সোমবার-৯ ডিসেম্বর ২০১৯- সময়: সকাল ৮:২১
চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ীর রেল যোগাযোগের কাজ দ্রুত এগিয়ে ঘোড়াঘাটে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা নবাবগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ধামইরহাটে জমি জমা সংক্রান্ত সংঘর্ষে নিহত-১ জাকারিয়া মন্ডলের পাহাড়ের ভাঁজে মহাকাব্য বিরামপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা বিরামপুরে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ শুরু মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিরামপুরে রক্তদান কর্মসূচি বিরামপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চোখের অপারেশন বিরামপুরে সাংবাদিকের বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় আটক-১

Daily Archives: November 17, 2019

ঘোড়াঘাটে বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা বাগান করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-মাল্টা বাগান করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে আবু সাঈদ, তার এই সাফল্য দেখে অনেকেই ইতিমধ্যে বাণিজ্যিক ভাবে মাল্টা বাগান করার উদ্দোগ গ্রহন করেছেন।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা গ্রামের আবু সাঈদ পেশায় মাছ চাষি হলেও ব্যতিক্রম কিছু করার আসায় তার নিজ উদ্দোগে গড়ে তুলেছেন মাল্টা বাগান।

মাএ এক একর জমিতে মাল্টা বাগান করে পেয়েছেন সাফল্য। তার এই সাফল্যতা দেখে মাল্টা চাষে আগ্রহ হয়ে উঠছেন অনেকে। ইতিমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সারা পেয়েছে, আর এরি মধ্যে বাণি্িযক ভাবে মাল্টা চাষে বেশ সারা দেখা দিয়েছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলার পালাশা গ্রামের অবু সাঈদ পেশায় মাছ চাষি হলেও সে ব্যতিক্রম কিছু করার আসায় পরিহ্মা মুলক মাল্টা চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সারা পেয়েছেন।

এ বছরে এক একর জমিতে মাল্টা বাগান শুরু করে ব্যাপক সাফল্য পাওয়ায় আগামীতে আরো বেশী বাগান করবেন। তার এক-একটি মাল্টা গাছে ১৫ থেকে ২০টি ফল হয়েছে এবং তা খুব সু-সাদু ও মিষ্টি।

তিনি পরিত্যাক্ত জমিতে মাল্টা বাগান করে বেশ সাফল্য পাওয়ায় তার দেখা দেখি স্থানীয় বেকার যুবকরা ইতিমধ্যে বাণিজ্যিক ভাবে ২৫-৩০টি মাল্টা বাগান করে তারা উত্তরঅঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাল্টার চাহিদা পুরন করবে বলে এমনটি বলছেন এ এলাকার মাল্টা চাষিরা। এ দিকে কৃষি অসির বলেন কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করার প্রত্যায় ব্যক্ত করেছেন।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি অফিসার একলাস হোসেন সরকার  জানান, এ উপজেলায় ২০ থেকে ২৫টি মাল্টা চাষিদেক প্রশিহ্মনসহ সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছেন।

নাটোরের প্রতিবন্ধি প্রবীণ দম্পত্তি ভাতা নয়, চায় মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

করিম মৃধা,নাটোর প্রতিনিধি-নাটোর জেলার ছাতনী ইউনিয়নের আগদিঘা গ্রাম। এই গ্রামটি দ্বিতীয় মুজিবনগর নামে অনেকের কাছে পরিচিত। তার কারণ, এই গ্রামের শতভাগ মানুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে ১৯৭১ সালে দেশ রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া সহ বিভিন্নভাবে অবদান রাখেন। পাশাপাশি এই গ্রামের শতভাগ মানুষ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেয় ও ভোটাররা ভোট প্রদান করেন।

৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প স্থাপন করা হয় এই গ্রামের গমীর মন্ডলের বাড়ি। গমীর মন্ডলের স্ত্রী, ৪ ছেলে ও ১মেয়ে সকলেই ক্যাম্পের কমান্ডার, প্রশিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীণ দীর্ঘ ৪ মাস রান্না করে খাওয়ানো, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করেছিলেন। পাশাপাশি গমীর মন্ডলের ৪ ছেলে সক্রিয়ভাবে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

১৯৮৭ সালে গমীর মন্ডল মারা যাওয়ার ৮ বছর পর মারা যায় তার স্ত্রী রূপজান বেওয়া। তাদের ৪ ছেলের মধ্যে মৃত সাদেক আলী মন্ডল, মৃত নজিরউদ্দিন মন্ডল ও আব্দুস সামাদ মন্ডল মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেও আরেক ছেলে আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ভাগ্যে আজও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোন সম্মাননা বা স্বীকৃতি। এদিকে বয়সের ভাড়ে নুয়ে পড়েছেন আব্দুস সাত্তার মন্ডল (৭৮)।

প্রায় ১৫ বছর আগে শিমুল গাছ থেকে তুলা পাড়তে গিয়ে পা পিছলে মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হয় এবং তারপর থেকে কোমড় থেকে নীচ অবধি অচল হয়ে পড়ে তার।

অপরদিকে ১০ বছর আগে চোখের অপারেশন করাতে গিয়ে দুচোখের দৃষ্টি চিরতরে হারান স্ত্রী সোহাগী বেগম (৬৮)। বর্তমানে অসহায় ও প্রতিবন্ধি হয়ে মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এই দম্পত্তি।

রবিবার সকালে আগদিঘা গ্রামে সরেজমিনে গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিত হওয়ার সংবাদ শুনে ছুটে আসেন ওই গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা ছবেদ আলী সেখ, মনিরুদ্দিন সরদার, হাবিবুর রহমান মুসল্লী, জেহের আলী প্রধান, কাইমউদ্দিন খান, আয়ুব আলী হাজরা সহ আশে-পাশের ২২ জন মুক্তিযোদ্ধা।

এ সময় তারা বলেন, আব্দুস সাত্তার মন্ডল ও তার স্ত্রী সহ মৃত গমীর মন্ডলের পরিবারের প্রত্যেক নারী-পুরুষ মুক্তিযুদ্ধে যে অবদান রেখেছিলো তাতে সকলকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া দেশ ও সরকারের মানবিক দায়িত্ব ছিলো। কিন্তু মৃত গমীর মন্ডলের তিন ছেলেকে এই স্বীকৃতি দিলেও কোন এক ভুলে বা সঠিক যোগাযোগ না ঘটায় বাদ পড়ে যায় আব্দুস সাত্তার মন্ডল।

ছাতনী ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন সরকার আক্ষেপের সাথে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আব্দুস সাত্তার মন্ডল সরাসরি অংশ নেন। ৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারিখে রাজাকারদের গোপন সভায় হানা দিয়ে ৯ রাজাকারকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখেন ওই আব্দুস সাত্তার মন্ডল সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা।

রাজাকার হত্যার পর যেনো পাক বাহিনী গ্রামে হামলা করতে না পারে জন্য পাশ^বর্তী হোজা নদীর পারে অস্ত্র নিয়ে দিন-রাত অবস্থান নিয়েছেন ওই আব্দুস সাত্তার মন্ডল সহ সহযোগীরা।

এছাড়া আব্দুস সাত্তার মন্ডলের স্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে যেভাবে রাত-দিন রান্না করা, থালা-বাসন ও কাপড়-চোপড় ধৌত করা এবং খাওয়ানোর কাজ করেছেন তাতে তাকে সহযোগী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া দেশের ও সরকারের নৈতিক দায়িত্ব হয়ে পড়েছে।

একই ইউনিয়নের আমহাটি শিবপুর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে কথা হয় আব্দুস সাত্তার মন্ডল ও তার স্ত্রীর সাথে। চিরতরে অবশ হয়ে যাওয়া দুটি পা এলিয়ে দিয়ে মেঝেতে বসে থাকা বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তার মন্ডল কাঁপা কন্ঠে বলেন, কোন ভাতা নয়, ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম’ শুধু এইটুকু স্বীকৃতি রাষ্ট্র আমাকে দিলে আমি মরেও শান্তি পেতাম। স্ত্রী সোহাগী বেগম তখন সেই দীর্ঘ ৪ মাসের কষ্ট ও ত্যাগের স্মৃতিচারণ এবং বয়ে চলা অসায়ত্বের বর্ণনা করতে গিয়ে তার অন্ধ দুই চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে রংহীন পানি।

নবাবগঞ্জে ইঁদুর কেটে ফেলছে কাঁচা আমন ধানের রোপা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা

এম.এ সাজেদুল ইসলাম সাগর-চলতি আমন রোপা মৌসুমে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মাঠে মাঠে আমন রোপা ধানের কাঁচা গাছ কেটে তছনছ করছে ইঁদুর। কাঙ্খিত উৎপাদন নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

এলাকার উৎপাদনের সাথে জড়িত থাকা কৃষকেরা জানায়, এ বছরে এত পরিমাণ ধানের জমিতে ইঁদুরের উৎপাৎ দেখা দিয়েছে তা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কৃষকেরা আমন মৌসুমে প্রথমের দিকে অতিরিক্ত সেচ দিয়ে রোপন করেছে আমন ধান। মাঠে মাঠে ফসলের রোপা কেটে ক্ষতি করছে ইঁদুর।

কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ নিয়ে ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ ডিলারদের নিকট থেকে ইঁদুর নিধনের ঔধুষ ক্রয় করে জমিতে প্রয়োগ করলেও ইঁদুরের উপদ্রব কোনভাবেই কমছে না।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার ৭নং দাউদপুর ইউনিয়নের দাউদপুর ব্লকের কৃষ নাজিমুদ্দিন দুঃখ ও আক্ষেপ করে জানান, অতিকষ্টে আমন ধান রোপন করেছে। অতিরিক্ত সেচও দিতে হয়েছে। যে পরিমাণ খরচ হয়েছে তা ফসলে উঠবে কিনা তা নিয়ে সংশয় তো রয়েছেই অপরদিকে ইঁদুরের আক্রমণ। মাঠে যেতে মন চায় না।

জমির যেদিকে তাকাই শুধু কাচা তাজা গাছ বিনষ্ট করছে ইঁদুর। কেটে ফেলা ধানের গাছ বস্তা ভর্তি করে বাড়িতে এনে গরু খেতে দিতে হচ্ছে। উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশংকা করছেন নাজিমুদ্দিনসহ আরোও অনেক কৃষক।

এদিকে, উপজেলার ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের শওগুনখোলা গ্রামের কৃষক আমিরুল ইসলাম, ২নং বিনোদনগর ইউনিয়নের চাকপাড়া গ্রামের আবুল কাশেম তারা জানান, এখনই ইঁদুর নিধনের ব্যবস্থা নিতে না পারলে পরবর্তী ইরি বোরো আবাদে আরোও সমস্যার আকার ধারণ করতে পারে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, আমরা বিষ টোপ দিয়ে জমিতে ইঁদুর নিধনের কার্যকারী ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিচ্ছি। উঁচু শ্রেনীর জমিতে পানি না থাকায় সেখানেই ইঁদুরের উপদ্রব দেখা যাচ্ছে। আর ইঁদুর দিনের বেলায় কাটে না রাতেই কেটে থাকে। কৃষকদের সার্বক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়াসহ পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

৭নং দাউদপুর ইউনের দোমাইল ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফাত্তাউজ্জামান জানান, ইতোমধ্যেই মাঠে গিয়ে বাস্তব অবস্থা দেখে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। এদিকে কৃষিবিদগণ জানান- ইঁদুর সবার কাছে পরিচিত স্তন্যপায়ী মেরুদণ্ডী বালাই যা মানুষের সাথে নিবিঢ়ভাবে সহাবস্থান করে।

এ প্রাণী প্রতিনিয়তই কৃষকের কষ্টার্জিত ফসলের ক্ষতিসাধন করছে যেমন- মাঠের শস্য কেটেকুটে নষ্ট করে, খায় এবং গর্তে জমা করে। মাঠের ফসল উৎপাদন ও গুদামজাত শস্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ইঁদুর এক বিরাট সমস্যা।

ইঁদুর বেড়িবাঁধ ও বিভিন্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে গর্ত করে এবং মাটি সরিয়ে বাঁধ দুর্বল করে ফেলে। ফলে বাঁধ ভেঙে পানি দ্বারা প্লাবিত হয়ে বাড়িঘর, ফসলাদি ও গবাদিপশুর যে ক্ষতি সাধন করে তার আর্থিক মূল্য বিবেচনা করলে ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যাবে।

ইঁদুর দ্বারা প্রাথমিক ক্ষতি হয় ধান, গম, বাদাম ও নারিকেল ফসলে। বিভিন্ন ধরনের ইঁদুরের মধ্যে কালো ইঁদুর, মাঠের বড় কালো ইঁদুর, নরম পশমযুক্ত মাঠের ইঁদুর ও ছোট লেজযুক্ত ইঁদুর ধানের ক্ষতি করে। এদের মধ্যে কালো ইঁদুর মাঠে ও গুদামে এবং মাঠের বড় কালো ইঁদুর নিচু ভূমির জমিতে বেশি আক্রমণ করে। ইঁদুর যে কোনো পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়ে দ্রুত বংশ বিস্তার করতে পারে।

উপযুক্ত এবং অনুকূল পরিবেশে একজোড়া প্রাপ্ত বয়স্ক ইঁদুর বছরে প্রায় ২০০০টি বংশধর সৃষ্টি করতে পারে। বাচ্চা প্রসবের পর ২ দিনের মধ্যেই স্ত্রী ইঁদুর পুনরায় গর্ভধারণ করতে পারে। এদের গর্ভধারণকাল প্রজাতিভেদে ১৮-২২ দিন হয়। সারা বছরই বাচ্চা দিতে পারে। মাঠ ফসলের শতকরা ৫ থেকে ৭ ভাগ এবং গুদামজাত শস্যের ৩ থেকে ৫ ভাগ ইঁদুরের দ্বারা ক্ষতি হয়।

ইঁদুর শুধু আমাদের খাদ্য শস্য খেয়ে নষ্ট করে তাই নয় বরং এদের মলমূত্র, লোম খাদ্যদ্রব্যের সাথে মিশে টাইফয়েড জন্ডিস, প্লেগ, চর্মরোগ ও ক্রিমিরোগসহ প্রায় ৬০ ধরনের রোগ ছড়াতে পারে।

কমেছে সময় ও দুর্ঘটনা,ঝালকাঠিতে ১৪ কি.মি মহাসড়ক নির্মাণ, স্বস্তিতে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা

ঝালকাঠি প্রতিনিধি-ঝালকাঠির আঞ্চলিক মহাসড়কের ১৪ কিলোমিটার অংশ উন্নত প্রযুক্তি আর মানসম্পন্ন কাঁচামাল ব্যবহারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এটি অন্তত পাঁচ বছর অক্ষত থাকার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা। যদিও নির্মাণের পর বছর না পেরোতেই দেশে বেশিরভাগ সড়কে উঠে যায় বিটুমিন।

হালকা বৃষ্টিতে তৈরি হয় খানাখন্দ। এক বছর আগেও বরিশাল-ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কেরএই ১৪ কিলোমিটার ছিলো দুর্ভোগের আরেক নাম। মাঝপথে যানবাহন অচল, দুর্ঘটনা ছিলো প্রতিদিনের আতংক। এইটুকু পথ যেতেই লাগতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

সরকারের টেকসই উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে নতুন করে এই ১৪ কিলোমিটার অংশ তৈরি করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এতে যাত্রার সময় কমে এসেছে কয়েক মিনিটে। ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কে ব্যবহার ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত প্রযুক্তি ও কাঁচামাল। নিশ্চিত করা হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ গ্রেডের বিটুমিন ও এলসি পাথরের ব্যবহার।

জানা গেছে, ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কটি এখন ২৪ ফুটে পরিণত হয়েছে। ‘গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রকল্প বরিশাল জোন’ এর আওতায় নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের মার্চ মাসে।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সড়কের কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও দু’মাস আগেই এর নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। সড়কটি নির্মাণে উন্নত মানের কাঁচামাল ব্যবহার করা হয়েছে। সড়কটির প্রশস্ততা কম থাকায় আগে দু’টি গাড়ী পাশাপাশি অতিক্রম করতে সমস্যার সৃষ্টি হত।

তাছাড়া খানা-খন্দকে পরিপূণ থাকায় প্রাই ঘটত দুর্ঘটনা। এসব বিষয়ের দিকে খেয়াল রেখে সড়কটি ১৮ ফুট থেকে বাড়িয়ে ২৪ ফুট প্রশস্ত করা হয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন যন্ত্রপাতি দিয়ে নির্মাণের ফলে সড়কটি অধিক টেকসই এবং মসৃণ হয়েছে। এর ফলে কমেছে যাতায়াতের সময় এবং দুর্ভোগ।

সড়কে যাতায়াতকারী যানবহন চালক ও যাত্রীরা জানান, ভাঙ্গাচোর রাস্তার কারণে ঝালকাঠি থেকে বিভাগীয় শহর বরিশাল যেতে তাদের আগে ভোগান্তি পোহতে হত। বর্তমানে সড়কটি সংস্কার ও চওড়া হওয়ায় দ্রুত এবং স্বাচ্ছন্দে চলাচলা করতে পারছেন।

এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এম.খান লিমটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহফুজ খান জানান, এই সড়কটি নির্মাণের ক্ষেত্রে আমরা বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। এলসি পাথর দ্বারা নির্মিত সড়কটিতে ৬০ থেকে ৭০ গ্রেডের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে এ সড়কটি আগামী ৫ বছরের মধ্যে কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন জানান, নিয়মিত উপস্থিত থেকে সড়টির কাজ তদারকি করেছি। যেখানে মেটারিয়ালস মিক্সিং হয় সেই প্লান্টেও সার্বক্ষণিক আমাদের লোক উপস্থিত ছিলো।

রাজাপুরে ব্যক্তি উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রীজ নির্মান, বই ও বেঞ্চ প্রদান

ঝালকাঠি প্রতিনিধি-ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি ও রাজাপুর উপজেলা যুবলীগেরসহ সভাপতি মঠবাড়ি ইউনিয়নের সমাজসেবক দানশীল প্রবাসী মোঃ আব্দুর রব হাওলাদারের আর্থিক সহযোগীতায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের মঠবাড়ি স্কুলের সামনের খালের উপরে ব্রীজ নির্মান করেছেন।

শিক্ষার্থীদের কষ্টের কথা চিন্তা করে স্ব-প্রনোদিত হয়ে ওই ব্রীজ নির্মানে ব্যক্তি উদ্যোগ নেয়া হয়। ফলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ এলাকাবাসীর চলাচলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাগব হয়েছে। ব্রীজ নির্মানের উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা।

এ ছাড়া সমাজসেবক মোঃ আব্দুর রব হাওলাদারের আর্থিক সহায়তায় এবং উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি মোঃ সবুর হাওলাদারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাদুরতলা দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বসার বেঞ্চ তৈরিতে সহায়তা করা হয়েছে এবং হাইলাকাঠি ডহরশঙ্কর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতি বছর গাইড বই বিতরন করা হয়।

জানতে চাইলে মঠবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা আ’লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমান ডেজলিং তালুকদার জানান, সমাজসেবক আব্দুর রব হাওলাদার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার গরীর ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা, মসজিদ উন্নয়ন ও মাহফিলে দান করে যাচ্ছেন ।

আব্দুর রব হাওলাদার জানান, এলাকার উন্নয়নে এবং এলাকার মানুষের কল্যানে নিজের সাধ্যমত কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সহযোগীতা পেলে এলাকার এ উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে এবং গরীব অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সহযোগীতা করে যাবেন। তিনি সকলের সহযোগীতা ও দোয়া কামনা করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ প্রসঞ্জী রায়এর পাশে- এমপি গোপাল

ফজিবর রহমান বাবু- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ প্রসঞ্জী রায় নামে এক বৃদ্ধার খোজ পেয়ে তার সাথে দেখা করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সুজালপুর ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রামের প্রসঞ্জ রায় এর বর্তমান বয়স প্রায় ৯০ বছর।

তার খোজ পেয়ে ৯ নভেম্বর শনিবার রাতে এমপি গোপাল তার বাসায় যান এবং সেখানে সেই বৃদ্ধার সার্বিক খোজ খবর নেন। এসময় প্রসঞ্জী রায় এমপিকে তার দেখা মুক্তিযুদ্ধের কিছু স্মৃতির কথা বলেন। প্রসঞ্জী রায় বলেন, মুক্তিযুদ্ধে চলাকালিন তার কোমরের বাম দিকে গুলি লাগে। বর্তমানে সেই বৃদ্ধা তার এক ছেলে ধিরেণকে নিয়ে জরাজীর্ণ জীবন যাপন করছেন। পরে মনোঞ্জন শীল গোপাল এমপি তার পাশে সব সময় থাকবেন এবং তাকে একটি বাড়ী নির্মান করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. নুর ইসলাম নুর, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মহেশ চন্দ্র রায়, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান গোপাল দেব শর্মা, জেলা পরিষদের সদস্য মো. আতাউর রহমান বাবু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়শা আক্তার বৃষ্টি, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম ফিরোজ আলম, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের জেলা শাখার আহবায়ক মো. কামাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. ইয়াসিন আলী, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রতন ঘোষ পিযুস, সুজালপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সতিশ চন্দ্র রায়, ইউপি সদস্য মো. দুলাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

মোসলেম উদ্দিন, হিলি,দিনাজপুর-মুসলমানদের পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানিসহ সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

হিলি পানামা পোর্ট লিংকের সহকারী ব্যবস্থাপক আশিক কুমার শ্যানাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল থেকে সরকারী ছুটি থাকায় দু-দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে আগামীকাল সোমবার সকাল থেকে যথারীতি নিয়মে বন্দরের সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।

এদিকে, হিলি ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসার ইনচার্জ রফিকুজ্জামান জানায়,ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানিসহ কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল হাসপাতালে লাইভ ওয়ার্কশপে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় রিং (স্টেন্ট) সফল প্রতিস্থাপন সম্পন্ন

দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও বাংলাদেশ রেডিয়াল ইন্টারভেশন কোর্সের (বিআরআইসি) উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী কমপ্লেক্স ট্রান্সরেডিয়াল ইন্টারভেশন ও পিটিএমসির লাইভ ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়।

এই ওয়ার্কশপের অধীনে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাথল্যাবে ৫টি সিটিও, ২টি ক্যালসিফাইড ও ২টি সিম্পল রিশনসহ মোট ৯ জন রোগীর হাতের রক্তনালীর মাধ্যমে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ডিসটাল রেডিয়াল ও আলনার রুট ব্যবহার করে হৃদপৃন্ডের ধমনীতে সরকার নির্ধারিত স্বল্পমূল্যে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে ২ জন রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিজ সরু হার্টভাল্ব(মাইট্রাল স্টেনোসিস) রোগীর পিটিএমসি প্রসিডিউরের মাধ্যমে সফল ভাবে চিকিৎসা করা হয়।

দিনাজপুর পর্যটন মটেল ও দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ ও ৯ নভেম্বর শুক্র ও শনিবার দুই দিন ব্যাপী এই ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে লাইভ ওয়ার্কশপের মাধ্যমে এত রোগীর ট্রান্সরেডিয়াল রুটে স্টেন্ট সফল ভাবে প্রতিস্থাপন এটাই প্রথম।

দুই দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপে উপস্থিত ছিলেন, দেশবরেন্য ইন্টারভেশনাল কার্ডিওলজিষ্ট, ব্রিক (বিআরআইসি) এর কোর্স ডাইরেক্টর, বিএসসিআই এর সেকেটারী জেনারেল এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডাঃ মীর জামাল উদ্দিন, ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসাপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সিএম শাহীন কবির ও এনআইসিভিডির ইন্টারভেশনাল কার্ডিওলজিষ্ট ডাঃ মোঃ সাকীফ শাহরিয়ার।

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এএফ খবির উদ্দিন আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহরিয়ার কবীর ও ডাঃ মোঃ বসির উদ্দিনসহ হৃদরোগ বিভাগের পুরোটীম সহযোগীতায় ছিলেন।

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাথল্যাবে উক্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর ডাঃ নাসিমা সুলতানা। এ সময় তিনি সন্তুটি প্রকাশ করে কার্ডিওলজি বিভাগের কার্যক্রমের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

অধ্যাপক ডাঃ মীর জামাল উদ্দিন বলেন, পায়ের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করলে রোগীর প্রচন্ড কষ্ট হয়। দুই তিন দিন হাটতে পারেনা । অনেক সময় রক্তক্ষরণসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করা হলে রোগীর কোন কষ্ট হয়না। জটিলতা নেই বললেই চলে। রোগীর ঝুকি কম থাকে।

লাইভ ওয়ার্কশপের মাধ্যমে এত রোগীর ট্রান্সরেডিয়াল রুটে স্টেন্ট ওয়ার্কশপের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চাইলে সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহরিয়ার কবীর বলেন, আমি আগেও হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করেছি। জটিল রোগীদের ক্ষেত্রে এটা করার সাহস পেতাম না। কিন্তু এই ওয়ার্কশপে যে অভিজ্ঞতা অর্জন হল তা দিয়ে আমি এখন অনেক ঝুকিপূর্ণ রোগীরও হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করতে পারব। যাতে করে রোগীর কষ্টও কম হবে, সময় কম লাগবে ও রোগীর অর্থনৈতিক সাশ্রয় হবে।

ধামইরহাটে তিন ভূয়া ডিবি পুলিশ আটক

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি-নওগাঁর ধামইরহাটে ছিনতাইকালে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়দানকারী তিন যুবককে আটক করা হয়েছে। রোববার ভোর ৫ টার দিকে উপজেলার বড়থা বাজারের পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন উপজেলার দাদনপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে এখলাস হোসেন স¤্রাট (২০) পতœীতলা উপজেলার চকজয়রাম গ্রামের শাহিদ শেখের ছেলে নাহিদ হোসেন (২৫) ও বাবনাবাজ গ্রামের গৌরচন্দ্র মন্ডলের ছেলে বিকাশ চন্দ্র মন্ডল (৩৪)।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ধামইরহাট উপজেলাধীন ফতেপুর-মাতাজী বাইপাস রাস্তা দিয়ে আড়ানগর ইউনিয়নের দুই সবজি ব্যবসায়ী ভোরবেলা সবজি কেনার উদ্দেশ্যে ইজিবাইকে বদলগাছী উপজেলার দিকে রওনা দেন। পথে কাজিপুর ডাবল ব্রীজের দক্ষিণে বড়থা বাজারের নিকট একটি মোটর সাইকেলে থাকা তিন যুবক ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করে। পরে ওই তিন যুবক নিজেদেরকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে কত টাকা আছে জানতে চায়। এতে ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হলে তারা চিৎকার শুরু করে। তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে নাহিদ হোসেন ও বিকাশ চন্দ্রকে আটক করে থানার সোর্পদ করে। তবে অপর যুবক স¤্রাট পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর সহায়তায় থানা পুলিশ স¤্রাটকে পলাশবাড়ী গ্রাম থেকে আটক করে।

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করে। একজন পালিয়ে গেলেও পরে তাকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানা ছিনতাইয়ের মামলা,ভূয়া পুলিশ পরিচয়ের মামলা দায়ের করা হয়েছে।