রবিবার-২৯ নভেম্বর ২০২০- সময়: ভোর ৫:২৭
পর্যটকদের জন্য নয়নাভিরাম ‘সাজেক ভ্যালি’ শীতে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ভাপা পিঠা পাঁচবিবিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপণী কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হলে মাদকমুক্ত ও অসমাপ্ত কাজ করব-আতিয়ার রহমান মিন্টু নেশার টাকার জন্য ২২ দিনের নবজাতককে কুপিয়ে হত্যা ঘোড়াঘাটে হেলথ এসোসিয়েশনের কর্মবিরোতি বন্ধ রাস্তা অবমুক্ত করলেন ইউএনও ভাতা বন্ধ ভাতা ভোগীরা মানবতার জীবনযাপন বিরামপুরে ৭২ বছরের বৃদ্ধ’কে ঔষধ ও আর্থিক সহায়তা দিলেন-ওসি মনিরুজ্জামান কোভিট-১৯ পরিস্থিতিতে মোরেলগঞ্জে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হচ্ছে স্কুল ফিডিং বিস্কুট

slider newsdiarybd.com:

বন্ধ রাস্তা অবমুক্ত করলেন ইউএনও

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি- ২৬নভেম্বর, বাঁশ দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের বন্ধ রাস্তা অবমুক্ত করে দিলেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবির সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বরমান হোসেন।

উপজেলার উচাই (বাজিতপুর মিশন) এলাকার জাহাঙ্গীর আলম মাষ্টারের অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়ায় বন্ধ।

এসময় তিঁনি চলাচলের রাস্তা প্রতিবন্ধ সৃষ্টিকারিকে দ্রুত বাঁশের বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেন।

লিখিত অভিযোগে জানাযায়, উচাইয়ের জাহাঙ্গীর মাষ্টারের চাচাত ভাই মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে সামশুজ্জামান তপু ও অপর চাচা মৃত নুরুল হোসেনের ছেলে কামরুজ্জামান মিঠু পৈত্তিক সুত্রে পাওয়া আমার (মাষ্টার) দখলকৃত জমির অংশ কম দেওয়ার কু-প্রস্তাব দেয়।

তাদের এমন প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে আমার ও গ্রামের অন্যদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বাঁশের বেড়ায় বন্ধ করে দেয়। তপু ও মিঠু মাষ্টারের জীবন নাশের হুমকি প্রদান সহ তাঁর ক্রীড়াবিদ সন্তানদের ক্ষতি করার কথাও অভিযোগে উল্লেখ করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বিষয়ে বলেন, বাঁশ দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে এমন লিখিত অভিযোগ পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে যাই।

এসময় সহকারি কমিশনার (ভুমি) এম এম আশিক রেজা, আটাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু চৌধুরী ও স্থানীয় জনসাধারনের উপস্থিতে বাঁশের বেড়া অপসারণ করে যাতয়াতের রাস্তা অবমুক্ত করা হয় বলেও তিঁনি জানান।

বিরামপুরে ৭২ বছরের বৃদ্ধ’কে ঔষধ ও আর্থিক সহায়তা দিলেন-ওসি মনিরুজ্জামান

নয়ন হাসান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুরের বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান এর অফিসে আসেন ৭২ বছরের আঃ জলিল হোসেন নামে এক বৃদ্ধ চাচা।

হতদরিদ্র বৃদ্ধ আঃ জলিল চাচা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে টাকার অভাবে ঔষধ কিনতে না পারায় দীর্ঘদিন যাবত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত তিনি।

ওসি’র মহানুভবতার কথা এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানতে পেরে ছুটে চলে আসেন বিরামপুর থানার ওসি’র অফিস কক্ষে হতদরিদ্র বৃদ্ধ আঃ জলিল। ওসি মমনিরুজ্জামান কে জানান টাকার অভাবে ঔষধ কিনতে পারছেন না।

তাৎক্ষণিকভাবে ওসি প্রয়োজনীয় সকল ঔষধপত্র ও ফলমূল ক্রয় করার কিছু নগদ অর্থ তাকে উপহার হিসেবে প্রদান করেন। একের পর এক ভালো ও মহৎ কাজের দারুন হিসেবে ওসি মনিরুজ্জামান বিরামপুরবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছেন।

এদিকে বৃদ্ধ আঃ জলিল চাচা এতদিন লোকের মুখে ওসি সাহেবের মহানুভবতার কথা শুনেছিলেন, এবার নিজ চোখে দেখে খুশিতে দুই হাত তুলে প্রাণভরে দোয়া করে ওসি মনিরুজ্জামান এর জন্য এবং  হাসিমুখে চলে গেলেন।

এসময় ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিদের যার যার অবস্থান থেকে এসব হতদরিদ্র, দুস্থ, গরীব ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে যার যতটুকু সামার্থ সে অনুযায়ী দানের হাত যেন বাড়িয়ে দেয়।

কোভিট-১৯ পরিস্থিতিতে মোরেলগঞ্জে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হচ্ছে স্কুল ফিডিং বিস্কুট

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির-শিশু শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও কোভিট-১৯ পরিস্থিতির কারনে চতুর্থ বারের মত বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বাড়ি বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে স্কুল ফিডিং বিস্কুট।

উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও পৌরসভার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সরকারের“দারিদ্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি” চলমান রয়েছে।

এ কর্মসূচির বাস্তবায়কারী সংস্থা রুরাল বিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশনের (আরআরএফ) কর্মীরা বৃহস্পতিবার উপজেলার বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে এ স্কুল ফিডিং বিস্কুট তুলে দিয়ে এ কার্যক্রমের সূচনা করেছে।

এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৩০৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪ টি স্বত্যন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা রয়েছে। প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ রুহুল আমীন খান (অতিরিক্ত সচিব) এর নির্দেশনায় এবং মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পভুক্ত এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিস্কুট সরবরাহ করা হচ্ছে।

পর্যায়ক্রমে প্রকল্পভুক্ত ৩১৩ টি স্কুলের ৩২৬৩৩ জন শিক্ষার্থীকে ৫৪-৫৫ প্যাকেট বিস্কুট অভিভাবকরা হাতে হাতে এ বিষ্কুট পাবে। প্রকল্পের ফিল্ড মনিটর তাপস বিশ্বাস,তাসলিমা সুলতানা, পিঝুষ গোস্বামী,সুমন মোল্লা বলেন, উপজেলার সকল শিক্ষার্থীর বাড়ি বাড়িতে গিয়ে এসব বিস্কুট সরবরাহ করা হচ্ছে ।

সহযোগীতা করছে প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষকাবৃন্দ। প্রধান শিক্ষিকা ফারজানা বিথি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতেও শিক্ষার্থীরা বাড়িতেই পাচ্ছে এ বিস্কুট। এজন্য অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ও খুশি।

প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী তাপস সাধু ও মনিটরিং এন্ড রিপোটিং অফিসার উজ্জল কুমার রায় জানান, উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন এ বিস্কুট শিশুদের পুষ্টিহীনতা, শিক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি , ভর্তির হার, স্কুলের উপস্থিতি, এবং স্কুলের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে।

হিলির কৃতি ফুটবলারদের সাথে পৌর মেয়র চলন্তর মতবিনিময়

মোসলেম উদ্দিন,হিলি-এক সময় হিলির মাঠ কাঁপিয়ে তুলেছিলেন হিলির কৃতি ফুটবলাররা। আর এসব প্রাক্তন কৃতি ফুটবলারদের নিয়ে মতবিনিময় করেছেন হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত।
বুধবার রাতে পৌরসভার কার্যালয়ে তাদের সাথে এই মতবিনিময় করেন তিনি।পরে প্রাক্তন কৃতি ফুটবলারদের মাঝে  বিভিন্ন উপহার  বিতরণ করেন।  বিতরণ শেষে তাদের নিয়ে নৈশভোজের আয়োজন করেন পৌর মেয়র।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সেলিম রেজা জিন্নাহ। তিনি ১৯৯২ সালে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য  ক্লাব বাদ্রার্স ইউনিয়নের রক্ষণ ভাগের নিয়মিত খেলোয়াড় ছিলেন।
হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত জানান,এই প্রাক্তন খেলোয়াড়রা এক সময় হাকিমপুর উপজেলার  মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তাদেরকে পৌরসভায় একত্র করতে পেরে এবং এই কৃতি ব্যক্তিদের আপ্যায়ন করতে পেরে ও তাদেরকে কিছু উপহার সামগ্রী দিতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি।

রাজারহাট বুড়িরহাটে বাজারের ৭টি দোকানে আগুন

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট-রাজারহাটের বুড়িরহাট বাজারে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে ৭টি দোকান পুড়ে ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মিভূত হয়েছে।

২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ ঘটিকায় উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের বুড়িরহাট বাজারে আঃ হালিমের দোকান ঘর থেকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন সূত্রপাত হয়।

মুহুর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পরে পাশের হায়দার আলী, ফিরোজ, হাবিব. হাফিজুল, সুজন ও কাঞ্চন বৈরাগী দোকান গুলোতেও আগুন লেগে যায়। মুহুর্তের মধ্যে লেলিহান শিখায় ঘরগুলো প্রজ্বলিত হয়ে উঠে। ব্যবসায়ীদের চিৎকারে এলাকাবাসীরা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে।

খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম ফায়র সার্ভিস এসে প্রায় ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা করে এলাকাবাসীর সহযোগীয় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। দোকান ঘরের ভেতরে থাকা সকল প্রকার মালামাল ও বাড়ির আসবাবপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যায়। এতে ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ক্ষতিগ্রস্থরা জানান।

ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ কর্মকার ঘটনার পর এলাকা পরিদর্শন করে সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন। বিষয়টি রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাজু সরকার নিশ্চিত করেছেন।

শীতকালিন করোনা ঢেকাতে মাঠে ভ্রাম্যমান আদালত, মাক্স ব্যবহার না করায় জরিমানা

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে, এম এ সাজেদুল ইসলাম সাগর-বুধবার সকালে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে মাক্স বিহীন চলাফেরা করাই ১২ জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সড়ক এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অফিসার মোছাঃ নাজমুন নাহার এ সময় মাক্স ব্যবহার না করার অপরাধে ১২ জনের নিকট হইতে ৬২০০ টাকা জরিমানা আদায় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার জানান,করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সকলকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে আগামীতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

মাস্ক ব্যবহারে অনীহা হিলিবাসীর,নেই প্রশাসনের অভিযান

মোসলেম উদ্দিন, হিলি-দেশে চলছে করোনার দ্বিতীয় ধাপের সংক্রমণ । প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। স্বাস্থ্য বিধিসহ মাস্ক ব্যবহারে অনীহা দেখা গেছে হিলিবাসীর।

উপজেলা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন যানবাহনে নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার চর্চা। রাস্তাঘাটে চলাচলকৃত বেশির ভাগ মানুষের মুখে নেই মাস্ক।

মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি না মানলে জেল-জরিমানার সরকারী নির্দেশনা থাকলেও উপজেলা প্রশাসনও রয়েছে নীরব,নেই কোন অভিযান।

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে,প্রথম ধাপে এই উপজেলায় করোনার আক্রান্ত হয়েছে ৮৩ জন,যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮২ জন,মারা গেছে একজন।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে শহর ঘুরে দেখাযায়, হিলি স্থলবন্দর চারমাথা এলাকা বিভিন্ন যানবাহন, হিলি বাজারের কাঁচাবাজার, চালহাটিসহ কাপড়ের দোকান গুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। বেশিভাগ মানুষের মুখে নেই মাস্ক আবার কারো কারো মাস্ক থাকলেও তাও রয়েছে থুঁতনিতে ।

হিলি বাজারের চুন বিক্রেতা শ্যামল বলেন,আর মাস্ক ব্যবহার করবা মোনায় (ইচ্ছে করে না) না। মাস্ক পকেটে আছে ইউএনও আসলে মুখে দিমু। করোনা টরোনা হামাক (আমাকে) ধরবো নায় বাহে।

কথা হয় হিলি বাজারের কাচামাল বিক্রেতা সোবহান এর সাথে তিনি বলেন,মুখে মাস্ক থাকলে ক্রেতারা আমার কথা বুঝতে পারে না তাই মাস্ক খূলে রেখেছি।

বাজার করতে আসা কয়কেজন মহিলার সাথে কথা হয় তারা বলেন,এখন মাস্ক সবায় ব্যবহার করছে না তাই আমরা মাস্ক বাড়িতে রেখে এসেছি। করোনা তো এখন কমে গেছে তাই মাস্ক ব্যবহার আর করি না।

কয়েকজন পথচারী বলেন,রাস্তা দিয়ে চলার সময় মুখে মাস্ক দিয়ে চলতে নিঃশ^াস নিতে সমস্যা হয় আর আগের মত প্রশাসনের কোন অভিযান নেই তাই আর মাস্ক পড়তে ইচ্ছে করে না।

হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা র্কমকর্তা ডাঃ তৌহিদ আল হাসান জানান,করোনা দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় আমরা প্রস্ততি গ্রহন করেছি।

আপনারা জানেন হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট রয়েছে সেটি যদি চালু হয় আমরা দ্রুত স্ক্যানার বসাবো। সেই সাথে অফিস গুলোতে সেবা নিতে গেলে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর এ আলম জানান,আমরা দ্রুত অভিযান পরিচালনা করবো।মানুষকে মাস্ক ব্যবহারে তাদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরও জানান,উপজেলা বিভিন্ন মসজিদে শুক্রবারে নামাজে মাধ্যমে এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ইমাম-মোয়াজ্জিনদের বলা হয়েছে। তাছাড়াও আগামী সপ্তাহে থেকে বিভিন্ন অফিস গুলোতে নো মাস্ক নো এন্টি কার্যক্রম আমরা শুরু করবো।

বিরামপুরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপন

মোঃ শাহ্ আলম মন্ডল, বিরামপুর প্রতিনিধি-দিনাজপুরের বিরামপুরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ (২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর) যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসারের কার্যালয়ের আয়োজনে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, বিরামপুর এপি’র সহযোগীতায় উপজেলার রতনপুরে অবস্থিত ৩নং খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে বুধবার (২৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় মানবনন্ধন ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রচারনামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা, ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার ডেনিস তপ্ন, ইউপি মেম্বারবৃন্দ, ধানঝুড়ি চার্চের ফাদার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, বিবাহ নিবন্ধন রেজিস্ট্রার (কাজী), মসজিদের ইমাম, হিন্দু, খ্রীষ্টান ও আদিবাসী কমিউনিটির প্রতিনিধিবৃন্দ।

বিরামপুর ব্লাড ব্যাংক” ফ্রী ব্লাড টেস্ট ক্যাম্পেইন

মোঃ শাহ্ আলম মন্ডল-দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় চলতি বছরের ১০মে, স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীদের নিয়ে অনলাইন প্লাটফর্ম ‘বিরামপুর ব্লাড ব‍্যাংক’ নামে ফেসবুক গ্রুপটি যাত্রা শুরু করে।
এতে উপজেলার সকল শ্রেণি পেশার মানুষজনদের ব্লাড ব্যাংক টিম-এর অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে জরুরী প্রয়োজনে রক্ত যোগান সম্ভব হয় খুবই অল্প সময়ে।
মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বিরামপুর পৌরসভা চত্বরে ‘বিরামপুর ব্লাড ব্যাংক’ গ্রুপ এর সৌজন্যে একটি ফ্রী ব্লাড টেস্ট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্লাড ক্যাম্পেইনটি উদ্বোধন করেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডাঃ মুহতারিমা সিফাত।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিরামপুর ব্লাড ব্যাংক গ্রুপের এডমিন টিম, স্বেচ্ছাসেবক টিম, রক্তদাতাগন, সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিক্ষক, ছাত্র ও বিভিন্ন পেশাজীবীর সন্মানিত অতিথিবৃন্দ।
এই ফ্রী ব্লাড টেস্ট ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ৩০০ জনের রক্তের গ্রুপ বিনামূল্যে নির্ণয় করা হয়েছে। সকলের নাম ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার সংরক্ষন করা হয়েছে। ব্লাড টেস্ট এর পাশাপাশি অনুষ্ঠানস্থলে ফ্রী মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।
মাস্ক বিতরণে সহযোগীতা করেছেন, সেনসরি রেসিডেনসিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী সৈয়দা হুমায়রা ইসলাম রোজা।
ক্যাম্পেইনে সার্বিক সহযোগীতা করেছেন, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার, হাজ্বী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সত্ত্বাধিকারী ডাঃ মশিউর রহমান ও মেডিকেল টেকনিশিয়ানবৃন্দ।
গ্রুপের এডমিন প‍্যানেলের সদস্য মাহমুদুল জনি জানান, ক‍্যাম্পেইনে যারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন; তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ইনশাআল্লাহ আগামীতে আবারো এমন ফ্রী ব্লাড টেস্ট ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হবে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

১০ বছর শিকল বন্দী হাফিজুলের চিকিৎসার জন্য মানবিক সাহায্যের আবেদন

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির- হাফিজুল খান (২৫)। মানসিক ভারসাম্যহীন এক য্বুক। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ বন্দী জীবন যাপন করছে।

শিকলে বাঁধা জীবন নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলছে তার জীবন। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ ।

মানবিক সাহায্যের জন্য বিত্তবানদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে মা ও বড় বোন। সাড়া না পেয়ে তারা দিশেহারা।

হাফিজুল বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর সদরের বারইখালী ১নং ওয়ার্ডের হাসেম খানের ছেলে। পেশায় দিনমজুর। মা-বোন বাড়ি বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে।

হাফিজুলকে পাগল হিসেবে সবাই জানে । আর এ কারনে ভয়ে এড়িয়ে চলে অনেকে। গরম ও শীতের বালাই নেই।

সারা বছরই সম্পূর্ণ বস্ত্রহীন থাকে। খাওয়া-দাওয়ার কোন চিন্তা নেই। খাবার দিলে হয়তবা খায়। আবার ৩/৪ দির না খেয়েও থাকে। থাকা খাওয়া প্রাকৃতিক কাজ সবই এক ঘরে। দুগর্ন্ধ চারিদিকে। ভয়ে কেউ কাছে যায়না। বহু ডাক্তার কবিরাজ ওঝা দেখানো হয়েছে। তাবিজ ঝাড় ফুঁক ও বাদ পড়েনি। কিন্তু কোনটাতেই কোন পরিবর্তন হয়নি।

২০১৫ সালের দিকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে ওকে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হলে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর ৮ মাস পর্যন্ত সে অনেকটা ভালো ছিলো।

এ সময়ে বিভিন্ন লোকজনের পরামর্শে বিবাহ করানো হয়েছিল। কিছুদিন যেতে না যেতেই আগের মত মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে আবারো বন্দি জীবন । ওর আরো এক ছোট ভাই সাইফুল খান (২৩) মানসিক ভাসাম্যহীন।

স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সাইফুলকে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছে। ওদের চিকিৎসায় জন্য পৈত্রিক সহায় সম্পত্তি সহ সব হারিয়েছে পরিবার । ওদের মা ও বোন শাহিনুর জানান, এখন তাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আর পারছিনা। এভাবে ওদের কষ্ট সহ্য করা যায়না।

এ অসহায় পরিবারটি ওদের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ করছে। সাহায্য কিংবা সহযোগীতার জন্য ০১৭০৪৭৬০৮৫৪ (বিকাশ),০১৮৮৯৬০৩২৭৬ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।