বৃহস্পতিবার-২১ নভেম্বর ২০১৯- সময়: রাত ১:০৩
বিরামপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চোখের অপারেশন বিরামপুরে সাংবাদিকের বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় আটক-১ ৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১কেজি পেয়াজ বিরামপুরের বাজারে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানব সেবা করতে চাই-পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হুমায়ুন কবীর বিরামপুরে নেশার ইনজেকশন ও ফেন্সিডিলসহ আটক-৩ হিলি চেকপোস্টে বিজিবি’র গোয়েন্দা সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হয়রাণীর অভিযোগ বিরামপুরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত বিরামপুরে প্রকল্প সমাপনী কর্মশালা গরীব ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে আমি শান্তি পাই জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে আজও চালু হয়নি, নবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

Daily Archives: November 13, 2019

শিবলী সাদিক এমপি আইসিটি স্কুলে বাস উপহার দিলেন

আজ বিরামপুর পৌর শহরে আইসিটি স্কুল বাস এর চাবি হস্তান্তর করেন,আইসিটি স্কুল এর প্রতিষ্ঠা শিবলী সাদিক এমপি। অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ ইউনুছ আলীর হাতে চাবি হস্তান্তর করেন।

এ সময় প্রধান শিক্ষক, শিক্ষকসহ ও বিরামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিরামপুরে আগর চাষে সম্ভাবনার হাতছানি

আঃ রাজ্জাক,বিশেষ প্রতিনিধি-আগরগাছ আগরবাতি ও সুগন্ধি উৎপাদনকারী গাছ। এই আগরের চাষ হচ্ছে উত্তরের জেলা দিনাজপুরের বিরামপুরে।

উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের কালিশহর শালবন এলাকায় ৪ হেক্টর জুড়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চাষ হচ্ছে আগর বাগান।

জ্বালানি কাজে ব্যবহার ছাড়াও আগর কাঠ থেকে পারফিউম, তেল, আতর, সুগন্ধি, আগরবাতি, ওষুধ তৈরি হয়। অনেকেই তরল সোনা হিসেবেও বিবেচনা করেন সুগন্ধি ছড়ানো আতরকে। পরিত্যক্ত জমিতে বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার দু’পাশে, পতিত জমি, টিলায় এগাছ লাগানোর উপযোগী।

সরেজমিনে দেখা যায়, শাখা-প্রশাখাবিহীন সোজা লম্বা দেখতে গাছটি এবং আকার আকৃতিতে অনেকটা শাল বা গজারি গাছের মতো। এ গাছে সাদা রঙের ফুল এবং ফল ক্যাপসুল আকৃতির হয়। আগর গাছের পাতা দেখতে অনেকটা লিচু বা বকুল গাছের পাতার মতো।

চরকাই ফরেষ্ট রেঞ্জের বীট কর্মকর্তা আব্দুল বারিক বলেন, পরিপূর্ণ বয়সে গাছ শুকিয়ে গেলে প্রায় ৬০-৭০ ফুট উচ্চতা হলে গাছটি কেটে ছোট ছোট টুকরা করে তা কিছু দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়। এরপর কারখানায় বিশেষভাবে নির্মিত চুল্লিতে রেখে তাপ দেওয়া হয়। তাপ দেওয়ার পর বিশেষ ব্যবস্থায় আগর থেকে আগর অয়েল পাওয়া যায়। যা পরবর্তী সময় আতরসহ সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে গাছের টুকরো থেকে সলিড আগর পাওয়া যায়।

চরকাই ফরেষ্ট রেঞ্জ অফিস সূত্রে জানা যায়, এই অঞ্চলে এটি একটি পরীক্ষামূলক বাগান। মহামূল্যবান এ গাছে ফুল আসে বর্ষা মৌসুমে ও ফল আসে তার ৩ মাস পরে। বালি ভর্তি প্যাকেটে বীজ বপন করে বীজতলা থেকে চারা জন্মানো হয়।

আগরকাঠ সংগ্রহ করতে প্রায় ৩০ বছর বা বেশী সময় লাগে। অনেক সময় কৃত্রিম উপায়ে ১০ বছর পরে কাঠ সংগ্রহের উপযোগী করা হয়। আগরের গাছে আগর সংগ্রহ করার জন্য সারা গাছে লোহার পেরেক ঢুকিয়ে রেখে দেওয়া হয়।

উৎপাদিত আগরের সবচেয়ে বড় বাজার এখন মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে।এছাড়াও ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপানেও আগর রপ্তানি হয়।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিকছন চন্দ্র পাল আগর পরিচর্যা বিষয়ে বলেন, আগর বাগানে ভার্মি কম্পোস্ট, কেঁচো সার, আইএসপি, এমডিএফ, ইউরিয়া, জিংক সার ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, আগর বাগানে সাধারণত শাকসবজি ও ডাল জাতীয় ফসল চাষ করা যায়। আদা এবং হলুদও চাষ করা হয়। তাছাড়া সুপারি, কফি, রাবার, এলাচ, পামগাছসহ অধিকাংশ বনজ গাছ আগর গাছের সাথে মিশ্র ফসল হিসেবে চাষ করা যায়।

৩নং খানপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলি বলেন, প্রায় ১২ বছর আগে আমাদের ৬ জনের সহযোগিতায় সামাজিক বনায়নের আওতাভূক্ত চরকাই সদর বীটে এই আগরবাগান তৈরি হয়।

রপ্তানিমুখী এ শিল্পের বিকাশে আগর গাছের উপর গবেষণা জোরদার, চাষ সম্প্রসারণ ও ব্যবস্থাপনাসহ প্রক্রিয়াজাতকরণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে আধুনিকায়ন করার উদ্যোগগুলো গ্রহণ করলে শিল্পের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, ফলে দেশের সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়ক হবে। এই অঞ্চলে শ্রমের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে ফলে গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।

স্থাপত্যের নিদর্শন সুরা মসজিদ

ইতিহাস-ঐতিহ্য ডেস্ক-দিনাজপুর জেলার স্থাপত্য ঐহিত্যের অপরূপ নিদর্শন সুরা মসজিদ। মসজিদটি ঘোড়াঘাট থেকে প্রায় পাঁচ মাইল পশ্চিমে এবং হিলি থেকে প্রায় ১২ মাইল পূর্বে হিলি-ঘোড়াঘাট সড়কের চোরগছা মৌজায় অবস্থিত।

মসজিদটি সুরা নামক স্থানে নির্মিত বলে এটি সুরা মসজিদ নামে পরিচিত। কেউ কেউ এটিকে সুজা মসজিদ নামেও অভিহিত করেন।

এখানে রাস্তার উত্তর পার্শ্বে একটি প্রাচীন দিঘি রয়েছে। দক্ষিণ পাড়ের মধ্যভাগে একটি প্রশস্ত ঘাট রয়েছে। কারও মতে ঘাটটি প্রায় ৫০ ফুট প্রশস্ত ছিল।

দীঘির ঘাট থেকে প্রায় ১০০ ফুট দক্ষিণ-পশ্চিমে দীঘির দক্ষিণ পাড়ের পশ্চিমাংশের দক্ষিণ দিকে এবং সদর সড়কের উত্তর দিকে প্রায় চার ফুট উঁচু একটি সমতল প্লাটফর্ম রয়েছে। এর পশ্চিম ভাগেই সুলতানী বাংলার অনন্য স্থাপত্য সুরা মসজিদ অবস্থিত।

মসজিদটির একটি বর্গাকার এক গম্বুজ বিশিষ্ট নামাজ কক্ষ এবং পূর্ব ভাগে ছোট তিন গম্বুজ বিশিষ্ট একটি বারান্দা রয়েছে। এরূপ নকশার মসজিদ উত্তর বাংলায় পঞ্চদশ শতকের শেষ দিকে এবং ষোড়শ শতকে খুবই জনপ্রিয় ছিল।

মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণে বাহির দেওয়ালে ব্যবহৃত ইটের সুক্ষ্ণ রিলিফ নকশার সাদৃশ্য পাওয়া যায় ১৫২৩ সালে নির্মিত রাজশাহীর বাঘা জামে মসজিদের সাথে।

মসজিদটি নির্মাণে প্রধানত ইট ব্যবহৃত হলেও মসজিদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ স্থান জুড়ে পাথরের ব্যবহার দেখা যায়। মসজিদের প্রত্যেক প্রবেশ পথে ব্যবহৃত চৌকাঠ পাথরের তৈরি। সিঁড়িতে ব্যবহৃত পাথরগুলোতে মূর্তি উৎকীর্ণ ছিল, যা এখন প্রায় নিশ্চিহ্ণ। এতে মুসলিম স্থাপত্যের হিন্দু স্থাপত্য উপকরণ ব্যবহারের দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।
এর গঠন প্রণালী ও স্থাপত্য কৌশল দেখে একটিকে সুলতানী আমলের মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মসজিদের সংযুক্ত ছয়টি টাওয়ারে ব্যবহৃত পাথরের আবরণ এবং মিহরাবে বক্রবার পাথরের ব্যবহার কুসুম্বা মসজিদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

ঘোড়াঘাটে টিএন্ডটি সেবার বেহালদশা বাড়ছে গ্রাহকের দায়ের বোঝা

মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ঘোড়াঘাট- প্রায় এক দশক যাবৎ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভা এলাকার টিএন্ডটি লান্ডফোন সংযোগগুলো চলছে সেবাহীন ও বায়বীয়ভাবে।

সংযোগ খুটি, তার ও ক্যাবিনেটবিহীন অবস্থায় গ্রাহকসেবা না পেলে যথারীতি তাদের নামে বিল হচ্ছে প্রতিমাসেই। অপরদিকে অর্ধযুগের বেশি সময় যাবৎ বিলের কপিও হাতে পাচ্ছে না বেশিরভাগ গ্রাহকরা।

জানা যায়, ২০০৭-০৮ এর দিকে তৎকালীন সরকার বিনা খরচে টিএন্ডটির সংযোগের ঘোষণা দিলে ঘোড়াঘাট পৌরসভার অনেকেই উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে টিএন্ডটি সংযোগ নেন যা বর্তমানে প্রায় ১৩০ টি।

সংযোগ নেয়ার পর খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শুরু হয় গ্রাহক ভোগান্তি। কখনো লাইনে সমস্যা তো কখনো সংযোগ তার বিচ্ছিন্ন।

প্রাথমিক পর্যায়ে স্থানীয় টেলিফোন ভবনের কর্মকর্তারা সমস্যার সমাধান করলেও ধীরে ধীরে দেখা দেয় স্থবিরতা এবং বর্তমানে এই সেবা একেবারে শুন্যের কোঠায়। এরপরের ভোগান্তি আরও করুণ। সময়মতো বিলের কাগজ না পাওয়ায় সংযোগ নেয়ার ২-৩ বছর পর একপর্যায়ে কিছু গ্রাহক স্থানীয় টেলিফোন ভবন অফিসে দৌড়ঝাঁপ করে দিনাজপুরের রাজস্ব অফিস থেকে বিল যে হাতে পেয়েছেন তাতে চোখ চড়র গাছ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। তাতে মোট বিলের যে আকার দাড়িয়েছে তা অধিকাংশ গ্রাহকের কাছেই আপিত্তকর বলে মনে হয়েছে। তাদের অভিযোগ নূনতম বিল না হয়ে সংযোগ তার বিচ্ছিন্ন থাকার পরও তাদের নামে গায়েবি বিল করা হয়েছে।

পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে দেখা যায় কোনো কোনো স্থানে তারবিহীন অবস্থায় টিএন্ডটির খুটি থাকলেও বেশিরভাগ স্থানে টিএন্ডটির খুটি থাকার চিহ্ন পর্যন্ত নেই।

এ সময় কিছু গ্রাহকের সাথে কথা বলেল তারা ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগর ভাষায় বলেন,কিসের টিএন্ডটি,খুটি নাই তার নেই সংযোগ নেই কিসের টিএন্ডটি।

টিএন্ডটি সংযোগ ব্যবহার না করতে পারলেও তাদের নামে বিল হচ্ছে প্রতিমাসেই এবং একদিন না একদিন তা গ্রাহককে পরিশোধ করতেই হবে জানালে তারা আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়েন। গ্রাহকদের ধারনা যেহেতু তাদের টিএন্ডটি সংযোগ তারবিহীন অর্থাৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে সেহেতু বিলের কোনো প্রশ্নই আসেনা।

এ ব্যাপারে ঘোড়াঘাট টেলিফোন ভবনের সুপারভাইজারের সঙ্গে কথা হলে তিনি টিএন্ডটির এই দুরবস্থার কথা স্বীকার করে জানান,পর্যাপ্ত সংখ্যাক লোকবল না থাকায় ও চাহিদা মোতাবেক লাইন মেরামত সামগ্রী না পাওয়ায় তারা গ্রাহকদের সেবা নিশ্চিত করতে পারছেন না।

আত্রাইয়ের জনপদ স্ট্রিটলাইটের আলোয় আলোকিত

নাজমুল হক নাহিদ- নওগাঁর আত্রাইয়ের বিভিন্ন জনপদ এখন স্ট্রিটলাইটের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠেছে।

বিভিন্ন সড়ক ও রাস্তার মোড়, হাট-বাজার ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্ট্রিটলাইট স্থাপিত হওয়ায় এসব এলাকা এখন আলোকিত হয়ে উঠেছে। সরকারের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) প্রকল্পের অর্থ দ্বারা এসব স্ট্রিটলাইট স্থাপন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৮ ইউনিয়নে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৫৯লাখ ৮২ হাজার ৫৬৯ টাকা ব্যয়ে ২৮০ টি স্ট্রিটলাইট স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে শাহাগোলা ইউনিয়নে ২৭টি, ভোঁপাড়া ইউনিয়নে ৩৮টি, আহসানগঞ্জ ইউনিয়নে ৩০টি, পাঁচুপুর ইউনিয়নে ৮৭ টি, বিশা ইউনিয়নে ৪৪ টি, মনিয়ারী ইউনিয়নে ২৫ টি, কালিকাপুর ইউনিয়নে ১৪ টি ও হাটকালুপাড়া ইউনিয়নে ১৬ টি স্ট্রিটলাইট স্থাপন করা হয়।

ইডকল প্রতিনিধি সোলার ইনকোম্পানী কর্তৃক সরবারাহকৃত প্রত্যেকটি স্ট্রিটলাইটের প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয়েছে ৫৬ জাহার ৪ শত ৯০ টাকা।

জানা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের প্রচেষ্টায় আত্রাইয়ের জনপদগুলোকে আলোকিত করতে সরকারের বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব লাইট স্থাপন করা হয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে রয়েছে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তর। এসব লাইট স্থাপন হওয়ায় এলাকা হতে অপরাধ প্রবনতা অনেকটা কমে গেছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

দিনের বেলায় সূর্যের আলো থেকে তাপ গ্রহন করে সন্ধ্যার পর আপনা-আপনি জ¦লে উঠে সারা রাত জ¦লে থাকায় এলাকাগুলো আলোকিত হয়ে থাকছে।

উপজেলার জগদাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান বলেন, আমাদের জগদাস বাজারে স্ট্রিটলাইট স্থাপন করায় বাজার এখন সারা রাত আলোকিত থাকে।

বাজারের ব্যবসায়ীদের আর দোকানের বাইরে আর বৈদ্যুতিক বাল্ব জ¦ালিয়ে রাখতে হয় না। ফলে একদিকে বিদ্যুতের সাশ্রয় অন্যদিকে চোরের উপদ্রব হতে বাজার মুক্ত হয়েছে। তারাটিয়া গ্রামের ডিএস জাহিদ বলেন, আমাদের ভাবনীপুর-শাহাগোলা রাস্তাটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা।

এ রাস্তা দিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত লোকজন চলাচল করে থাকে। রাতের বেলায় অন্ধকার রাস্তায় অনেকেই নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করতো। তারাটিয়া ব্রিজের মুখে স্ট্রিটলাইট স্থাপন হওয়াতে জনসাধারণ খুব উপকৃত হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা নভেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, এমপি মহোদয়ের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্থানে স্ট্রিটলাইটগুলো স্থাপন করা হয়েছে এবং তারই তত্বাবধানে আমরা এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছানাউল ইসলাম বলেন, এলাকা থেকে অপরাধ প্রবনতা কমিয়ে আনতে রাস্তাগুলোকে আলোকিত করা খুবই জরুরী।

আর এ প্রয়োজনীয়তা পুরো করা হচ্ছে এ প্রকল্পের মাধ্যমে। তবে লাইটগুলো স্থাপনের পূর্বে পরীক্ষা নিরীক্ষার সুযোগ উপজেলা পর্যায়ে থাকলে আরও ভাল হত।

বিরামপুরে বালু বহনকারী ট্রাক্টর উল্টে শ্রমিক নিহত

মোঃ মাজহারুল ইসলাম তানিম-দিনাজপুর জেলার বিরামপুর বিজুল বাজারে বালু বহনকারী ট্রাক্টর উল্টে এক শ্রমিক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে।

নিহত শ্রমিক হলেন, বিরামপুর পৌর শহরের গড়ের পাড় মহল্লার বাবুল হোসেনের ছেলে পুশি রহমান (২৩)।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় বিরামপুরের শাখা যমুনা নদীর ঘাট থেকে বালু নিয়ে বিজুল বাজারে যাবার পথে বাজারের প্রবেশ মুখেই বালুবাহী ট্রাক্টরটি উল্টে যায়।

সেই সময় ট্রাক্টরে থাকা এক শ্রমিক ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

বিরামপুর থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বালুবাহী মেসি উল্টে যুবক নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।