বুধবার-১৩ নভেম্বর ২০১৯- সময়: রাত ১২:১৩
ঘোড়াঘাটে বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা বাগান করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে নাটোরের প্রতিবন্ধি প্রবীণ দম্পত্তি ভাতা নয়, চায় মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নবাবগঞ্জে ইঁদুর কেটে ফেলছে কাঁচা আমন ধানের রোপা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা কমেছে সময় ও দুর্ঘটনা,ঝালকাঠিতে ১৪ কি.মি মহাসড়ক নির্মাণ, স্বস্তিতে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা রাজাপুরে ব্যক্তি উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রীজ নির্মান, বই ও বেঞ্চ প্রদান মুক্তিযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ প্রসঞ্জী রায়এর পাশে- এমপি গোপাল ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল হাসপাতালে লাইভ ওয়ার্কশপে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় রিং (স্টেন্ট) সফল প্রতিস্থাপন সম্পন্ন ধামইরহাটে তিন ভূয়া ডিবি পুলিশ আটক সম্মানি না পেয়ে চিকিৎসা দিতে এলেন হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট!

স্থাপত্যের নিদর্শন সুরা মসজিদ

ইতিহাস-ঐতিহ্য ডেস্ক-দিনাজপুর জেলার স্থাপত্য ঐহিত্যের অপরূপ নিদর্শন সুরা মসজিদ। মসজিদটি ঘোড়াঘাট থেকে প্রায় পাঁচ মাইল পশ্চিমে এবং হিলি থেকে প্রায় ১২ মাইল পূর্বে হিলি-ঘোড়াঘাট সড়কের চোরগছা মৌজায় অবস্থিত।

মসজিদটি সুরা নামক স্থানে নির্মিত বলে এটি সুরা মসজিদ নামে পরিচিত। কেউ কেউ এটিকে সুজা মসজিদ নামেও অভিহিত করেন।

এখানে রাস্তার উত্তর পার্শ্বে একটি প্রাচীন দিঘি রয়েছে। দক্ষিণ পাড়ের মধ্যভাগে একটি প্রশস্ত ঘাট রয়েছে। কারও মতে ঘাটটি প্রায় ৫০ ফুট প্রশস্ত ছিল।

দীঘির ঘাট থেকে প্রায় ১০০ ফুট দক্ষিণ-পশ্চিমে দীঘির দক্ষিণ পাড়ের পশ্চিমাংশের দক্ষিণ দিকে এবং সদর সড়কের উত্তর দিকে প্রায় চার ফুট উঁচু একটি সমতল প্লাটফর্ম রয়েছে। এর পশ্চিম ভাগেই সুলতানী বাংলার অনন্য স্থাপত্য সুরা মসজিদ অবস্থিত।

মসজিদটির একটি বর্গাকার এক গম্বুজ বিশিষ্ট নামাজ কক্ষ এবং পূর্ব ভাগে ছোট তিন গম্বুজ বিশিষ্ট একটি বারান্দা রয়েছে। এরূপ নকশার মসজিদ উত্তর বাংলায় পঞ্চদশ শতকের শেষ দিকে এবং ষোড়শ শতকে খুবই জনপ্রিয় ছিল।

মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণে বাহির দেওয়ালে ব্যবহৃত ইটের সুক্ষ্ণ রিলিফ নকশার সাদৃশ্য পাওয়া যায় ১৫২৩ সালে নির্মিত রাজশাহীর বাঘা জামে মসজিদের সাথে।

মসজিদটি নির্মাণে প্রধানত ইট ব্যবহৃত হলেও মসজিদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ স্থান জুড়ে পাথরের ব্যবহার দেখা যায়। মসজিদের প্রত্যেক প্রবেশ পথে ব্যবহৃত চৌকাঠ পাথরের তৈরি। সিঁড়িতে ব্যবহৃত পাথরগুলোতে মূর্তি উৎকীর্ণ ছিল, যা এখন প্রায় নিশ্চিহ্ণ। এতে মুসলিম স্থাপত্যের হিন্দু স্থাপত্য উপকরণ ব্যবহারের দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।
এর গঠন প্রণালী ও স্থাপত্য কৌশল দেখে একটিকে সুলতানী আমলের মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মসজিদের সংযুক্ত ছয়টি টাওয়ারে ব্যবহৃত পাথরের আবরণ এবং মিহরাবে বক্রবার পাথরের ব্যবহার কুসুম্বা মসজিদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *