বুধবার-১৩ নভেম্বর ২০১৯- সময়: রাত ১:৩০
ঘোড়াঘাটে বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা বাগান করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে নাটোরের প্রতিবন্ধি প্রবীণ দম্পত্তি ভাতা নয়, চায় মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নবাবগঞ্জে ইঁদুর কেটে ফেলছে কাঁচা আমন ধানের রোপা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা কমেছে সময় ও দুর্ঘটনা,ঝালকাঠিতে ১৪ কি.মি মহাসড়ক নির্মাণ, স্বস্তিতে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা রাজাপুরে ব্যক্তি উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রীজ নির্মান, বই ও বেঞ্চ প্রদান মুক্তিযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ প্রসঞ্জী রায়এর পাশে- এমপি গোপাল ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল হাসপাতালে লাইভ ওয়ার্কশপে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় রিং (স্টেন্ট) সফল প্রতিস্থাপন সম্পন্ন ধামইরহাটে তিন ভূয়া ডিবি পুলিশ আটক সম্মানি না পেয়ে চিকিৎসা দিতে এলেন হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট!

সীমান্তের খবর newsdiarybd.com:

ধামইরহাটে তিন ভূয়া ডিবি পুলিশ আটক

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি-নওগাঁর ধামইরহাটে ছিনতাইকালে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়দানকারী তিন যুবককে আটক করা হয়েছে। রোববার ভোর ৫ টার দিকে উপজেলার বড়থা বাজারের পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন উপজেলার দাদনপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে এখলাস হোসেন স¤্রাট (২০) পতœীতলা উপজেলার চকজয়রাম গ্রামের শাহিদ শেখের ছেলে নাহিদ হোসেন (২৫) ও বাবনাবাজ গ্রামের গৌরচন্দ্র মন্ডলের ছেলে বিকাশ চন্দ্র মন্ডল (৩৪)।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ধামইরহাট উপজেলাধীন ফতেপুর-মাতাজী বাইপাস রাস্তা দিয়ে আড়ানগর ইউনিয়নের দুই সবজি ব্যবসায়ী ভোরবেলা সবজি কেনার উদ্দেশ্যে ইজিবাইকে বদলগাছী উপজেলার দিকে রওনা দেন। পথে কাজিপুর ডাবল ব্রীজের দক্ষিণে বড়থা বাজারের নিকট একটি মোটর সাইকেলে থাকা তিন যুবক ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করে। পরে ওই তিন যুবক নিজেদেরকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে কত টাকা আছে জানতে চায়। এতে ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হলে তারা চিৎকার শুরু করে। তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে নাহিদ হোসেন ও বিকাশ চন্দ্রকে আটক করে থানার সোর্পদ করে। তবে অপর যুবক স¤্রাট পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর সহায়তায় থানা পুলিশ স¤্রাটকে পলাশবাড়ী গ্রাম থেকে আটক করে।

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করে। একজন পালিয়ে গেলেও পরে তাকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানা ছিনতাইয়ের মামলা,ভূয়া পুলিশ পরিচয়ের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিরামপুরে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি অভিযানে ফেন্সিডিল উদ্ধার

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-বিরামপুরে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে।

এঘটনায় বিরামপুর থানায় পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে এবং পুলিশ সোমবার (৭অক্টোঃ) দুই আসামীকে দিনাজপুর কারাগারে পাঠিয়েছে।

জানা গেছে, দিনাজপুর র‌্যাব-১৩ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের বিরামপুর বিছকিনী রেলগেট এলাকায় অবস্থান নেয়।

এসময় আকতারুল নামীয় এক যুবককে আটক করে তার নিকট থেকে ৩৩৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেন। আটক আকতারুল সীমান্তবর্তী হাকিমপুর উপজেলার দেবখন্ডা গ্রামের আঃ মালেকের পুত্র।

বিরামপুর থানার এসআই শাহজাহান সিরাজ পৌর এলাকার মাহমুদপুর মুন্সিúাড়া পাকা রাস্তার পাশ থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ৪০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছেন।

অপরদিকে, বিজিবি ঘাসুড়িয়া ক্যাম্পের টহল দল সীমান্তের ২৮৮/৪৭ এস পিলারের পাশ দিয়ে ভারত থেকে পাচার হয়ে আসা ১৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ সাহার হোসেনকে (২৫) আটক করে। সে হাকিমপুর উপজেলার মংলা গ্রামের আবু সাঈদের পুত্র।

বিরামপুরে প্রাইভেট কার তল্লাশী চালিয়ে ফেন্সিডিল উদ্ধার!

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-বিরামপুর উপজেলার কাটলা বিশেষ ক্যাম্পের বিজিবি পুলিশের ষ্টিকার লাগানো প্রাইভেট কার আটক করে তল্লাশী চালিয়ে ১শ’ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার এবং গাড়ী চালককে আটক করেছে।

কাটলা বিশেষ ক্যাম্পের হাবিলদার শহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি টহল দল রবিবার (১১ আগস্ট) সকালে কাটলা বালুপাড়া থেকে পুলিশের ষ্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেট কারকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে বিরামপুর রেলগেট এলাকায় বিজিবি ঐ কারটিকে আটক করে। কারে তল্লাশী চালিয়ে বিজিবি ১শ’ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে।
এঘটনায় বিজিবি কারের চালক ফরিদুল ইসলামকে আটক করেছে। আটক তরিকুল নবাবগঞ্জ উপজেলার চড়ারহাট গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।

এব্যাপারে কারের মালিক বিরামপুর উপজেলার দক্ষিণ দামোদরপুর গ্রামের মোজাহারের পুত্র মামুনুর রশিদ ও আটক ফরিদুলের নামে বিরামপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে।
২৯, বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ শরিফ উল্লাহ আবেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হিলি সীমান্ত পিলার পরিদর্শনে দুই দেশের ভুমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

মোসলেম উদ্দিন,হিলি,দিনাজপুর-দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা পিলার পরিদর্শন করেছেন দুই দেশের যৌথ ভুমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার দুপুর ২টায় বাংলাদেশ ভুমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তসলীমুল ইসলামের নেতৃত্বে ভারতীয় ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি হিলি সীমান্তে আসেন।

এসময় তারা হিলি সীমান্তের চেকপোস্টের ২৮৫/১১নং সাব সীমানা পিলার থেকে ২৮৬নং মেইন পিলার পর্যন্ত মোট ২২টি সাব সীমানা পিলার ঘুরে দেখেন এবং এসব পিলারের সঠিকতা যাচাই, রক্ষনাবেক্ষণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় তাদের সাথে ছিলেন, জয়পুরহাট ২০ বিজিবি অধিনায়ক লে:কর্ণেল রাশেদ মোহাম্মদ আনিসুল হক ও বিএসএফ কর্মকর্তারা।

ভারতীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের ভুমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক অভানিন্দ্র সিংহ, উপ-পরিচালক সুমী বিশ্বাস, চার্জ অফিসার সুরজিৎ চন্দ্র, অতিরিক্ত চার্জ অফিসার বিদেশ নাইয়া ও সহকারি সার্ভে অফিসার সুদীপ্ত সরকার।

হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শণে ভারতীয় সহকারি হাইকমিশনার-সানজিভ কুমার ভাট্টি

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন রাজশাহীস্থ ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার সানজিভ কুমার ভাট্টি।

এসময় তিনি বন্দরের বিভিন্ন সমস্যাসহ দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বানিজ্য সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।

 সোমবার ১৩ মে বন্দরের বেসরকারি অপারেটর পানামা হিলি পোর্টে আসেন ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার সানজিভ কুমার ভাট্টি। সেখান থেকে তিনি সোয়া ১১টার দিকে হিলি চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যান।

প্রায় ২ ঘন্টা অবস্থানকালে সেখানকার কাস্টমস, বিএসএফ, ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্মকর্তা এবং বন্দরের শীর্য ব্যবসায়িদের সাথে বন্দর সম্পর্কিত সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন। দুপুর ১টায় তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এসময় চেকপোস্ট গেটে বিজিবির নিরাপত্তা তল্লাশীর নামে দুই দেশের মধ্যে চলাচল করা পাসপোর্ট যাত্রীদের সাথে অসাদাচরণ সহ হয়রাণী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভারতীয় এই কূটনৈতিক।

এসময় সেখানে জয়পুরহাট- ২০ বিজিবি ব্যটালিয়নের সিও লে. কর্ণেল রাশেদ মোহাম্মদ আনিসুল হক, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি ফিরোজ কবীর সহ কাস্টমস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর দুপুর ২টায় বন্দরের চারমাথায় হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের কার্যালয়ে আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ি এবং সিএন্ডএফ এজেন্টদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদের সভাপতিত্বে ওই মতবিমিনয় সভায় ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার সানজিভ কুমার ভাট্টির কাছে বন্দরের ভারত অংশে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কার্যালয়, কাস্টমস কমিশনার কার্যালয় সহ রাস্তা প্রশস্তকরণ ও ব্যবসায়িদের ৫ ও ১০ মেয়াদি বানিজ্য ভিসা দেওয়ার দাবী জানান এই ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ।

এদিকে হিলি চেকপোস্টে কথা হলে কয়েকজন পাসপোর্ট যাত্রী জানান, কাস্টমস নিয়ম মেনে তারা ভারত থেকে নিজেদের ব্যবহার করার জন্য কয়েকটি শাড়ী, থ্রিপিস সহ অন্যান্য পণ্য কিনে আনেন। এসময় তারা দেশে প্রবেশের সময় হিলি চেকপোস্টে বিজিবির সদস্যরা তল্লাশীর নামে ব্যাগেজের মালামাল তছনছ করে। এমনকি তাদের মনে চাইলে তারা ব্যাগেজ থেকে কাপড় বা অন্য কোন মালামালও বের করে রেখে দিচ্ছে।

বিশেষ করে বিজিবির নায়েক রাকিকের নেতৃত্বে নারী ও পুরুষ বিজিবির সদস্যরা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচল করা পাসপোর্ট যাত্রীদের প্রতিনিয়ত হয়রাণী করার পাশাপাশি মালামাল নিয়ে রেখে দিচ্ছে। রোগী যাত্রীরাও তাদের কাছ থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

হিলি সীমান্তে ফেন্সিডিলসহ গাঁজা উদ্ধার

মোসলেম উদ্দিন, হিলি প্রতিনিধি-দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের ঘাসুড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে দেশে আনা ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ৯শ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে বিজিবি। তবে এর সাথে জড়িত কাওকে আটক করতে পারেনি তারা।

বিজিবি হিলির মংলা বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার আবু সাঈদ জানান, ভারত থেকে ফেন্সিডিলের বড় একটি চালান নিয়ে একদল চোরাকারবারী দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে এমন সংবাদ পায় বিজিবি। সেই সংবাদের ভিত্তিতে আজ রোববার ভোররাতে হিলি সীমান্তের ঘাসুড়িয়া এলাকায় অবস্থান নেয় বিজিবি।

এসময় ১০/১৫জনের একটি চোরাকারবারী দল ফেন্সিডিল নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে দেশে প্রবেশ করতে লাগলে বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে চোরাকারবারী ৬টি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বস্তাগুলি উদ্ধার করে তার ভেতর হতে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ৯শ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিল ও গাঁজাগুলি ধ্বংস করনের লক্ষ্যে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সীমান্তে মাদক চোরাচালান, নারী শিশুপাচার ও সীমান্ত হত্যাবন্ধে জনসচেতনামুলক সভা

মোঃ আকরাম হোসেন- দিনাজপুর কমলপুর ইউনিয়নের বড়গ্রাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি’র আয়োজনে মাদক চোরাচালান, নারী ও শিশুপাচার এবং সীমান্ত হত্যাবন্ধে এক জনসচেতনতা মূলক সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার ফুলবাড়ী ২৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ফুলবাড়ীর, অধীনস্ত বড়গ্রাম বিওপির দায়িত্বাধীন বড়গ্রাম দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাদক চোরাচালান, নারী ও শিশুপাচার এবং সীমান্ত হত্যাবন্ধে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ও বক্তব্য রাখেন, কমলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাজেদুর রহমান সরকার জুয়েল। শুরুতেই কোরআন তেলোয়াত করেন বিজিবি’র সৈনিক মোঃ ফজলে রাব্বী।

মাদক চোরাচালান নারী ও শিশু পাচার এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে জনসচেতনতা মুলক সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এস.এম রেজাউর রহমান (পিএসসি)। তিনি বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সকল পর্যায়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার সময় এসেছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিজিবি নিরাপত্তা বাহিনী হিসেবে দেশ থেকে মাদক নামক শব্দটি উচ্ছেদ করার ব্যাপারে বদ্ধ পরিকর। মাদকের সাথে সম্পৃক্ত সে যেই হোক না কেন, তাকে বিন্দু মাত্র ছাড় দেওয়া হবেনা।

এ ব্যাপারে আপনাদেরকে সহযোগীতায় এগিয়ে আসতে হবে এবং সন্ধার পর সীমান্তের শূণ্য লাইনের কাছাকাছি জনসাধারণ কে না যাওয়ার পরামর্শ দেন। আমরা সীমান্তে হত্য দেখতে চাইনা। কোন মায়ের কোল যেন খালি না হয়। সে দিকে আপনাদেরকে সজাগ থাকতে হবে।”

মাদক ও চোরাচালান নারী ও শিশুপাচার এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে জনসচেতনামুলক সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বড়গ্রাম দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারাফ হোসেন, দিনাজপুর সদর কোতোয়ালী থানার ওসি তদন্ত মোঃ নাজমুল আহম্মেদ। মাদক ও চোরাচালান নারী ও শিশুপাচার এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে জনসচেতনামুলক সভাটি সঞ্চালনায় ছিলেন ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি’র নায়েক মোঃ কাওসার। আয়োজনে ছিলেন ফুলবাড়ী ২৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন।

এসময় পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ,গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, স্কুল কলেজের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং বিজিরি’র পদস্থ সৈনিকগণ উপস্থিতি ছিলেন। জনসচেতনতামুলক সভা শেষে সকাল সাড়ে ১১ টায় বড়গ্রাম স্কুল মাঠ থেকে ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এস.এম রেজাউর রহমান (পিএসসি) এর নেতৃত্বে এক বিশাল মাদক চোরাচালান, নারী শিশু পাচার এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে এক র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি ঐ এলাকার বাজার প্রদক্ষিণ করে দুপুর ১২ টায় স্কুল মাঠে এসে শেষ হয়। আলোচনা সভায় বিভিন্ন শ্রেনীর প্রায় ১ হাজার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

হিলি সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক

আকতার হোসেন বকুল-২’ দেশের নাগরিকদের সীমান্তে সহাবস্থান, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধ, মাদক, চোরাচালানসহ নানান বিষয় নিয়ে দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এর মধ্যে সেক্টর পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার দুপুরে হিলি চেকপোস্ট ক্যাম্পে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন ভুঁইয়া এবং ভারতের রায়গঞ্জ সেক্টর কমান্ডার ডিআইজি টিজি সিমথে নেতৃত্বে দেন।

ভারতের রায়গঞ্জ বিএসএফ সেক্টরের অধীনে ২৮, ৪১, ১৮৩ এবং ১৯৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ও অফিসারসহ ১৮ জন।

অপর দিকে দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডারের অধীনে জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল রাশেদ মোহাম্মদ আনিসুল হকসহ ফুলবাড়ি-২৯ এবং দিনাজপুর-৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

পাঁচবিবি সীমান্তে বালুবাহি মেসিতে ফেন্সিডিলসহ চালক আটক

মোসলেম উদ্দিন-জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তে অভিনব কায়দায় বালুবাহি মেসিতে পাচারের সময় ৯৯ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ মেসির চালক সুজন মিয়া(২৫) কে আটক করেছে আটাপাড়া বিজিবি সদস্যরা।

বিজিবি আটাপাড়া ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিন আটাপাড়া বিওপির টহল কমান্ডার হাবিলদার মঞ্জুর নেতৃত্ত্বে বিজিবি সদস্যরা আটাপাড়া বেলীব্রীজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১টি বালুবাহী মেসি আটক করে।

পরে বালু ভর্তি ট্রলি থেকে ৯৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ মেসির চালক উত্তর গোপালপুর গ্রামের মোস্তোর ছেলে সুজন মিয়া (২৫) কে আটক করে।

অপর দিকে, একই সময় পৃথক অভিযান চালিয়ে শরীরে ফিটিং অবস্থায় ২৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ হাসানুল (২২) নামক অপর এক মাদক পাচারকারীকে আটক করে। সে পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। আটককৃতদের থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

পাঁচবিবি সীমান্তে ফেন্সিডিল,ইয়াবাসহ আটক-১

মোসলেম উদ্দিন-জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তের কয়া ক্যাম্পে মোটরসাইকেলে ৯০ বোতল ফেন্সিডিল, ১৭৫ পিচ ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে বিজিবি।

আটককৃত পাঁচবিবি সীমান্তের ভুঁইডোবা গ্রামের ছায়েব আলীর ছেলে সুমন হোসেন (৩৬)।

কয়া ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আবু নাসের জানান,আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে ভুঁইডোবা গ্রাম হতে মোটরসাইকেল যোগে মাদক দ্রব্য পাচার হয়ে আসছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে আমার নেতৃত্বে বিজিবি শাহিনসহ সঙ্গী ফোর্স নিয়ে গ্রামের রাস্তায় অৎপেতে থাকি।এসময় সুমন একটি এ্যাফাসি মোটরসাইকেল যোগে আসলে তাকে আটক করি। পরে মোটরসাইকেলসহ তার দেহ তল্লাশি করে ৯০ বোতল ফেন্সিডিল, ১৭৫ পিচ ইয়াবা পাওয়া যায়। আটককৃত সুমনকে প্রচলিত মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে পাঁচবিবি থানায় সোপর্দ করি।