শনিবার-২৫ জানুয়ারি ২০২০- সময়: ভোর ৫:৪৬
গুরুদাসপুরে এক বৃদ্ধা খুন বিরামপুরে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত কাটলা হলি চাইল্ড স্কুল বিরামপুরে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান দিদউফ বিরামপু‌রে দুস্থ শীতার্ত‌দের মা‌ঝে শীতবস্ত্র বিতরন বিরামপুরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণ গণনার সূচনা বিরামপুরে ১২ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো হয়েছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সীতার কুটুরি গোচারণ ভূমিতে পরিণত কালো জাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস, কালের পরিক্রমায় প্রতি বছরই হাজির হয় শীত দিনাজপুর হতদরিদ্র শীতার্থ মানুষের পাশে এগিয়ে এসেছে ডিএফএর

বিরামপুরে ধানের দর আড়তদারের হাতে, কৃষক শংকিত, চালের দর উর্দ্ধমুখী ?


বিরামপুর (দিনাজপুর) থেকে-বিরামপুর নতুন বাজারে চালের আড়তদারির নিকট খোঁজ নিয়ে জানা গেছে প্রতিটি চালের বাজার দর উর্দ্ধমুখী। অথচ এ অঞ্চলের কৃষক আবারো আমন মৌসুমেও ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত। আমন ধানের বাজার দর আড়তদারের হাতে জিম্মি? কৃষক শংকিত।

ডিসেম্বর মাস ব্যাংক কোজিং এর অজুহাতে আড়তদাররা দিন দিন কমিয়ে দিচ্ছে পাইকাড়ী বাজারে ধানের দাম। প্রতিদিন মনপ্রতি ১০/১৫ টাকায় কমছে।

আড়তে ধান প্রচুর আমদানী হলেও স্থানীয় পর্যায়ে দুই একটা ক্রেতা থাকলেও বাহিরের ক্রেতা নেই বললেই চলে। আড়ৎ এর মহাজনেরা বিরামপুরের বাহিরে ধান পাঠাতে পারছে না।
২১ ডিসেম্বর শনিবার বাজারে গুটি সর্না ধানের মন ছিল ৫৯০-৬১৫ টাকা, সর্না-৫ ধান ৬৫০-৬৬০ টাকা মনে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও জিরা কাটারী ধান ১৬৮০-১৭০০ টাকা মন প্রতি বিক্রি হচ্ছে। এর কয়েকদিন আগে সর্না ৬৪০ টাকা, সর্না- ৬৮০ টাকা দরে বিক্রে হয়েছে।

ধান বিক্রি করে সারাঙ্গপুর গ্রামের কৃষক বাবু হতাশা প্রকাশ করলেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে ধানের চাষ থেকে আগামীতে কৃষকেরা মুখ ফিরে নিবে।

অপর দিকে, বিরামপুরে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবহাওয়া জনিত কারণ দেখিয়ে চাল ব্যবসায়িরা কেজিপ্রতি ২/৩ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। এক সপ্তাহ আগে সর্না ৩৭টাকা, মিনিকেট ৪০টাকা ও মোটা চাল ২৭টাকা কেজি দওে বিক্রি হয়েছে। রবিবার সেই চাল যথাক্রমে ৪০, ৪২ ও ৩০ টাকা দওে বিক্রি হচ্ছে।

বিরামপুর বাজারে শনি ও মঙ্গলবার দুটি হাট বসে। এছাড়াও প্রতিদিনই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিরামপুর ধান ব্যবসায়ীরা সাধারণ কৃষকগনের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে থাকে। বাজারে পর্যাপ্ত আমদানী হলেও আশাঅনুরূপ ধানের মূল্য না পেয়ে কৃষকরা শংকিত।

বিরামপুর ধান ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক নাজমুস সাকিব সোহেল বলেন, বিরামপুরে ধানের বাজারে হরেক রকমের ধান উঠতে শুরু করেছে।

চালের বাজার দর উর্দ্ধমুখী হওয়ায় বাইরের ক্রেতারা বিরামপুর থেকে ধান ক্রয় করছে না। স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী শনি ও মঙ্গলবারের হাটে অল্প সংখ্যক ধান ক্রয় করলেও অধিকাংশ ধান কৃষকের হাতেই থেকে যাচ্ছে।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *