শুক্রবার-২৩ অক্টোবর ২০২০- সময়: রাত ৪:৫৪
বিরামপুরে পৌর মেয়র সহ ৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে বিরামপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী পালিত বিরামপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক বিরামপুরে লাখো কণ্ঠে ৭ মার্চের ভাষন পাঠ গুরুদাসপুরে এক বৃদ্ধা খুন বিরামপুরে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত কাটলা হলি চাইল্ড স্কুল বিরামপুরে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান দিদউফ বিরামপু‌রে দুস্থ শীতার্ত‌দের মা‌ঝে শীতবস্ত্র বিতরন বিরামপুরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণ গণনার সূচনা বিরামপুরে ১২ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো হয়েছে

প্রবীন newsdiarybd.com:

দিদউফ বিরামপু‌রে দুস্থ শীতার্ত‌দের মা‌ঝে শীতবস্ত্র বিতরন

দিনাজপুর দ‌ক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম (দিদউফ) এর উ‌দ্যো‌গে অদ্য ১০ জানুয়ারী  শুক্রবার সকাল ১১টায় বিরামপু‌রে দুস্থ শীতার্ত‌দের মা‌ঝে শীত বস্ত্র (কম্বল) বিতরন করা হয়।

উক্ত শীতবস্ত্র বিতরন অনুষ্ঠা‌নে উপ‌স্থিত ছি‌লেন ‘‌দিদউফ’ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজা‌ম্মেল হক, বিরামপুর সরকা‌রি ক‌লে‌জের অধ্যক্ষ জনাব মোঃ ফরহাদ হো‌সেন, ‘দিদউফ’ এর নির্বাহী সদস্য মাহমুদুল হক মা‌নিক, শেখ হা‌বিবুর রহমান, রোজ গাডেন হাই স্কুল প্রধান শিক্ষক আমিনুর রহমান, রাসেকুল ইসলাম রাশু  প্রমুখ।

উ‌ল্লেখ্য‌যে, দিনাজপুর দ‌ক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম (দিদউফ) এর উ‌দ্যো‌গে হা‌কিমপুর, ঘোড়াঘাট ও নবাবগঞ্জ উপ‌জেলা‌তেও শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরন করা হ‌য়ে‌ছে।

বিরামপুরে অসহায়, দুস্থ শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

আকরাম হোসেন-দিনাজপুরের বিরামপুরে অসহায়, দুস্থ শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

আজ বেলা সাড়ে ১২ টায় বিরামপুর উপজেলা অফিসার্স ক্লাব চত্তরে নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমানের সহ-ধর্মীনি শম্পা আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি দিনাজপুর জেলা লেডিস ক্লাবের সভাপতি ও জেলা প্রশাসকের সহধর্মীনি ফারহানা সুলতানা ২’শ জন অসহায় মহিলাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণের সহধর্মীনিগণ, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমান ও তার সহ-ধর্মীনি, বিরামপুর উপজেলা মহিলা যুবলীগের সাধরণ সম্পাদক আমেনা বেগম, প্রেসক্লাবের আহব্বায়ক, একেএম শাহাজান আলী, সাংবাদিক আকরাম হোসেনসহ স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

হিলিতে গরীব, অসহায়, দুস্থ্য শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

মোসলেম উদ্দিন, হিলি প্রতিনিধি-দিনাজপুরের হিলিতে সীমান্তবর্তী এলাকার দু হাজার গরীব, অসহায়, দুস্থ্য, খেটে খাওয়া শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন করেছে স্টান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড।

শুক্রবারে হিলির আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজিয়া আনওয়ারুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন, স্টান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক ও হিলির কৃতি সন্তান ফেরদৌস আলী খান।

এসময় সেখানে মাদ্রাসার মুহতামিম সামছুল হুদা খান, স্টান্ডার্ড ব্যাংকের হিলি শাখার ম্যানেজার তৌফিকুর রহমানসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সীমান্তবর্তী এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গরীব, অসহায়, দুস্থ্য,খেটে খাওয়া দুই হাজার নারী ও পুরুষ শীতার্ত মানুষদের মাঝে এসব কম্বল বিতরন করা হয়।

কনকনে শীতের রাতে ঘরে ঘরে গিয়ে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন রাজারহাটের ইউএনও

প্রহলাদ মণ্ডল সৈকত, রাজারহাট-‘এই শীতার্ত মানুষগুলো দরিদ্র-অসহায়, কিন্তু অতিশয় সহজ-সরল। এরা মিথ্যা কথা বলতে জানে না, এরা মানুষকে তেল মারতে জানে না, এরা মিষ্টি মিষ্টি কথা বলতে জানে না, এরা ছলনা করতে জানে না এবং এরা কিছু চাইতেও জানে না। এরা ইউএনও চিনে না, এরা চেয়ারম্যান চিনে না, এরা নেতা চিনে না, এরা সরকারি অফিস চিনে না এবং এরা কিছু চাইতেও জানে না।’

২৩ ডিসেম্বর সোমবার রাতে কম্বল বিতরণ করতে গিয়ে এদের সম্পর্কে এমন কথা বলেন রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাঃ যোবায়ের হোসেন।

তিনি কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের চর বগুড়াপাড়া, চর মুন্সিপাড়া, চর মন্ডলপাড়া, চর খাঁপাড়া ও চর গতিয়াশাম বস্তিতে এবং এসব এলাকার রাস্তায় রাস্তায় ২০০ জনের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

সবার ঘরে ঘরে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন, ঘরে ঢুকে তাদের বাস্তব অবস্থা দেখেছেন, অনেককে ঘুম থেকেও জাগিয়েছেন। নিজের চোখে এদের করুন অবস্থা দেখেছেন, এদের লেপ নেই, কম্বল নেই, গরম কাপড় নেই, সত্যিই নেই, এরা কাঁথা গায়ে দিয়ে শীতে কাঁপতে কাঁপতে ঘুমায়। অফিসে বসেই হয়ত দিতে পারতেন কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের চেষ্টা ছিল সরকারি কম্বলগুলো যেন সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারেন।

এসময় তাঁর সাথে ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আসিকুল ইসলাম মন্ডল সাবু, প্রেসক্লাব রাজারহাটের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং ইউএনও অফিসের সিএ মোঃ মিলন পারভেজ।

শীতের রাতে কষ্ট করে এভাবে প্রকৃত অসহায়দের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করায় বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে। তাদের দাবী এ কাজ করলে প্রকৃত ব্যক্তিরাই বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা সহ সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা পাবেন তারা আশাবাদী।

শীত জেকে বসেছে ঘোড়াঘাটে খেটে খাওয়া মানুষ বাহির হতে পারছেনা

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-পৌষের শুরুতে তীব্র শীতে বিপর্য¯ত হয়ে পরেছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে নিম্ম আয়ের মানুষেরা। শীতে জনজীবন অচল হয়ে পরেছে। বৃহস্পতিবার থেকে ৫দিন যাবত সুর্যের দেখা মিলনাই উত্তরঅঞ্চলে । এর সাথে বইছে ঠান্ডা বাতাস। খেটেখাওয়া মানুষরা ঘর থেকে বাহির হতে পারছেনা।

শীতার্থ মানুষেরা ফুটাতের গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে শীতের কাপড় কিনে শীত নবারন করছে। রবিবার সকাল থেকে হিমেল হাওয়া বইছে। দিনের বেলায় গাড়ী গুলোর হেডল্ইাট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখাযায়।

হাসপাতাল গুলোতে শিশু ও বৃদ্ধাদের ডায়রিয়া জনিত রোগে ২৫জনকে ভর্তি হতে দেখা গেছে। তবে এ অঞ্চলে দিন মজুরা সবচেয়ে অসুবিধায় পরেছে। সংখ্যা বেশী। আবহাওয়া অফিস জানান রবিবার সকালে সর্বনিম্ম তাপমাত্রা ১১.২ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাতে কম্বল নিয়ে ছিন্নমূল পল্লীতে ইউএনও আয়েশা সিদ্দীকা

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন চিরিরবন্দর-সারা দেশে জেঁকে বসেছে শীত। এই শীতে প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেন অসহায় ছিন্নমূল মানুষ। শীতের তীব্রতার সঙ্গে বাড়ে তাদের কষ্টও।

অসহায় এসব মানুষের কষ্ট লাঘবে মধ্যরাতে কম্বল নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা সিদ্দীকা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মেজবাউল করিমকে সাথে নিয়ে তিনি প্রতিদিন রাতে তিনি কম্বল বিতরন করছেন।

রোববার মধ্য রাতে তিনি ছুটে যান উপজেলা প্রান্তিক অসহায় ছিন্নমূল পল্লীতে। এ সময় তিনি শীতার্ত মানুষের শরীরে কম্বল জড়িয়ে দেন। এ সময় শীতার্ত অসহায়রা ইউএনও প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

দিনের বেলায় দাফতরিক কাজ করে রাতে কম্বল নিয়ে নিজেই ছুটে যান শীতার্ত মানুষের কাছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আসা কম্বল নিজে উপস্থিত থেকে প্রতিদিন এমন করে বিতরণ করবেন বলে জানালেন ইউএনও আয়েশা সিদ্দীকা ।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে অসহায় মানুষদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি। মধ্যরাত ছাড়া অফিসে সারাদিন বিভিন্ন সময়ে অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন তিনি।

প্রকৃত পক্ষেই যেন অসহায়রা কম্বলগুলো পান সে জন্য ইউএনও নিজে কম্বল বিতরণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের এসব কম্বল পেয়ে হাসি ফুটছে শীতার্তদের মুখে।

এই ব্যাপারে ইউএনও আয়েশা সিদ্দীকা বলেন, আমরা প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে অসহায় মানুষদের কাছে কম্বল তুলে দিচ্ছি। প্রয়োজনে বেসরকারিভাবে আরও কম্বল সংগ্রহ করে অসহায় শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

নাটোরের প্রতিবন্ধি প্রবীণ দম্পত্তি ভাতা নয়, চায় মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

করিম মৃধা,নাটোর প্রতিনিধি-নাটোর জেলার ছাতনী ইউনিয়নের আগদিঘা গ্রাম। এই গ্রামটি দ্বিতীয় মুজিবনগর নামে অনেকের কাছে পরিচিত। তার কারণ, এই গ্রামের শতভাগ মানুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে ১৯৭১ সালে দেশ রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া সহ বিভিন্নভাবে অবদান রাখেন। পাশাপাশি এই গ্রামের শতভাগ মানুষ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেয় ও ভোটাররা ভোট প্রদান করেন।

৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প স্থাপন করা হয় এই গ্রামের গমীর মন্ডলের বাড়ি। গমীর মন্ডলের স্ত্রী, ৪ ছেলে ও ১মেয়ে সকলেই ক্যাম্পের কমান্ডার, প্রশিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীণ দীর্ঘ ৪ মাস রান্না করে খাওয়ানো, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করেছিলেন। পাশাপাশি গমীর মন্ডলের ৪ ছেলে সক্রিয়ভাবে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

১৯৮৭ সালে গমীর মন্ডল মারা যাওয়ার ৮ বছর পর মারা যায় তার স্ত্রী রূপজান বেওয়া। তাদের ৪ ছেলের মধ্যে মৃত সাদেক আলী মন্ডল, মৃত নজিরউদ্দিন মন্ডল ও আব্দুস সামাদ মন্ডল মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেও আরেক ছেলে আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ভাগ্যে আজও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোন সম্মাননা বা স্বীকৃতি। এদিকে বয়সের ভাড়ে নুয়ে পড়েছেন আব্দুস সাত্তার মন্ডল (৭৮)।

প্রায় ১৫ বছর আগে শিমুল গাছ থেকে তুলা পাড়তে গিয়ে পা পিছলে মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হয় এবং তারপর থেকে কোমড় থেকে নীচ অবধি অচল হয়ে পড়ে তার।

অপরদিকে ১০ বছর আগে চোখের অপারেশন করাতে গিয়ে দুচোখের দৃষ্টি চিরতরে হারান স্ত্রী সোহাগী বেগম (৬৮)। বর্তমানে অসহায় ও প্রতিবন্ধি হয়ে মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এই দম্পত্তি।

রবিবার সকালে আগদিঘা গ্রামে সরেজমিনে গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিত হওয়ার সংবাদ শুনে ছুটে আসেন ওই গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা ছবেদ আলী সেখ, মনিরুদ্দিন সরদার, হাবিবুর রহমান মুসল্লী, জেহের আলী প্রধান, কাইমউদ্দিন খান, আয়ুব আলী হাজরা সহ আশে-পাশের ২২ জন মুক্তিযোদ্ধা।

এ সময় তারা বলেন, আব্দুস সাত্তার মন্ডল ও তার স্ত্রী সহ মৃত গমীর মন্ডলের পরিবারের প্রত্যেক নারী-পুরুষ মুক্তিযুদ্ধে যে অবদান রেখেছিলো তাতে সকলকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া দেশ ও সরকারের মানবিক দায়িত্ব ছিলো। কিন্তু মৃত গমীর মন্ডলের তিন ছেলেকে এই স্বীকৃতি দিলেও কোন এক ভুলে বা সঠিক যোগাযোগ না ঘটায় বাদ পড়ে যায় আব্দুস সাত্তার মন্ডল।

ছাতনী ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন সরকার আক্ষেপের সাথে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আব্দুস সাত্তার মন্ডল সরাসরি অংশ নেন। ৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারিখে রাজাকারদের গোপন সভায় হানা দিয়ে ৯ রাজাকারকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখেন ওই আব্দুস সাত্তার মন্ডল সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা।

রাজাকার হত্যার পর যেনো পাক বাহিনী গ্রামে হামলা করতে না পারে জন্য পাশ^বর্তী হোজা নদীর পারে অস্ত্র নিয়ে দিন-রাত অবস্থান নিয়েছেন ওই আব্দুস সাত্তার মন্ডল সহ সহযোগীরা।

এছাড়া আব্দুস সাত্তার মন্ডলের স্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে যেভাবে রাত-দিন রান্না করা, থালা-বাসন ও কাপড়-চোপড় ধৌত করা এবং খাওয়ানোর কাজ করেছেন তাতে তাকে সহযোগী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া দেশের ও সরকারের নৈতিক দায়িত্ব হয়ে পড়েছে।

একই ইউনিয়নের আমহাটি শিবপুর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে কথা হয় আব্দুস সাত্তার মন্ডল ও তার স্ত্রীর সাথে। চিরতরে অবশ হয়ে যাওয়া দুটি পা এলিয়ে দিয়ে মেঝেতে বসে থাকা বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তার মন্ডল কাঁপা কন্ঠে বলেন, কোন ভাতা নয়, ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম’ শুধু এইটুকু স্বীকৃতি রাষ্ট্র আমাকে দিলে আমি মরেও শান্তি পেতাম। স্ত্রী সোহাগী বেগম তখন সেই দীর্ঘ ৪ মাসের কষ্ট ও ত্যাগের স্মৃতিচারণ এবং বয়ে চলা অসায়ত্বের বর্ণনা করতে গিয়ে তার অন্ধ দুই চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে রংহীন পানি।

পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন

বিয়ের পরই ছেলেদের ‘পাল্টে’ যাওয়ার অভিযোগ বেশিরভাগ মা-বাবার। এজন্য দায়ী করা হয় ছেলের বউদের।

দেখা গেছে, স্বার্থের টানাপড়েনে নাড়িছেঁড়া সন্তান অসহায় মা-বাবাকে বের করে দিচ্ছে বাড়ি থেকে, রাখছে গরু-ছাগলের সঙ্গে গোয়ালঘরে। আর চাকরি বা অন্য কোনো কারণে ছেলে দূরে থাকে এমন মা-বাবাদের দুর্দশার যেন অন্ত নেই।

শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা তো দূরের কথা, ঠিকমতো খাবার না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে অনেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে। শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা না করার এই মনোভাব পাল্টাতে হবে স্বামী দূরে থাকা স্ত্রীদের। ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ’ বিধিমালার খসড়ায় স্পষ্ট করে মা-বাবার উপযুক্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে স্ত্রী ও তাদের সন্তানদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

২০১৩ সালে পাস হওয়া পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের আওতায় বিধিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়া বিধিমালার ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার যথোপযুক্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। সন্তান নিজে উপস্থিত থাকতে না পারলে তার স্ত্রী, সন্তান বা পরিবারের অন্য সদস্যদের দিয়ে মা-বাবার উপযুক্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। পরিচর্যা বলতে কোন ধরনের সেবা দিতে হবে, তা-ও সুনির্দিষ্ট করা আছে।

পরিচর্যা বলতে যত্ন সহকারে শারীরিক পরিচ্ছন্নতা, শৌচকার্য, সময়মতো ওষুধ-পথ্য ও খাবার খাওয়ানো, প্রয়োজনমতো বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে সকাল-বিকেল হাঁটানো বা ব্যায়াম করানোকে বোঝাবে।

খসড়া বিধিমালা চূড়ান্ত করতে গত ১০ এপ্রিল সমাজকল্যাণমন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জুয়েনা আজিজের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে। জুয়েনা আজিজ বলেন, খসড়া চূড়ান্ত করে বিধিমালা জারি করা হবে। এ বিষয়ে কাজ চলছে।

চূড়ান্ত হওয়া খসড়া বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোনো মা-বাবার একমাত্র ছেলে সস্ত্রীক চাকরি নিয়ে দূরে বা প্রবাসে থাকলে ‘উপযুক্ত প্রতিনিধির’ মাধ্যমে তাদের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। উপযুক্ত প্রতিনিধি বলতে সন্তানের কোনো নিকটাত্মীয় চাচা, চাচি, ফুপা, ফুপু, মামা, মামি, খালা, খালু, ভাই, ভাবি, ভগ্নি, ভগ্নিপতি, শ্যালক, শ্যালিকা বা এ ধরনের রক্ত সম্পর্কীয় কেউ, বিশ্বস্ত কর্মী বা প্রতিবেশীকে বোঝানো হয়েছে।

পিতা-মাতার ভরণপোষণের ন্যূনতম মানদ- নির্ধারণ করে খসড়া বিধিমালার ১১ ধারায় বলা হয়েছে, ‘ভরণপোষণের ন্যূনতম মানদ-ের ভিত্তি হইবে সন্তানের সামর্থ্য ও পিতা-মাতার যৌক্তিক প্রয়োজন সমন্বয়ের মাধ্যমে তাহাদের জন্য পর্যাপ্ত জীবনমান।’ এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তান মা-বাবাকে সঙ্গে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। একাধিক সন্তান থাকলে মা-বাবা কোন সন্তানের সঙ্গে বসবাস করবেন, তা তাদের ইচ্ছানুযায়ী হবে।

সন্তান বা তার স্ত্রী-সন্তান মা-বাবার সেবা ঠিকমতো করছে কি না তা যাচাই করতে সারা দেশের ওয়ার্ড পর্যায়ে সহায়ক কমিটি থাকবে। এ ছাড়া ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় পর্যায়েও কমিটি থাকবে। কোনো মা-বাবার একজন মাত্র সন্তান থাকলে এবং কোনো উপযুক্ত কারণে একত্রে বসবাস না করলে ওই মা-বাবার ভরণপোষণের জন্য কী পরিমাণ অর্থ সন্তানকে দিতে হবে তা নির্ধারণ করে দেবে সহায়ক কমিটি।

নির্ধারিত অর্থ সন্তান মা-বাবার জন্য ব্যয় করবে বা সরাসরি অথবা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠাবে। একাধিক সন্তান থাকলে এবং সন্তানরা একত্রে বাস না করলে মা-বাবার দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নির্ধারণ করে প্রত্যেক সন্তান সম্মিলিতভাবে নির্ধারিত অর্থ মা-বাবাকে দেবে। তবে মা-বাবা যে সন্তানের সঙ্গে থাকবে, সে সন্তানের আয় বিভাজন করে নগদ টাকা দিতে হবে না। মা-বাবার জন্য সন্তানরা শুধু টাকা দিলেই হবে না, বছরে কমপক্ষে দু’বার সাক্ষাৎ করতে হবে।

অনেক সন্তান বা তার স্ত্রী মা-বাবার আচার-আচরণের সমালোচনা করেন। সন্তান মা-বাবার কথা শুনবে, নাকি স্ত্রীর কথা শুনবেÑ তা নিয়ে বিরোধ হয় বউ-শাশুড়ির মধ্যে। এই বিরোধ দূর করতে মা-বাবার আচরণবিধি নির্ধারণ করা হয়েছে খসড়া বিধিমালায়। বলা হয়েছে, মা-বাবা তাদের প্রয়োজন বা অনুভূতির কথা সন্তানদের একত্রে বা আলাদাভাবে জানাবেন। যেকোনো সংকটের কথা সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

আলোচনা করে সংকটের সুরাহা না হলে পরিবারের অন্য সদস্য বা স্থানীয় ভরণপোষণ সহায়ক কমিটির সহায়তা নেবেন। মা-বাবা পরিবারের সবার প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করবেন এবং শিশুসহ সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করবেন। মা-বাবার কোনো প্রয়োজন সন্তান তাৎক্ষণিকভাবে মেটাতে না পারলে বা দেরি হলে যথাসম্ভব ধৈর্য ধারণ করবেন। শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী নিজেদের সেবাযত্ন নিজেরাই নেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাদের নিজস্ব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ সুরক্ষার চেষ্টা করবেন।

মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের আচরণ কেমন হবে তা উল্লেখ করে খসড়া বিধিমালার ১৩ ধারায় বলা হয়েছে, মা-বাবার সঙ্গে সর্বাবস্থায় মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করতে হবে, যত্নসহকারে তাদের দেখভাল করতে হবে। তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। মা-বাবার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যগত বিষয়ে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

প্রয়োজনীয় সেবা শুশ্রƒষা, পথ্য ও অন্যান্য উপকরণ যথাসম্ভব দ্রুত সরবরাহ করতে হবে। কোনো প্রকার ছলচাতুরীর মাধ্যমে মা-বাবার সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহার করবে না। মা-বাবার সম্পদে অন্য উত্তরাধিকারীদের অংশ আত্মসাতের চেষ্টা করবে না। মা-বাবার নিজস্ব কোনো সম্পদ না থাকলেও তাদের কোনোরূপ দোষারোপ করা যাবে না। পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে পিতা-মাতার অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

মা-বাবার জন্য খাদ্য প্রসঙ্গে খসড়া বিধিমালার ১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ‘পিতা-মাতার জন্য দৈনিক ন্যূনতম তিনবার বা পিতা-মাতার প্রয়োজন অনুসারে খাদ্য সরবরাহ করিবে : তবে শর্ত থাকে যে, পিতা-মাতার বয়স, অসুস্থতা বা প্রতিবন্ধিতা বিবেচনায় আনিয়া, প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুসারে নির্ধারিত পুষ্টিমান নিশ্চিত করিতে হইবে। বিশেষ অনুষ্ঠান বা উৎসবে পিতা-মাতার জন্য চিকিৎসকের বিধি-নিষেধ অনুসরণপূর্বক উন্নতমানের খাবার সরবরাহ করিতে হইবে।’

ঋতু বিবেচনায় নিয়ে মা-বাবার পছন্দ ও শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনায় তাদের জন্য আরামদায়ক পোশাক নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, বছরে যেকোনো একটি উৎসবে অতিরিক্ত এক সেট নতুন পোশাক সরবরাহ করতে হবে। সন্তানের আর্থিক সঙ্গতি অনুসারে তাদের পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কক্ষে রাখতে হবে। কক্ষটি সমতল জায়গা হতে হবে। তাদের জন্য বিছানাপত্র ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র রাখতে হবে। তাদের শৌচকাজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নির্বিঘ্ন করার জন্য প্রবীণবান্ধব ব্যবস্থা থাকতে হবে।

কোনো সন্তান বা তার স্ত্রী মা-বাবার উপযুক্ত ভরণপোষণ ও সেবা নিশ্চিত না করলে সে বিষয়ে সহায়ক কমিটির কাছে অভিযোগ করতে পারবেন মা-বাবা। অভিযোগ পাওয়ার পর কমিটি সরেজমিনে গিয়ে মা-বাবা ও সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করবে।

আলোচনার ভিত্তিতে তা সুরাহা না হলে কমিটি মা-বাবাকে অভিযোগ দাখিল করতে বলবে। ওই অভিযোগ আমলে নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালত তা নিষ্পত্তি করবে। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ৩০ দিনের মধ্যে জেলা ও দায়রা জজ বা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করতে পারবে।

‘পিতা-মাতার মৃত্যুতে করণীয়’ শিরোনামে খসড়া বিধিমালার ২১ ধারায় বলা হয়েছে, ‘পিতা-মাতা মৃত্যুবরণ করিলে প্রত্যেক সন্তানকে সশরীরে উপস্থিত থেকে তাহাদের দাফন-কাফন বা সৎকারসহ পিতা-মাতার দায়দেনা পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করিতে হইবে। তবে শর্ত থাকে যে, কোনো সন্তান প্রবাসজীবন বা অন্যকোনো কারণে পিতা-মাতার মৃত্যুর অব্যবহিত পরে সংবাদ পাইয়া উপস্থিত থাকিতে না পারিলে তাকে উপযুক্ত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে দাফন-কাফন বা সৎকারের ব্যয়ভার বহনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করিতে হইবে।’

পিতা-মাতার ভরণপোষণে সবাইকে উৎসাহিত করতে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ অবদানের জন্য একটি নীতিমালার ভিত্তিতে বার্ষিক সম্মাননা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে খসড়া বিধিমালায়।

ঘোড়াঘাটে রিক সংস্থা কর্তৃক প্রবীনদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) সংস্থার আয়োজনে উপজেলার শতাধিক প্রবীনদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

শনিবার বেলা ১১টায় রিক সংস্থা ঘোড়াঘাট রাণীগঞ্জ শাখা অফিসে এরিয়া ম্যানেজার মোঃ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঘোড়াঘট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাফে খন্দকার সাহানশা, ৩নং সিংড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মন্ডল ও রিক সংস্থার জোনাল ম্যানেজার মোঃ আব্দুল আলিম।

আরও উপস্থিত ছিলেন, রিক সংস্থার বি,এম মোঃ মুঞ্জুরুল হক, বি,এ,ও হাফিজুল ইসলাম, সি,ও ওয়াজেদ আলী, রবিউল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, সাংবাকিদ একরামুল হক, মজিবর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ খান বাবু ও ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বিরামপুরে প্রবীণদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

ড়াঃ আঃ রশিদ, বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা-রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) প্রবীণ কল্যাণ কর্মসূচির আওতায় মঙ্গলবার (২৯ জানুঃ) বিরামপুর উপজেলার শতাধিক প্রবীণের মাঝে উন্নত মানের কম্বল বিতরণ করেছে।

সংস্থার বিরামপুর শাখা অফিস চত্বরে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ কবীর ও থানার ওসি (তদন্ত) সোহেল রানা।

এসময় তাদের সাথে ছিলেন, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা আহসান রেজা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ আহবায়ক মেজবাউল ইসলাম মেজবা, রিক এরিয়া ম্যানেজার কামরুল হাসান, শাখা ম্যানেজার গোলাপ মিয়া, হিসাব রক্ষক আসাদুজ্জামান, মাঠ কর্মকর্তা আবু হোসেন, সামিউল ইসলাম, আব্দুল খালেক, সাহেলা খাতুন প্রমূখ।