রবিবার-১৭ নভেম্বর ২০১৯- সময়: ভোর ৫:২০
৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১কেজি পেয়াজ বিরামপুরের বাজারে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানব সেবা করতে চাই-পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হুমায়ুন কবীর বিরামপুরে নেশার ইনজেকশন ও ফেন্সিডিলসহ আটক-৩ হিলি চেকপোস্টে বিজিবি’র গোয়েন্দা সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হয়রাণীর অভিযোগ বিরামপুরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত বিরামপুরে প্রকল্প সমাপনী কর্মশালা গরীব ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে আমি শান্তি পাই জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে আজও চালু হয়নি, নবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন “প্রেসিডেন্ট পদক” অর্জন বিরামপুরের কৃতি সন্তান ফায়ার সার্ভিসের গোলাম রওশন ঘোড়াঘাটে বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা বাগান করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে

শিক্ষাঙ্গন newsdiarybd.com:

সম্মানি না পেয়ে চিকিৎসা দিতে এলেন হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট!

মো.মাহাবুর রহমান-দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর শহরের চাঁদপুর মাদ্রাসায় চলমান জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা কেন্দ্রে ফাহিমা খাতুন নামের এক ছাত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। পরে, ওই কেন্দ্রের নিয়োগকৃত (অন-কল) ডাক্তার না গিয়ে ছাত্রীর চিকিৎসার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলেন হাসপাতালের হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট আতাউর রহমান। ডাক্তার না এসে হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট আসায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

চাঁদপুর মাদ্রাসাকেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ আ.ছ.ম. হুমায়ুন কবীর জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) বাংলাদেশ ও বিশ^ পরিচয় বিষয়ে পরীক্ষা চলছিল।

তিনি জানান, বেলা ১১টার দিকে কানিকাটাল দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী ফাহিমা খাতুন মাথা ঘুরে পড়ে যায়। এসময় পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়োগকৃত (অন-কল) হাসপাতালের ডাক্তার মশিউর রহমানকে ফোনে ডাকা হয়।

তখন ডাঃ মশিউর রহমান পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, আপনি অনারিয়াম দেননা, তাই আপনার কেন্দ্রে যাওয়া যাবেনা; অসুস্থ্য ছাত্রীকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

পরীক্ষা চলাকালিন ছাত্রীকে হাসপাতালে নেওয়ার খবর শুনে কেন্দ্র সচিব ও উপস্থিত শিক্ষকগণ দিশেহারা হয়ে পড়েন। তারা তড়িঘড়ি করে মাদ্রাসার পাশের এক স্থানীয় চিকিৎসককে ডেকে এনে ছাত্রীর চিকিৎসা করালে কিছুক্ষণ পর ছাত্রী সুস্থ্য হয়ে পুনরায় পরীক্ষা দিতে বসে।

তিনি আরো জানান, অসুস্থ্য ছাত্রীটি সুস্থ্য হবার অনেক পরে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত হাসপাতালের সেই চিকিৎসক ডাঃ মশিউর রহমান কেন্দ্রে না গিয়ে হাসপাতালের হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট আতাউর রহমানকে ঐ ছাত্রীটির চিকিৎসা দিতে পাঠান।

জানতে চাইলে ডাঃ মশিউর রহমান বলেন, বিগত পরীক্ষাগুলোতে দায়িত্বে থাকার পরও কেন্দ্র সচিব আমাকে কোন সম্মানি দেন নাই। একারণে পরীক্ষা কেন্দ্রে না গিয়ে হাসপাতালের হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট আতাউর রহমানকে চিকিৎসা দিতে পাঠানো হয়েছে।

ওই পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নূর হোসেন মিয়া জানান,ডাক্তারের এই আচরণে আসি হকবম্ব হয়েছি। আমার মতে ডাক্তার কাজটি ঠিক করেন নাই।

বিরামপুর হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, সম্মানি না পাওয়ার কারণে অসুস্থ্য ছাত্রীকে চিকিৎসা দিতে না যাওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক।আমি এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীকে চিকিৎসা দিতে না যাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নবাবগঞ্জ আইসিটি ভবন নির্মাণ হলেও, এমপিও তালিকায় নাম না আসায় হতাশ এলাকাবাসি

এমএ সাজেদুল ইসরাম সাগর-দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামে রঘুনাথপুর মহাবিদ্যালয় সরকারের ৩ কোটি টাকা বরাদ্দে ৪তলা আইসিটি ভবন নির্মাণ করা হলেও শর্ত সাপেক্ষে এমপিও ভুক্তির সম্ভাবনা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি ২০১০ এবং ২০১৯ সালে এমপিও ভুক্তি তালিকা থেকে বঞ্চিত থাকায় এলাকাবাসীর মাঝে হতাশা সহ দেখা দিয়েছে ক্ষোভের। ওই কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, ১৯৯৯ সালে রঘুনাথপুর মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০০১ সালে পাঠদানের অনুমতি সহ ২০০৪ সালে স্বীকৃতি লাভ করে । প্রতিষ্ঠানটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় ৪১জন জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির শিক্ষার্থী সহ ২০৯জন শিক্ষার্থীর বর্তমানে অধ্যায়ন চলমান রয়েছে।

এছাড়াও ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ফলাফলের গড় আনুপাতিক হার প্রতি বছর পরীক্ষার্থী ৬৪ জন,প্রতি বছর পাশ ৪০জন এবং পাশের হার ৬৪%।

তাছাড়াও নবাবগঞ্জ উপজেলার নন এমপিও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সব দিক থেকে সেরা প্রতিষ্ঠান হয়েও এমপিও ভুক্তির তালিকায় স্থান পায়নি ।

প্রতিষ্ঠার ২০বছর অতি বাহিত হলেও ঐ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ,শিক্ষিকা ,কর্মচারী মানবেতর জীবন যাপন করছে। কবে কোন সালে এমপিওভুক্তি হবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দুর্বীসহ হতাশাগ্রস্থ অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তারা।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ডা: মো: মোশারফ হোসেন জানান রঘুনাথপুর মহাবিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্তির সকল শর্ত পুরন করলেও কি এক অজ্ঞাত রহস্য জনক কারণে এমপিওভুক্তি হল না অতীব দুঃখ জনক। তিনি দাবী করেছেন প্রয়োজনে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ ভাবে একটি তদন্ত টিম সরেজমিনে পর্যাবেক্ষন করলে মহাবিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্তি হতে পারে। অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান জানান অনেকে বয়সের কারণে অসুস্থতা সহ দৈন দশা দেখা দিয়েছে।

অপরদিকে ২০১৬ সালে চিকিৎসা সেবার অর্থ অভাবে পাকস্থলি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে সমাজ কর্ম বিষয়ক প্রভাষক মোঃ হাবিবুর রহমান মৃত্যু বরণ করেছেন।

বর্তমানে তার পরিবারটি অভিভাবকহীন অবস্থায় অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করছেন। বিধায় প্রতিষ্ঠাটির সাবিক বিষয় বিবেচনা করে পরবর্তীতে সরকারের গৃহীত এমপিওভুক্তি করনের তালিকায় নাম অর্ন্তভুক্ত করনের দাবী জানিয়েছেন এলাকার সর্ব শ্রেনীর জনসাধারন।

শিবলী সাদিক এমপি আইসিটি স্কুলে বাস উপহার দিলেন

আজ বিরামপুর পৌর শহরে আইসিটি স্কুল বাস এর চাবি হস্তান্তর করেন,আইসিটি স্কুল এর প্রতিষ্ঠা শিবলী সাদিক এমপি। অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ ইউনুছ আলীর হাতে চাবি হস্তান্তর করেন।

এ সময় প্রধান শিক্ষক, শিক্ষকসহ ও বিরামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কৃতি শিক্ষার্থীকে আজ আমরা সম্মানিত করছি,তোমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে-শিবলী সাদিক

এম এ রাজ্জাক-দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম (দিদউফ) কর্তৃক আয়োজিত ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ, বিরামপুর ও হাকিমপুর উপজেলার এসএসসি-২০১৯ ব্যাচে জিপিএ-৫ গোল্ডেন প্রাপ্ত মেধাবী ৮৭ জন ছাত্র-ছাত্রীদের ১৪ আগষ্ট বুধবার সকাল ১০ টায় রাণীগঞ্জ আদর্শ বিদ্যানিকেতনের হলরুমে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। (তন্মধ্যে বিরামপুর আদর্শ হাইস্কুল হতে ৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে)।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি ডাঃ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাফে খন্দকার শাহেন শাহ, বিরামপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী, রাণীগঞ্জ আদর্শ বিদ্যানিকেতনের পরিচালক রুহুল আমিন, দিদউফের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এএইচএম রোকমুনুর জামান রনি প্রমুখ।

এমপি শিবলী সাদিক শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যে বলেন, আজকে আমরা যাদের সম্মানিত করছি, এই ছাত্র-ছাত্রীরা তোমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে। নিজের মধ্যে শুধু চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, এটাই হয়তবা সেই আসন যেটা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেই মনিটরিং করেন যে, এই আসনে ৪ টি কলেজ ও ২ হাইস্কুল সরকারিকরণ করা হয়েছে। এই আসনে ১৫২ স্কুলে ভবন নিয়ে আসা, তার মধ্যে অনেকগুলি কার্যক্রম চলমান আছে। আরও ১২ টি স্কুলে ভবনের জন্য তদবির করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে দিদউফের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মাসুদ আলি খান এর প্রবাস থেকে পাঠানো শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি অনুপ্রেরণামূলক বার্তা পাঠ করে শোনানো হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য সভাপতি ডাঃ নজরুল ইসলাম তাঁর সমাপনী বক্তব্যে মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৎ থাকার আহবান জানান।

দিদউফের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই সংগঠনটি ১৯৯৫ সালের ২৯ মে দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম নামে জন্মলাভ করে যা রেজিষ্ট্রার্ডভূক্ত। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এই কার্যক্রম এবারো চলছে।

অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন তাঁর বক্তব্যে এমপি মহোদয়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আমি একজন শিক্ষক হিসেবে কষ্ট নিয়েই বলছি অন্যান্য আসনের তুলনায় দিনাজপুর-৬ আসনে আমরা জিপিএ-৫ মানসম্মত পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারিনা। আমরা এই ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে চাই। তাই আমাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনুন।

এসময় দিদউফের আজীবন সদস্য ওবায়দুল হক, ইখতিয়ার উদ্দিন, পাউশগাড়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ, ৪ উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ, অভিভাবকগণ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্য শেষে অতিথিবৃন্দ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দিদউফের আজীবন সদস্য মাহমুদুল হক মানিক।

জানা যায়, ‘দিদউফ’ দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চলকে এগিয়ে নিতে ৪ উপজেলা হতে উচ্চপর্যায়ে গণ্যমান্য যোগ্য ৪৬ জনের সমন্বয়ে কমিটির এ সংগঠনটি স্ব-অর্থায়নে গঠিত তহবিল হতে নিঃস্বার্থভাবে প্রতিবছর ৪ উপজেলায় শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গরীব অসহায় রোগীদের চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের অপারেশন ব্যবস্থা করানোসহ অরাজনৈতিক এ সংগঠনটির রয়েছে চলমান নানামুখী সমাজসেবামূলক কার্যক্রম।

বিরামপুরে শিক্ষকের অবহেলায় ছাত্রের মৃত্যু, স্কুল ভাংচুর, মটরসাইকেলে আগুন

মোঃ মাজহারুল ইসলাম তানিম-শিক্ষকের অবহেলায় ১০ম শ্রেণীর ছাত্র আজিম মন্ডলের মৃত্যুতে স্কুল ভাংচুর ৬ টি মটরসাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে উত্তেজিত শিক্ষারর্থীরা খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। নিহত আজিম মন্ডল (১৬) উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের শৈলান গ্রামের আরশাদুল ইসলামের ছেলে।

সরেজমিনে ৭ আগোষ্ট বুধবার দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার কাটলা উচ্চ বিদ্যালযের গিয়ে উপস্থিত আলমগীর, রফিকুল ও আশিকসহ বেশ কিছু ছাত্রের সাথে কথা বললে তারা জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে ক্লাস করার সময় হঠাৎ আজিম অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে শিক্ষক কোন ভুমিকা রাখে না আমরা সারকে বললে তারা উল্টো আমাদেরকে ডাক্তার দেখাতে বলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে মটরসাইকেল চাইলে না দিয়ে রাগ দেখায়। তারা আরো জানান, পরে অটো ভ্যানে করে বিরামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় মারা যায় আজিম।

উপস্থিত শিক্ষারর্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাশ নিয়ে স্কুলের দর্জা, জানালা, ফ্যান ভাংচুর করে ৬টি মটরসাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে খবর পেয়ে বিরামপুর থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিভায়।

নিহত আজিমের পরিবার জানান, আজিম আগে থেকেই অসুস্থ ছিল তার এমন অবস্থা হলে আমরা ডাক্তার দেখায় ঔষধ খেলে ভালো হয় কিন্তু আজ শিক্ষকের অবহেলায় এই ঘটনা ঘটেছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, আজিম আগে থেকে একটু অসুস্থ ছিল সেই রোগ আজ বেশি হয়ে তার বন্ধুরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে সে মারা যায়।

স্কুলের সভাপতি আলম হোসেন জানান, আশিক আগে থেকে অসুস্থ ছিল তার পরিবার চিকিৎসার জন্য ভারতের মাদরাজও নিয়ে গিয়েছিল আজ সে মারা গেলে এলাকার কিছু অসত ব্যক্তির উসকানিতে শিক্ষারর্থীরা বিদ্যালয়টি ভাংচুর এবং শিক্ষকের ৬টি মটরসাইকেলে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

কাটলা ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন জানান, আমি শুনলাম শিক্ষকের অবহেলার কারনে এই ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষক কেন অবহেলা করল আর শিক্ষারর্থীরা কেন ভাংচুরসহ মটরসাইকেলে আগুন দিল বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনিয় ব্যবস্তা গ্রহন করা হবে।

বিরামপুর থানার ওসি (তদন্ত) সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি বর্তমানে পরিবেশ সাভাবিক রয়েছে এবং স্কুল বন্ধ আছে।

নবাবগঞ্জ বিনোদনগর বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ন ভবনে কাস করছেন শিক্ষার্থীরা

মোঃ সাজেদুল ইসলাম সাগর,সংবাদদাতা- কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা আর অবহেলার কারনে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বিনোদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝুকিপুর্ণ ভবনে কাস করছেন শিক্ষার্থীরা।
বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও ভবন নির্মান হয়নি। ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি মোছাঃ নাসরিন বেগম জানান, ১৯৩২ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। আর ১৯৬২ সালে ১৫/১৭ ফিট ভবন নির্মান করা হয়।

দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ায় ভবনের ছাদ চুয়ে পানি কাসরুমে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীরা বই খাতা নিয়ে সমস্যায় পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মজনুর রহমান জানান, ঝুকিপুর্ন সহ রুমের স্পেস কম হওয়ায় ওই ভবনেই গাদাগাদি করে পাঠদান করাতে হয়। পাশে একটি ভবন থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়। সহকারি শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, আকাশে বৃষ্টি আসলেই শিক্ষার্থীরা স্কুলে থাকতে চায় না।


সহকারি শিক্ষক মোছাঃ সামসুন নাহার ইতি জানান, অচিরেই নতুন ভবন নির্মান করা জরুরি। ৫ম শ্রেনির শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদুর রহমান সিয়াম জানান, নতুন ভবন না হলে কাস করা তাদের সমস্যা হয়। চতুর্থ শ্রেনির আয়শা আকতার মুক্তারি জানান, বিদ্যালয় নতুন ভবন করার দাবি সকল শিক্ষার্থীদের ।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম জানান, দুটি ভবনের মধ্যে একটি ভবন অধিক ঝুকিপুর্ণ। তিনি জানান, ঝুকিপুর্ণ ভবনগুলোর তথ্য কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে নতুন ভবন নির্মানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

পাঁচবিবি থানা পুলিশের ছেলেধরা আতঙ্ক রোধে লিফলেট বিতরণ

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি- ২৪ জুলাই বর্তমানে সারাদেশে ছেলেধরা আতঙ্ক চলছে আর এ আতঙ্কে অনেক অভিভাবক তাদের ছেলেমেয়েকে স্কুলে পাঠাতে ভয় করছে। এ কারনে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতিও কম ফলে পিছিয়ে পরছে পাঠদান ব্যবস্থা।

সরকারের পক্ষ থেকে এসব গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সবাইকে সজাগ থাকার আহবান জানানো হচ্ছে বিভিন্ন মাধ্যমে। কারন ছেলেধরার মিথ্যা গুজব তুলে নিরীহ মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে।

ছেলেধরা আতঙ্কের গুজব থেকে সবাইকে সচেতন করতে পাঁচবিবি থানার পরির্দশক মনসুর রহমান উপজেলায় মাইকিংয়ের পাশাপাশি লিফলেট বিতরণ করছেন। তিঁনি থানার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে যেখানে অনেক লোকের সমাগম সেখানে গাড়ি থেকে নেমে সবাইকে ডেকে ছেলেধরা আতঙ্কের বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন ও লিফলেট বিতরণ করেন।

বুধবার সকালে উপজেলার শালাইপুর স্কুল এন্ড কলেজে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক মন্ডলী জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে যখন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করছিল এমন সময় থানার পরিদর্শক সেখানে গিয়ে হাজির।

জাতীয় সঙ্গীত শেষে পরিদর্শক মনসুর রহমান উপস্থিত ছাত্র-শিক্ষককে ছেলেধরা আতঙ্কের গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেন ও উপস্থিত সবাইকে এ বিষয়ে সজাগ থাকার আহবান জানান, ছাত্র-শিক্ষকদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। তিঁনি আরো বলেন, এরকম ছেলেধরা কাউকে সন্দেহ হলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে থানা পুলিশের সহায়তা নিন। এসময় শালাইপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর মন্ডল ছেলেধরার সুফল-কুফল বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

পাঁচবিবি থানার পরিদর্শক বজলার রহমান বলেন, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে আমি মিথ্যা ছেলেধরা আতঙ্ক থেকে সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকার জন্য মাইকিংয়ের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষে লিফলেট প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি। এবং এলাকার সচেতন ব্যক্তি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য পুলিশ এমনকি থানার সকল পুলিশ সদস্যদের মুঠোফোনে ও স্বাক্ষাতে বলেছি নিজ অবস্থান থেকে এবিষয়ে সবাইকে অবগত করতে।

বিরামপুরের শিক্ষক বেনজির ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাণে দেশসেরা নির্বাচিত

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক,বিশেষ প্রতিনিধি-দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কেটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক এ,এফ,এম বেনজির হক “শিক্ষক বাতায়নে” এ সপ্তাহের সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতর কর্তৃক a2i প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত শিক্ষা বিভাগের জনপ্রিয় পোর্টাল ও ডিজিটাল শিক্ষাদান পদ্ধতি উন্নয়নের ভান্ডার ”শিক্ষক বাতায়ন” যেখানে দুই লক্ষ ষাট হাজারেরও বেশী শিক্ষক প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত মাল্টিমিডিয়া ক্লাস পরিচালনার জন্য ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরী করে আসছেন ।

ডিজিটাল এ বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ক্লাস রুমে রূপান্তরিত করতে যে ক’জন প্রতিভাবান শিক্ষক সেচ্ছায় নিরলস পরিশ্রম করে সারা দেশের শিক্ষকদেরকে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্লাস নিতে সহায়তাস্বরূপ ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মান করে বিশেষ অবদান রাখছেন তাদেরই একজন কেটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক এ,এফ,এম, বেনজির হক।

তিনি এ সপ্তাহে (২৯ তম)ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মান করে সারা বাংলাদেশে সেরা তিন জনের একজন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৷ গত শুক্রবার ১৯ জুলাই শিক্ষক বাতায়ন সরকারি ওয়েব সাইটে এ ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ৷

শিক্ষক বাতায়ন সূত্রে জানা যায়, সারাদেশের প্রায় ৯ লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকা আছেন। তাদের মধ্যে আইসিটি ইন এডুকেশনে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক হচ্ছেন ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭৪৭ জন। এবার ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৭টি কন্টেন্ট শিক্ষা বাতায়নে আপলোড করা হয়েছে। এর মধ্যে মডেল কন্টেন্ট ৯৪৩টি। ২৯ তম সপ্তাহে সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা বেনজির হক কন্টেন্ট আপলোড করেছেন ৩১টি।

এ,এফ,এম,বেনজির হক’র এ সাফল্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিনারা বেগম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম সহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ তাঁকে অভিনন্দন জানান।

বেনজির হক শিক্ষক বাতায়নের সপ্তাহের সেরা কন্টেন্ট নির্মাতার সম্মাননা অর্জন করায় অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, বাতায়নের কর্তৃপক্ষ ও বাতায়ন পরিবারের নিকট কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন যাঁরা তাকে সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা হিসেবে মনোনীত করেছেন। তিনি ২০১৮ সালে বিরামপুর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেনী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন কর্মজীবনে উত্তরোত্তর সফলতা লাভ করতে পারেন এবং নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও শ্রেণি উপযোগী ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরী করে শিক্ষক বাতায়নকে আরো সু-সমৃদ্ধ করতে পারেন।

ফুলবাড়ীতে টিউশনির অর্থে শিক্ষার্থীকে পাঠ্যবই প্রদান ॥

মোঃ আফজাল হোসেন-ফুলবাড়ীতে ছাত্রলীগ নেতার টিউশনির অর্থে শিক্ষার্থীকে পাঠ্যবই প্রদান করেন, গত ২১ জুলাই তার বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের নাপিতপাড়া গ্রামে।

উজ্জ্বল চন্দ্র পেশায় নাপিত ও বর্তমানে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের ডিগ্রি ১ম বর্ষের (বিএসএস) ছাত্র। তার পিতা একজন কৃষক ও মা গৃহিনী। অভাবের সংসার। দিন আনে দিন খায় তারা। ঠিক মতো খাবার যোটে না।

পাঠ্যবই কেনা তো স্বপ্নের ব্যাপার। পড়ার বইয়ের অভাবে ঠিকমতো পড়ালেখা করতে পারছিল না সে। মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়ার সত্বেও বইয়ের অভাব তাকে পড়ালেখা থেকে দুরে ঠেলে দিচ্ছিল।

হঠাৎ বিষয়টি নজরে আসে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দিনাজপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি সুমিত শীলের। সুমিত শীল একসেট বই কিনেন তার টিউশনির অর্থ দিয়ে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিঠুন চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে উজ্জ্বল চন্দ্রের হাতে বই তুলেদেন।

উজ্জ্বল চন্দ্র বলেন, অর্থের অভাবে অনেক ছোট থেকেই সেলুনে কাজ করে আসছেন। বিভিন্নভাবে সহযোগিতা পেয়ে বর্তমানে ডিগ্রিতে পড়ালেখা করছেন। কিন্তু পাঠ্যবইয়ের অভাবে পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়ছেন অন্যদের থেকে। জেলা ছাত্রলীগের সুমিত দাদার কষ্টের টিউশনির অর্থে বই কিনে আমার হাত তুলে দেন। সুমিত দাদাসহ বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ জানাই।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিঠুন চৌধুরী বলেন, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমিত শীল টিউশনির অর্থ দিয়ে উজ্জ্বল চন্দ্রকে পাঠ্যবই কিনে দিয়ে মানবতার পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রত্যেক নেতাই এমনি মহতিকাজে নিজেদের নিবেদিত করবেন এই প্রত্যাশাই করেন তিনি।

জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমিত শীল বলেন, অভাব-অনটনের পরিবারের জন্ম উজ্জ্বল চন্দ্র পাঠ্যবইয়ের অভাবে লেখাপড়া থেকে দুরে সরে যাচ্ছিল। সে সেলুনে কাজ করে নিজ লেখাপড়াসহ পরিবারকে সাহায্য করছে।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনে, দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় ও ফুলবাড়ী-পার্বতীপুরের গর্ব প্রার্থমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রাণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপির দিকনির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা যেনো ঝড়ে না পড়া সে লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি রেজাওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর নের্তৃত্বে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সকলধরণের সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল চন্দ্রের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হলো।

গোহাড়া দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতর্ক বিকাশ প্রতিযোগীতা

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার গোহাড়া দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অর্থায়ণে বিতর্ক বিকাশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে বিদ্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত বিতর্ক বিকাশ প্রতিযোগীতার বিষয় ছিল ‘জিপিএ-৫ পাওয়ার আঙ্খাকায় গুণগত শিক্ষার প্রধান অন্তরায়’ শিরোনামে নবম ও দশম শ্রেণীর ৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এতে বিতর্কের পক্ষদলে মেয়েরা বিজয়ী হয় এবং বিপক্ষদলে ছেলেরা রানার্সআপ হয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় সানজিদা আফরিন।

এরপর এক আলোচনাসভা বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সিনিয়র আইনজীবি গোলাম মোস্তফা সরদার।

বক্তব্য দেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তোফাজ্জল হোসেন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম। পরে বিতর্কে অংশ নেওয়া উভয়দলের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এসময় সততা সংঘের সদস্য, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।