সোমবার-৯ ডিসেম্বর ২০১৯- সময়: সকাল ৮:২৫
চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ীর রেল যোগাযোগের কাজ দ্রুত এগিয়ে ঘোড়াঘাটে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা নবাবগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ধামইরহাটে জমি জমা সংক্রান্ত সংঘর্ষে নিহত-১ জাকারিয়া মন্ডলের পাহাড়ের ভাঁজে মহাকাব্য বিরামপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা বিরামপুরে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ শুরু মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিরামপুরে রক্তদান কর্মসূচি বিরামপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চোখের অপারেশন বিরামপুরে সাংবাদিকের বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় আটক-১

৭ কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১কেজি পেয়াজ বিরামপুরের বাজারে

বিরামপুর (দিনাজপুর) থেকে-বিরামপুরের দৈনিক খোলাবাজারে নিম্ন চালের মূল্যে ৩০ টাকা আর দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২২০-২৩০ টাকা মূল্যে। সাধারন বাজারিদের জন্য ২৩০ টাকা মূল্যে পেয়াজ কিনতে হচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের প্রভাব পড়েছে। ভ্যান চালক প্রভাস বলেন, ৭কেজি চালের মূল্যে মিলছে ১ কেজি পেয়াজ, এ অবস্থায় থাকলে আমার খাওয়াই মুসকিল।
পিয়াজ মসলা জাতীয় উদ্ভিদ, প্রাচীন কাল থেকেই এর নানামুখী ব্যবহার হয়ে আসছে। মসলা জাতীয় উদ্ভিদ হওয়ায় এর রয়েছে ঔষুধি গুন এবং রসনা বিলাস খাবার তৈরিতে রয়েছে নানান ব্যবহার। বাংলাদেশের গ্রামীন জনপদের প্রতিটি ঘরে রমনীরা দৈনন্দিন খাবার তৈরি ও ভোজনাবিলাসদের জন্য পিয়াজ দিয়ে তৈরি করে মুখরোচক খাবার। আমরা মাছে ভাতে বাঙালী। দৈনন্দিন আহারে সবার প্রিয় ঝোল (রসালো) জাতীয় খাবার সবাই কমবেশি পছন্দ করে।

বাঙ্গালী ঝোল (রসালো) তরকারীতে অভ্যস্ত; তাই এখন তরকারীর ঝোল তৈরিতে পেঁয়াজের পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে হোটেল রেস্তোরায় কাঁচা পেঁপে ও মিষ্টি কদু। একারণে বাজাবে কদর বেড়েছে পেঁপে কদুর।শনিবার ১৬ নভেম্বর সরজমিনে বাজার ঘুরে দিনাজপুরের বিরামপুরে কৃষিনির্ভরশীল ও সিমান্তবর্তী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শবজি হাটে দোকান ঘুরে জানা জায়, দোকানীরা প্রতি কেজি পাতা পেয়াজ পাইকারী দর ৮০ টাকা খুচরা মূল্যে বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। ভারতীয় এলসি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে পাইকারী বাজারে প্রতি কেজি ১৯০ টাকা ও খুচরা বাজারে ২১০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ পাইকারী মুল্যে বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা ও খুচরা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা মূল্যে।

কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী হেলাল হোসেন, জানান, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে মিষ্টি কদু, পেঁপে, মুলা ও বাঁধা কপির দামও বেড়েছে । কারণ হিসেবে তারা বলেন, হোটেলসহ বিভিন্ন খাবারের দোকানে তরি-তরকারি রান্না করার জন্য পেঁয়াজের লাগামহীন মূল্যে দিশেহারা খাবার দোকানীরা বর্তমান পেঁয়াজের পরিবর্তে মিষ্টি কদু ও পেঁপে ব্যবহার করছেন। আর পিঁয়াজু তৈরী ও চটপটিসহ মুখরোচক খাবারের সাথে সালাদ হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে মুলা ও পেঁপে।
এদিকে, স্থানীয় দৈনিক নতুন বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুর রহমান শুক্রবার ১৫ নভেম্বর বেলা ১১.০০ টায় কাঁচা বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে মূল্য তালিকা ও বিক্রি রশিদ দেখাতে না পারায় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে গুনতে হয়েছে জরিমানা।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *