সোমবার-২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০- সময়: সন্ধ্যা ৭:৪৪
গুরুদাসপুরে এক বৃদ্ধা খুন বিরামপুরে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত কাটলা হলি চাইল্ড স্কুল বিরামপুরে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান দিদউফ বিরামপু‌রে দুস্থ শীতার্ত‌দের মা‌ঝে শীতবস্ত্র বিতরন বিরামপুরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণ গণনার সূচনা বিরামপুরে ১২ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো হয়েছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সীতার কুটুরি গোচারণ ভূমিতে পরিণত কালো জাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস, কালের পরিক্রমায় প্রতি বছরই হাজির হয় শীত দিনাজপুর হতদরিদ্র শীতার্থ মানুষের পাশে এগিয়ে এসেছে ডিএফএর

সম্মানি না পেয়ে চিকিৎসা দিতে এলেন হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট!

মো.মাহাবুর রহমান-দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর শহরের চাঁদপুর মাদ্রাসায় চলমান জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা কেন্দ্রে ফাহিমা খাতুন নামের এক ছাত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। পরে, ওই কেন্দ্রের নিয়োগকৃত (অন-কল) ডাক্তার না গিয়ে ছাত্রীর চিকিৎসার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলেন হাসপাতালের হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট আতাউর রহমান। ডাক্তার না এসে হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট আসায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

চাঁদপুর মাদ্রাসাকেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ আ.ছ.ম. হুমায়ুন কবীর জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) বাংলাদেশ ও বিশ^ পরিচয় বিষয়ে পরীক্ষা চলছিল।

তিনি জানান, বেলা ১১টার দিকে কানিকাটাল দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী ফাহিমা খাতুন মাথা ঘুরে পড়ে যায়। এসময় পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়োগকৃত (অন-কল) হাসপাতালের ডাক্তার মশিউর রহমানকে ফোনে ডাকা হয়।

তখন ডাঃ মশিউর রহমান পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, আপনি অনারিয়াম দেননা, তাই আপনার কেন্দ্রে যাওয়া যাবেনা; অসুস্থ্য ছাত্রীকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

পরীক্ষা চলাকালিন ছাত্রীকে হাসপাতালে নেওয়ার খবর শুনে কেন্দ্র সচিব ও উপস্থিত শিক্ষকগণ দিশেহারা হয়ে পড়েন। তারা তড়িঘড়ি করে মাদ্রাসার পাশের এক স্থানীয় চিকিৎসককে ডেকে এনে ছাত্রীর চিকিৎসা করালে কিছুক্ষণ পর ছাত্রী সুস্থ্য হয়ে পুনরায় পরীক্ষা দিতে বসে।

তিনি আরো জানান, অসুস্থ্য ছাত্রীটি সুস্থ্য হবার অনেক পরে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত হাসপাতালের সেই চিকিৎসক ডাঃ মশিউর রহমান কেন্দ্রে না গিয়ে হাসপাতালের হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট আতাউর রহমানকে ঐ ছাত্রীটির চিকিৎসা দিতে পাঠান।

জানতে চাইলে ডাঃ মশিউর রহমান বলেন, বিগত পরীক্ষাগুলোতে দায়িত্বে থাকার পরও কেন্দ্র সচিব আমাকে কোন সম্মানি দেন নাই। একারণে পরীক্ষা কেন্দ্রে না গিয়ে হাসপাতালের হারবাল এ্যাসিস্টেন্ট আতাউর রহমানকে চিকিৎসা দিতে পাঠানো হয়েছে।

ওই পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নূর হোসেন মিয়া জানান,ডাক্তারের এই আচরণে আসি হকবম্ব হয়েছি। আমার মতে ডাক্তার কাজটি ঠিক করেন নাই।

বিরামপুর হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, সম্মানি না পাওয়ার কারণে অসুস্থ্য ছাত্রীকে চিকিৎসা দিতে না যাওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক।আমি এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীকে চিকিৎসা দিতে না যাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *