রবিবার-২৬ জানুয়ারি ২০২০- সময়: সকাল ১১:৩২
গুরুদাসপুরে এক বৃদ্ধা খুন বিরামপুরে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত কাটলা হলি চাইল্ড স্কুল বিরামপুরে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান দিদউফ বিরামপু‌রে দুস্থ শীতার্ত‌দের মা‌ঝে শীতবস্ত্র বিতরন বিরামপুরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণ গণনার সূচনা বিরামপুরে ১২ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো হয়েছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সীতার কুটুরি গোচারণ ভূমিতে পরিণত কালো জাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস, কালের পরিক্রমায় প্রতি বছরই হাজির হয় শীত দিনাজপুর হতদরিদ্র শীতার্থ মানুষের পাশে এগিয়ে এসেছে ডিএফএর

কুষি newsdiarybd.com:

লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে, মহিমাগঞ্জ সুগার মিলে আখ মাড়াই উদ্বোধন

গাইবান্ধা থেকে আ: খালেক মন্ডল-উত্তরাঞ্চলের একমাত্র ভারী শিল্প গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জের মহিমাগঞ্জে রংপুর চিনিকল ৬৩ কোটি টাকার লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের আখ মাড়াই এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় চিনিকল চত্তরে চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত উদ্ভোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন এবং উদ্বোধন করেন, ৩২-গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনের জাতীয় সংসদ আলহাজ্ব প্রকৌশলী মোঃ মানোয়ার হোসেন চৌধুরী।

অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র আতাউর রহমান সরকার,উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামকৃষ্ণ বর্মন,থানা অফিসার ইনচার্জ একেএম মেহেদী হাসান,দরবস্ত ইউপি চেয়ারম্যান আ,র,ম শরিফুল ইসলাম জর্জ, গোবিন্দগঞ্জ মহিলা (ডিগ্রী) কলেজের সহকারী প্রভাষক আবু তাহের মন্ডল, মহিমাগঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান রুবেল আমিন শিমুল, মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আনারুল ইসলাম, মহিমাগঞ্জ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সুফিয়ান সুজা, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান দুলাল, সাবেক সভাপতি দুলা মিয়া, শালমারা ইউপির চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আইয়ুব হোসেন, রংপুর চিনিকলের কর্মকর্তা,কর্মচারী,আখচাষীসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চিরিরবন্দরে রসুনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন-দেশের সর্বাধিক রসুন উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিত দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে এবারো কৃষকরা ব্যাপকহারে রসুনের আবাদ করেছেন।

বিগত বছরগুলোতে চাষীরা নিজেদের উদ্ভাবিত বিনা হালে রসুন চাষ পদ্ধতিতে ব্যাপক সফলতা পাওয়ায় এবং উৎপাদিত রসুনের ভালো দাম পাওয়ায় এ মৌসুমেও তারা রসুন চাষে ঝুঁকেছেন। সেচ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় এবার উপজেলায় রসুনের বাম্পার ফলনের মাধ্যমে কৃষক লাভবান হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসূমে চিরিরবন্দর উপজেলায় ৪ শত ৮০ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে । আকস্মিক কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে এমনটায় আশা করছে কৃষি বিভাগ

চিরিরবন্দর উপজেলার সাতনালা, বিন্যাকুড়ি, নশরতপুর,ফতেজংপুর, সাইতাড়া,আলোকডিহি তেতুঁলিয়া ও ভিয়েল গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,গত মৌসুমের শুরুতে রসুনের ভালো দাম ছিল না। তবে মৌসুমের শেষ সময়ে এসে রসুনের ভালো দাম পেয়েছে কৃষকরা। ভালো দাম পাওয়ায় এ বছরও এ এলাকার কৃষকরা ব্যাপকহারে রসুন আবাদ করেছেন।

এবার রসুন বীজের অঙ্কুরোদগমও ভালো হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় এবং প্রয়োজনীয় সেচ ও সার পাওয়ায় রসুনের চারা এখন দ্রত গতিতে বেড়ে চলেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার রসুনের বাম্পার ফলন হবে এমন আশা করছেন তারা। আর তাই রসুন চাষীরা সকাল-সন্ধ্যা দিনমজুর ও স্ত্রী-পুত্রদের সাথে নিয়ে রসুনের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

উপজেলার সাতনালা গ্রামের রসুন চাষী জাকির হোসেন ও আলোকডিহি গ্রামের বেলাল হোসেন জানান, প্রতি বিঘা জমিতে রসুন চাষে প্রায় ৩০ জন শ্রমিক লাগছে। তাদের শ্রমমূল্য ও খাবার খরচ বাবদ খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা।

এছাড়া বীজ, রাসায়নিক সার ও সেচ দিতে আরও প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ পড়ছে। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে ২৫ থেকে ৩০ মণ রসুন পাওয়া যাবে।

মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা কম হলেও পরবর্তীতে প্রতিমণ রসুন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা যাবে। এতে বিঘা প্রতি সব খরচ বাদে ৬০ হাজার টাকা লাভ থাকবে বলে আশা করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান জানান, বর্তমানে চিরিরবন্দর কৃষকদের কাছে রসুন প্রধান অর্থকরী ফসল হয়ে উঠেছে । এছাড়া এখন পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো আছে। তাই এবার রসুনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।

বিরামপুরে ধানের দর আড়তদারের হাতে, কৃষক শংকিত, চালের দর উর্দ্ধমুখী ?


বিরামপুর (দিনাজপুর) থেকে-বিরামপুর নতুন বাজারে চালের আড়তদারির নিকট খোঁজ নিয়ে জানা গেছে প্রতিটি চালের বাজার দর উর্দ্ধমুখী। অথচ এ অঞ্চলের কৃষক আবারো আমন মৌসুমেও ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত। আমন ধানের বাজার দর আড়তদারের হাতে জিম্মি? কৃষক শংকিত।

ডিসেম্বর মাস ব্যাংক কোজিং এর অজুহাতে আড়তদাররা দিন দিন কমিয়ে দিচ্ছে পাইকাড়ী বাজারে ধানের দাম। প্রতিদিন মনপ্রতি ১০/১৫ টাকায় কমছে।

আড়তে ধান প্রচুর আমদানী হলেও স্থানীয় পর্যায়ে দুই একটা ক্রেতা থাকলেও বাহিরের ক্রেতা নেই বললেই চলে। আড়ৎ এর মহাজনেরা বিরামপুরের বাহিরে ধান পাঠাতে পারছে না।
২১ ডিসেম্বর শনিবার বাজারে গুটি সর্না ধানের মন ছিল ৫৯০-৬১৫ টাকা, সর্না-৫ ধান ৬৫০-৬৬০ টাকা মনে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও জিরা কাটারী ধান ১৬৮০-১৭০০ টাকা মন প্রতি বিক্রি হচ্ছে। এর কয়েকদিন আগে সর্না ৬৪০ টাকা, সর্না- ৬৮০ টাকা দরে বিক্রে হয়েছে।

ধান বিক্রি করে সারাঙ্গপুর গ্রামের কৃষক বাবু হতাশা প্রকাশ করলেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে ধানের চাষ থেকে আগামীতে কৃষকেরা মুখ ফিরে নিবে।

অপর দিকে, বিরামপুরে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবহাওয়া জনিত কারণ দেখিয়ে চাল ব্যবসায়িরা কেজিপ্রতি ২/৩ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। এক সপ্তাহ আগে সর্না ৩৭টাকা, মিনিকেট ৪০টাকা ও মোটা চাল ২৭টাকা কেজি দওে বিক্রি হয়েছে। রবিবার সেই চাল যথাক্রমে ৪০, ৪২ ও ৩০ টাকা দওে বিক্রি হচ্ছে।

বিরামপুর বাজারে শনি ও মঙ্গলবার দুটি হাট বসে। এছাড়াও প্রতিদিনই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিরামপুর ধান ব্যবসায়ীরা সাধারণ কৃষকগনের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে থাকে। বাজারে পর্যাপ্ত আমদানী হলেও আশাঅনুরূপ ধানের মূল্য না পেয়ে কৃষকরা শংকিত।

বিরামপুর ধান ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক নাজমুস সাকিব সোহেল বলেন, বিরামপুরে ধানের বাজারে হরেক রকমের ধান উঠতে শুরু করেছে।

চালের বাজার দর উর্দ্ধমুখী হওয়ায় বাইরের ক্রেতারা বিরামপুর থেকে ধান ক্রয় করছে না। স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী শনি ও মঙ্গলবারের হাটে অল্প সংখ্যক ধান ক্রয় করলেও অধিকাংশ ধান কৃষকের হাতেই থেকে যাচ্ছে।

বিরামপুরের শীতকালীন সবজির বাজারে স্বস্তি

এম আই তানিম,বিরামপুর-বিরামপুরের বাজারে শীতকালীন সবজির দাম কমেছে । সপ্তাহ খানেক ধরে প্রচুর শীত থাকলেও গরম ছিল শীতের সবজির বাজার।সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে।

ফুলকপি, বাঁধাকপি, পাতা পিঁয়াজ,বেগুন,আলু,মুলা,কাচা মরিচ চড়া দামে হওয়ায় মুখ কালো করেই বাড়ি ফিরতে হয়েছে ক্রেতাদের। তবে শীত যেমন বাড়তে শুরু করেছে, তেমনি কমতে শুরু করেছে শীতের সবজির দামও।সামনের সপ্তাহে আরও কমবে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। সাধ্যের মধ্যে সবজি কিনতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ক্রেতারাও।

বিরামপুরের সবজি বিক্রেতা সালাম জানান, বাজারে সরবরাহ অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমবে। ক্রেতারা বেশি পরিমাণে সবজি কিনছেন। তিনি বলেন, সবজির দাম যদি বৃদ্ধি পায়, তাহলে বিক্রির পরিমাণ কমে যায়। আর যদি সবজির দাম কমে যায় তাহলে বিক্রির পরিমাণ বেড়ে যায় তাতে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুজনই লাভবান হন।

মঙ্গলবার বিরামপুরের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রতি কেজি বাঁধাকপি ও ফুলকপির দাম ১৫-২০ টাকা খুচরা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলুর দাম রাখা হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। মুলা পাওয়া যাচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজিতে।

বিরামপুরের কাঁচাবাজারগুলো শীতের বিভিন্ন টাটকা সবজি ও শাকে ভরপুর রয়েছে । বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিমের দাম সর্বোচ্চ ২০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগেও খুচরা বাজারে শিমের কেজি ছিল ৮০ টাকারও বেশি আর বড় আকারের লাউ পাওয়া যাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়।

অনেক মানুষই দুপুরে খাবারের পাতে কোনো না কোনো শাকের তরকারি খেতে ভালোবাসেন। এখনকার সবজির বাজারে শীতকালীন শাকের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। সরিষাশাক, মুলাশাক, পেঁয়াজশাক, ধনেপাতা, লালশাক, লাউশাক সহ আরও অনেক রকমের শাক। এক আঁটি পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকায়।

লালশাকের আঁটিও বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকায়। শীত আসতেই বাজারে উঠেছে লম্বা লম্বা সবুজ কাঁচামরিচ। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায়।

সবজির বাজারে কমতে শুরু দেশি পেঁয়াজের দাম,দেশি পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে শুরু সর্বোচ্চ করে ১০০ টাকায় । আর পাতা পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকায়।

রাজারহাটে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন

প্রহলাদ মণ্ডল সৈকত, রাজারহাট প্রতিনিধি-চলতি আমন মৌসুমে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সরকারিভাবে নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের নিকট সরাসরি ধান ক্রয়ের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দ্দী বাপ্পি।

২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার উপজেলা সরকারী খাদ্য গুদামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাঃ যোবায়ের হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম মন্ডল সাবু, উপজেলা জাপার সভাপতি আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য রাজারহাট উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে চলতি মওসুমে ১২৬৪ মে:টন ধান ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ আসে। ১০৪০ টাকা মন দরে প্রতি কেজি ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা।

২১০৬ জন কৃষককে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করার মাধ্যমে প্রতিজন কৃষক ১৫ মন করে ধান বিক্রি করতে পারবেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্রয় করার কথা জানিয়েছেন রাজারহাট খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল।

কৃষিবিদ মাহমুদুল দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তার পদক লাভ

 

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন-কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যে সকল ব্যক্তিবর্গের নিরলস প্রচেষ্টায় এদেশের কৃষিতে উন্নয়ন হচ্ছে তারই এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব কৃষিবিদ মোঃ মাহমুদুল হাসান। তিনি বর্তমানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চিরিরবন্দর উপজেলায় কৃষি অফিসার হিসাবে কর্মরত আছেন।

বিগত ২০১৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী তিনি দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দরে যোগদানের পরে এখানকার কৃষি ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনয়ন করেন। যার স্বীকৃতি স্বরুপ ২০১৮ সালের কাজের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির পক্ষ থেকে তাকে দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসাবে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তার পদক প্রদান করা হয়।

১৯ ডিসেম্বর দিনাজপুরে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ডিএই এর শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচন-২০১৯ উপলক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি কর্তৃক আয়োজিত পুরষ্কার ও সনদপত্র বিতরনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ মোঃ মাহমুদুল হাসানকে এ সম্মাননা প্রদান করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. আবদুল মুঈদ।

ডিজিটালাইজড লাগসই ও টেকসই আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্য অর্জনকারী হিসাবে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

তার দিকনির্দেশনায় শস্যভান্ডার খ্যাত বৃহত্তর চিরিরবন্দর উপজেলার কৃষিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে এ সকল সাফল্যের মধ্যে তার উল্লেখযোগ্য অবদান গুলো হলো-সুগন্ধি জাতের ধান ব্রিধান-৩৪,৭০ ও ৭৫ ও নতুন জাতের ধানের চিরিরবন্দরে সম্প্রসারন ও আধুনিক পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদ কৌশল ও প্রযুক্তি গ্রহনে ধানের ফলন বেশী হওয়ায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূনতা অর্জন।

চিরিরবন্দর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে কৃষি উন্নয়ন সর্ম্পকিত সংবাদ ২৫৮টি বিভিন্ন দৈনিক,সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক স্থানীয় জাতীয় অনলাইন মিডিয়াতে প্রচার ও লিচু বাগান সম্পাসারন লিচু বাগানে মৌ বাক্স স্থাপন। উচ্চ মূল্যের ফসলের চাষ সম্পাসারন ও উপজেলার তেতুঁলিয়া ইউনিয়নে ফিয়াক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ও বিভিন্ন উর্ধতন কর্তৃপক্ষের পরিদর্শন।

এছাড়া তিন ফসলি জমিকে চার ফসলীতে রুপান্তর করে কৃষি জমির সর্বোত্তম ব্যবহারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন ও মানব স্বাস্থ্য সংরক্ষনার্থে তার দিকনির্দেশনায় বিষমুক্ত সবজি ও ফল উৎপাদনের লক্ষ্যে সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার সফলভাবে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

সর্বোপরি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সফলভাবে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সকল উপ-সহকারি কৃষি অফিসারদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা। কৃষকগণ সারাদিন মাঠে কর্মব্যস্ত থাকেন তাই মাঝে মাঝে বড় পর্দায় চিত্ত বিনোদনসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন করা।

তারই উদ্যোগে চিরিরবন্দর উপজেলায় সকল কৃষি উপ-সহকারীদের ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগের দ্বারা প্রধানমন্ত্রীর “ভিশন ২০২১” সফল বাস্তবায়নের নিমিত্তে সবার সার্বিক সহযোগিতায় দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দরের কৃষি উন্নয়ন অত্যন্ত সফলতার সাথে এগিয়ে চলছে।

ধামইরহাটে সরাসরি ধান কেনার দাবীতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি-নওগাঁর ধামইরহাটে প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে সরকারিভাবে ধান ক্রয় কেন্দ্র খোলে সরাসরি কৃষকদের কাছ ধান ক্রয়সহ ৮ দফা দাবীতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা ক্যান্টিন চত্ত্বরে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ধামইরহাট উপজেলা শাখার আয়োজনে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

দেবলাল টুডুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ জেলা বাসদের সমন্বয়ক জয়নাল আবেদীন মুকুল,ক্ষেতমজুর কৃষক ফ্রন্টের মঙ্গল কিস্কু, মহিলা ফোরামের ময়না উরাও,আদিবাসী নেত্রী তারা মনি উরাও প্রমুখ।

বক্তাগন বলেন,প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে সরকারিভাবে ধান ক্রয় কেন্দ্র্র স্থাপনের মাধ্যমে সরকারি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার দাবী জানান। পরে ৮ দফা দাবী সমুহ একটি স্মারকলিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসার গনপতি রায়ের নিকট প্রদান করা হয়।

ঘোড়াঘাটে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-গজ্ঞের গাছিরা এখন বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন এ অঞ্চলের গাছিরা। এখন তেমন শীতের তীর্বতা না পরলেও গাছিরা ডিসেম্বরের শুরু থেকে খেজুর গাছের রস সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পরেছে।

শাহেবগজ্ঞ গ্রামের গাছিু হাবিজার রহমান জানান এই মাসের শুরু থেকে খেজুর রস সংগ্রহ করতে শুরু করেছি। তবে আগের মত আর খেজুর গাছ নাই। তাই রস বেশী যোগার করা যাচ্ছেনা। কিন্তু খেজুরের রসের চাহিদা বেশী। স্থানিয় এলাকাবাসি জানান দিন দিন খেজুর গাছ বিলিন হয়ে যাচ্ছে। পাশা পাশি ইট ভাটার কারনে খেজুর গাছসহ সকল প্রকার গাছ বিলিন হতে যাচ্ছে।

এ কারনে জলবায়ুর পরিবর্তনে বৃষ্টিপাত কম হচ্ছে। দিন দিন উষ্ণতা বেরে যাওয়ার কারনে খেজুর রস কমে যাচ্ছে। ফলে খেজুর রসের চাহিদা বাজারে গ্রাহকদের চাহিদা মিটানো যাচ্ছেনা। ফলে ভেজাল জাতের রস বাজারে বিক্রি হওয়ায় মানব দেহে রোগবালাই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গাছিুরা যে রস সংগ্রহ করছেন তা লোকজনের শীতের পিঠা ও পায়েস খেতেই চাহিদা পুরণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তার পরও শীত আসার সাথে সাথে গাছিরা রস সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পরেন এমনটিই বলছেন গাছিুরা। তারা আরো জানান এর আগে শীতের রস এ এলাকার চাহিদা পুরণ করেও দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকতেন গাছিুরা।

এ ব্যাপারে ঘোড়াঘাট পৌর মেয়র আঃ ছাত্তার মিলন জানান, সচেতনতা বৃদ্ধি করনসহ পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে ্ধন রোধে সকলকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

ঘোড়াঘাটে বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা বাগান করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-মাল্টা বাগান করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে আবু সাঈদ, তার এই সাফল্য দেখে অনেকেই ইতিমধ্যে বাণিজ্যিক ভাবে মাল্টা বাগান করার উদ্দোগ গ্রহন করেছেন।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা গ্রামের আবু সাঈদ পেশায় মাছ চাষি হলেও ব্যতিক্রম কিছু করার আসায় তার নিজ উদ্দোগে গড়ে তুলেছেন মাল্টা বাগান।

মাএ এক একর জমিতে মাল্টা বাগান করে পেয়েছেন সাফল্য। তার এই সাফল্যতা দেখে মাল্টা চাষে আগ্রহ হয়ে উঠছেন অনেকে। ইতিমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সারা পেয়েছে, আর এরি মধ্যে বাণি্িযক ভাবে মাল্টা চাষে বেশ সারা দেখা দিয়েছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলার পালাশা গ্রামের অবু সাঈদ পেশায় মাছ চাষি হলেও সে ব্যতিক্রম কিছু করার আসায় পরিহ্মা মুলক মাল্টা চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সারা পেয়েছেন।

এ বছরে এক একর জমিতে মাল্টা বাগান শুরু করে ব্যাপক সাফল্য পাওয়ায় আগামীতে আরো বেশী বাগান করবেন। তার এক-একটি মাল্টা গাছে ১৫ থেকে ২০টি ফল হয়েছে এবং তা খুব সু-সাদু ও মিষ্টি।

তিনি পরিত্যাক্ত জমিতে মাল্টা বাগান করে বেশ সাফল্য পাওয়ায় তার দেখা দেখি স্থানীয় বেকার যুবকরা ইতিমধ্যে বাণিজ্যিক ভাবে ২৫-৩০টি মাল্টা বাগান করে তারা উত্তরঅঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাল্টার চাহিদা পুরন করবে বলে এমনটি বলছেন এ এলাকার মাল্টা চাষিরা। এ দিকে কৃষি অসির বলেন কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করার প্রত্যায় ব্যক্ত করেছেন।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি অফিসার একলাস হোসেন সরকার  জানান, এ উপজেলায় ২০ থেকে ২৫টি মাল্টা চাষিদেক প্রশিহ্মনসহ সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছেন।

নবাবগঞ্জে ইঁদুর কেটে ফেলছে কাঁচা আমন ধানের রোপা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা

এম.এ সাজেদুল ইসলাম সাগর-চলতি আমন রোপা মৌসুমে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মাঠে মাঠে আমন রোপা ধানের কাঁচা গাছ কেটে তছনছ করছে ইঁদুর। কাঙ্খিত উৎপাদন নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

এলাকার উৎপাদনের সাথে জড়িত থাকা কৃষকেরা জানায়, এ বছরে এত পরিমাণ ধানের জমিতে ইঁদুরের উৎপাৎ দেখা দিয়েছে তা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কৃষকেরা আমন মৌসুমে প্রথমের দিকে অতিরিক্ত সেচ দিয়ে রোপন করেছে আমন ধান। মাঠে মাঠে ফসলের রোপা কেটে ক্ষতি করছে ইঁদুর।

কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ নিয়ে ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ ডিলারদের নিকট থেকে ইঁদুর নিধনের ঔধুষ ক্রয় করে জমিতে প্রয়োগ করলেও ইঁদুরের উপদ্রব কোনভাবেই কমছে না।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার ৭নং দাউদপুর ইউনিয়নের দাউদপুর ব্লকের কৃষ নাজিমুদ্দিন দুঃখ ও আক্ষেপ করে জানান, অতিকষ্টে আমন ধান রোপন করেছে। অতিরিক্ত সেচও দিতে হয়েছে। যে পরিমাণ খরচ হয়েছে তা ফসলে উঠবে কিনা তা নিয়ে সংশয় তো রয়েছেই অপরদিকে ইঁদুরের আক্রমণ। মাঠে যেতে মন চায় না।

জমির যেদিকে তাকাই শুধু কাচা তাজা গাছ বিনষ্ট করছে ইঁদুর। কেটে ফেলা ধানের গাছ বস্তা ভর্তি করে বাড়িতে এনে গরু খেতে দিতে হচ্ছে। উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশংকা করছেন নাজিমুদ্দিনসহ আরোও অনেক কৃষক।

এদিকে, উপজেলার ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের শওগুনখোলা গ্রামের কৃষক আমিরুল ইসলাম, ২নং বিনোদনগর ইউনিয়নের চাকপাড়া গ্রামের আবুল কাশেম তারা জানান, এখনই ইঁদুর নিধনের ব্যবস্থা নিতে না পারলে পরবর্তী ইরি বোরো আবাদে আরোও সমস্যার আকার ধারণ করতে পারে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, আমরা বিষ টোপ দিয়ে জমিতে ইঁদুর নিধনের কার্যকারী ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিচ্ছি। উঁচু শ্রেনীর জমিতে পানি না থাকায় সেখানেই ইঁদুরের উপদ্রব দেখা যাচ্ছে। আর ইঁদুর দিনের বেলায় কাটে না রাতেই কেটে থাকে। কৃষকদের সার্বক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়াসহ পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

৭নং দাউদপুর ইউনের দোমাইল ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফাত্তাউজ্জামান জানান, ইতোমধ্যেই মাঠে গিয়ে বাস্তব অবস্থা দেখে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। এদিকে কৃষিবিদগণ জানান- ইঁদুর সবার কাছে পরিচিত স্তন্যপায়ী মেরুদণ্ডী বালাই যা মানুষের সাথে নিবিঢ়ভাবে সহাবস্থান করে।

এ প্রাণী প্রতিনিয়তই কৃষকের কষ্টার্জিত ফসলের ক্ষতিসাধন করছে যেমন- মাঠের শস্য কেটেকুটে নষ্ট করে, খায় এবং গর্তে জমা করে। মাঠের ফসল উৎপাদন ও গুদামজাত শস্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ইঁদুর এক বিরাট সমস্যা।

ইঁদুর বেড়িবাঁধ ও বিভিন্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে গর্ত করে এবং মাটি সরিয়ে বাঁধ দুর্বল করে ফেলে। ফলে বাঁধ ভেঙে পানি দ্বারা প্লাবিত হয়ে বাড়িঘর, ফসলাদি ও গবাদিপশুর যে ক্ষতি সাধন করে তার আর্থিক মূল্য বিবেচনা করলে ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যাবে।

ইঁদুর দ্বারা প্রাথমিক ক্ষতি হয় ধান, গম, বাদাম ও নারিকেল ফসলে। বিভিন্ন ধরনের ইঁদুরের মধ্যে কালো ইঁদুর, মাঠের বড় কালো ইঁদুর, নরম পশমযুক্ত মাঠের ইঁদুর ও ছোট লেজযুক্ত ইঁদুর ধানের ক্ষতি করে। এদের মধ্যে কালো ইঁদুর মাঠে ও গুদামে এবং মাঠের বড় কালো ইঁদুর নিচু ভূমির জমিতে বেশি আক্রমণ করে। ইঁদুর যে কোনো পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়ে দ্রুত বংশ বিস্তার করতে পারে।

উপযুক্ত এবং অনুকূল পরিবেশে একজোড়া প্রাপ্ত বয়স্ক ইঁদুর বছরে প্রায় ২০০০টি বংশধর সৃষ্টি করতে পারে। বাচ্চা প্রসবের পর ২ দিনের মধ্যেই স্ত্রী ইঁদুর পুনরায় গর্ভধারণ করতে পারে। এদের গর্ভধারণকাল প্রজাতিভেদে ১৮-২২ দিন হয়। সারা বছরই বাচ্চা দিতে পারে। মাঠ ফসলের শতকরা ৫ থেকে ৭ ভাগ এবং গুদামজাত শস্যের ৩ থেকে ৫ ভাগ ইঁদুরের দ্বারা ক্ষতি হয়।

ইঁদুর শুধু আমাদের খাদ্য শস্য খেয়ে নষ্ট করে তাই নয় বরং এদের মলমূত্র, লোম খাদ্যদ্রব্যের সাথে মিশে টাইফয়েড জন্ডিস, প্লেগ, চর্মরোগ ও ক্রিমিরোগসহ প্রায় ৬০ ধরনের রোগ ছড়াতে পারে।