদস্য হযরত আরী, আনছার, মজিবর রহমান, আঃ লতিফ খাঁন, মীর হান্নান, আনোয়ার হোসেন, শাহাজাহান, নজরুল ইসলাম, আঃ হান্নান, দুদু মিয়া, মফিজ উদ্দিন, ইসমাইল, আমিরুল ইসলামসহ আরো সহযোদ্ধাদেরকে নিয়ে সেই সময়ে পলাশবাড়ী থানাধীন হোসেনপুর আমবাগানে অবস্থানরত তিন ও চার বেঙ্গল রেজিমেন্টের সাথে যোগদান করেন।

ঐ বেঙ্গল রেজিমেন্টের দায়িত্বে ছিলেন, তৎকালীন ল্যাপ্টেনেন্ট রফিক এবং সুবাদার আলতাফ হোসেন ও হাওয়ালদার মেজর মুনসুর আলী। এরই সুত্র ধরে পাকিস্তানী খান সেনারা একদল সেনাবাহিনী রংপুর হতে সাজোয়া গাড়ী নিয়ে এসে বেঙ্গল রেজিমেন্টের সহিত সন্ধি করার কথা বলে ওয়ারলেছ বার্তায় জানান যে, তারা ভাই ভাই হানাহানি না করে শান্তির জন্য আলাপ করার কথা বলে পলাশবাড়ীতে যাইতে বলে।

বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক খাঁন সেনার কথায় বিশ্বাস করে গত ২৭/০৩/১৯৭১ বেলা অনুমান ২.০০ টার দিকে সেখানে গেলে বাঙ্গালী সৈনিকেরা আক্রমণের স্বীকার হয়। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হলে হাওয়ালদার খমির উদ্দিন ও নায়েক আঃ মালেক সহ মুজাহিদ ইসমাইল নামের তিনজন বাঙ্গালী সুবাদার ও মুজাহিদ মেজর বদর উদ্দিনের রক্তে স্বাধীনতা যুদ্ধের সঞ্চালন বৃদ্ধি পেয়ে বাংলাদেশ শত্র“ মুক্ত করে স্বাধীন করতে হবে এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে।

যুদ্ধের কৌশল মতে বেঙ্গল রেজিমেন্ট সহ মুজাহিদ মেজর বদর উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধা বাহিনীদেরকে নিয়ে পলাশবাড়ীর বিটিসি-র উত্তর পূর্ব পার্শ্বে রংপুর মহা সড়কে বেরিকেট সৃষ্টি করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে অবস্থান করতে থাকে।

সেখানে কিছুদিন অবস্থান করার পর পরিকল্পনা মোতাবেক রংপুর ক্যান্টনমেন্ট আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  আর এ সিদ্ধান্ত মতে বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও মুজাহিদ বাহিনী সহ মুক্তিযোদ্ধারা একটি করে খন্ড গ্র“পে ভাগ হয়ে মাদারগঞ্জ চৌধুরানী হয়ে রংপুরের দিকে রওয়ানা দেয় এবং একটি গ্র“প পলাশবাড়ীতে এ্যাম্বুষ নিয়ে থাকে।

এ অবস্থায় খন্ড খন্ড ভাবে সম্মুখ যুদ্ধ শুরু হলে সেখানে তুমুল যুদ্ধের সম্মুখীন হয়ে গোলাবারুদের স্বল্পতার কারনে মুজাহিদরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং তারা নিরাপদ স্থানে চলে যায়।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধারা পার্শ্ববর্তী বন্ধু দেশ ভারতে গিয়ে গেরিলা প্রশিক্ষণ নিলেও মুজাহিদ মেজর বদর উদ্দিন বাংলার মাটিতে অবস্থান নিয়েই মুক্তিযুদ্ধ করার প্রতিজ্ঞায় যুদ্ধের প্রস্তুতিতে আত্মগোপনে থাকা কালে খাঁন সেনার হাতে আটক হয়।

সেই সময়ে আর সি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে খাঁন সেনাদের ক্যান্টনমেন্টে তাকে একটি ঘরে আটক রেখে হাত বেঁধে লটকিয়ে ব্লেড দ্বারা শরীর কেটে কাটা স্থানে লবন ছিটিয়ে দিতো।

মেজর বদর উদ্দিন যন্ত্রনায় অস্থির হলেও খাঁন সেনাদের জিজ্ঞাসায় শুধু বলেছে ইনশাআল্লাহ আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি। কিন্তু তার সাথে কে,কে ছিল তাদের নাম জানার জন্য ব্যানেট চার্জের মাধ্যমে ক্ষতবিক্ষত করে অমানুষিক ভাবে চরম শাস্তি দিলেও মেজর বদর উদ্দিন তার শরীর হতে মাংস পচে খষে ২১ দিন পর চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়ে শহীদ হন মেজর বদর উদ্দিন।

মেজর বদর উদ্দিনসহ সারা বাংলাদেশে আরো অগনিত যোদ্ধা শহীদ হলেও তারা না থাকলেও তাদের নাম লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে শহীদের খাতায়, আর তারই সাথে চির অমর হয়ে থাকবে এই স্বাধীন বাংলাদেশের নাম। আমরা ঘোড়াঘাটের মানুষ এ বছরের ন্যায় প্রতি বছর যেন এই দিনে শত্রু মুক্ত দিবসটি পালন করতে পারি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।

হিলি মুক্ত দিবস আজ ১১ ডিসেম্বর

মাসুদুল হক রুবেল- আজ হিলি সীমান্ত মুক্ত দিবস। ১৯৭১ আগুন ঝরা এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীদের হটিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে দেয় মুক্তিকামী স্বাধীনতা প্রেমিরা।

পাক হানাদারেরা আক্রমন চালিয়েছিলো নিরীহ হিলি সীমান্তবাসীর ওপর। প্রায় এক কিলোমিটার সুড়োংগো পথ করে যুদ্ধ করেছিলো হানাদারেরা।

৭ নম্বর সেক্টরের অধিনে হিলি সীমান্তের বিজিবি’র বাসুদেবপুর ক্যাম্প ও সংলগ্ন মুহাড়াপাড়া গ্রামে মিত্রবাহিনীর সাথে হানাদার বাহীনির সাথে বাঁধে সম্মুখ যুদ্ধ। টানা ৩ দিন তোড়ের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয় হানাদারেরা।

আর সেই সন্মুখ যুদ্ধে এখানে শহীদ হয়েছিলেন ক্যাপ্টেন আনোয়ারসহ ৩৪৫ জন মুক্তি সেনা। আহত হয়েছিলেন আরো ১৪শ জন। আর তাদের স্মৃতি ধরে রাখতে এখানে নির্মান করা হয়েছে “সন্মুখ সমর”।

দিবসটি পালনে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সিপি রোডস্থ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে বন্দরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‌্যালিটি শহীদ স্মৃতিসৌধ ‘সম্মুখ সমরে’ গিয়ে শেষ হয়।

‘সম্মুখ সমরে’ পুষ্পস্তবক অর্পণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে হিলি হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে।

পরে সম্মুখ সমর চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদদের আত্মার প্রতি শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।