রবিবার-২৯ নভেম্বর ২০২০- সময়: রাত ৪:০১
পর্যটকদের জন্য নয়নাভিরাম ‘সাজেক ভ্যালি’ শীতে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ভাপা পিঠা পাঁচবিবিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপণী কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হলে মাদকমুক্ত ও অসমাপ্ত কাজ করব-আতিয়ার রহমান মিন্টু নেশার টাকার জন্য ২২ দিনের নবজাতককে কুপিয়ে হত্যা ঘোড়াঘাটে হেলথ এসোসিয়েশনের কর্মবিরোতি বন্ধ রাস্তা অবমুক্ত করলেন ইউএনও ভাতা বন্ধ ভাতা ভোগীরা মানবতার জীবনযাপন বিরামপুরে ৭২ বছরের বৃদ্ধ’কে ঔষধ ও আর্থিক সহায়তা দিলেন-ওসি মনিরুজ্জামান কোভিট-১৯ পরিস্থিতিতে মোরেলগঞ্জে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হচ্ছে স্কুল ফিডিং বিস্কুট

Daily Archives: November 26, 2020

ফুলবাড়ী ছোট যমুনা নদীর লোহার ব্রীজটি সংস্কারের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে

মোঃ আফজাল হোসেন-ফুলবাড়ী উপজেলার ছোট যমুনা নদীর উপর লোহার ব্রীজটি সংস্কারের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ব্রীজটির পূর্ব অংশে একটি পার্ট ধ্বংশ হয়ে যায়।

দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ ১৯৫২ সালের নির্মিত ব্রীজটি পরিত্যাক্ত করলেও জীবনের ঝুকি নিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল করছে।

দিনাজপুর থেকে গোবিন্দগঞ্চ সড়কের ৪১ কিলোমিটার দূরে ফুলবাড়ী উপজেলার শহরের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট যমুনা নদীর উপর ১৯৫২ সালে পাকিস্থান সরকারের সময় কালে নির্মিত এই ব্রীজটি এখন সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

২০০৮ সালের ১০ মে এই সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে ব্রীজ সংলগ্ন দক্ষিণ দিকে অপর একটি ব্রীজ নির্মান করার পর এই ব্রীজটি চলাচল বন্ধ হলেও মাঝে মধ্যে ছোটখাটো ভারী যানবাহন চলাচল করছে।

ব্রীজটি প্রায় ২ যুগ ধরে সংস্কারের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান ব্রীজটি সংস্কার করা হলে আবারও চলাচলের উপযোগী হবে। তবে ফুলবাড়ী পৌরশহরের যানযট নিরশনের জন্য এই ব্রীজটি রাখা হয়েছে। যাতে এই ব্রীজের উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল না করে রিক্সা ভ্যান যেন চলাচল করে। কিন্তু কেউ কারও কথা শোনেনা।

বালুবাহী ট্রালি ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করায় ব্রীজের নিচের ঢালাই খুলে পড়ছে। এমনকি দুই ধারে জনসাধারণের চলাচলের ফুটপাত নষ্ট হয়ে ঢালাই খুলে পড়ছে ও ওয়াল ভেঙ্গে পড়ছে। ব্রীজটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় প্রশাসন, সড়ক ও জনপদ বিভাগ দিনাজপুর কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এ ব্যাপারে ফুলবাড়ীর বিভিন্ন সুধিজন ব্রীজটির সংস্কারের জন্য অথবা পূর্ণ নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের আসুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শীতের আগমনের সাথে দিনাজপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে

স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর-শীতের আগমনের সাথে সাথে দিনাজপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। সাধারন মানুষ স্বাস্থ্য বিধি এবং সরকারী নিষেধাঞ্জা কোনটাই মানছে না। প্রশাসনও তেমন তৎপর নয়।

মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, প্রতিদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের রুগি আসছে। তবে কি পরিমান রুগি আসছে তা সঠিক ভাবে বলতে পারেনি। অনেককে রংপুর পাঠানো হচ্ছে।

একমাত্র দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করা হয়। পজেটিভ হলে চিকিৎসা দেয়া হয় আর নেগেটিভ হলে পরীক্ষা করে ছেড়ে দেয়া হয়।

শহরের কিছু মানুষ মাস্ক ব্যবহার করলেও ৯০ ভাগ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করেনা। মাস্কও ব্যবহার করেনা স্বাস্থ্য বিধি সামাজিক দুরত্বও মানেনা। প্রতিটি মসজিদে নামাজের সময় মসজিদ ভর্তি মুসুল্লী থাকলেও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখেনা।

হাট বাজার গুলোতেতো কোন নিয়মই মানছে না। ফলে করোনা রুগির সংখ্যাও বাড়ছে। লাখ লাখ অটো চলাচল করলেও যাত্রী বা চালক কেউই মাস্ক ব্যবহার করছে না। গাদাগাদি কওে যাত্রী চলাচল করছে অটোবাইক গুলোতে। প্রশাসনও তেমন জোর দিচ্ছেনা।

সভা সমাবেশ হচ্ছে কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি বা সরকারী নির্দেশ মানছে না। প্রথম ধাপে করোনার আক্রমনে বাজার গুলো বড় ময়দানে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। কিন্ত যেমন বাজার ছিল আবার তেমন বাজার বসছে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনের নির্দেশ কোন মসজিদেই মানা হচ্ছে না। ঈমাম বা মোয়াজ্ঝেমরাও তেমন দায়িত্ব পালন করছে না। ফলে মসজিদ থেকেই করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছে বেশী। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারী নির্দেশ পালনে প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

কুড়িগ্রামে মাস্ক ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে অবস্থান কর্মসূচি

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি-কোভিড-১৯ সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় কুড়িগ্রামের সকল সরকারি-বেসরকারি অফিসে একযোগে মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রচার-প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৮নভেম্বর বুধবার একযোগে জেলার ৯ উপজেলার সকল সরকারি বে-সরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ নিজনিজ অফিসের সামনে দুপুর বারোটায় শুরু করে পনের মিনিট ব্যাপি এ কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মো: রেজাউল করিম, সিভিল সার্জন ডাঃ হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জিলুফা সুলতানা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলুফা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মুহিবুল ইসলাম খান বিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উৎপল কুমার ও প্রেসক্লাব সভাপতি এড.আহসান হাবীব নীলুসহ বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জগণ এবং অন্যান্য জেলা উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারিবৃন্দ।

কাহারোল ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির রায়হান সুজনের পিতা’র মৃত্যুতে মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি’র শোক

ফজিবর রহমান বাবু- কাহারোল উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির রায়হান সুজন এর পিতা মো. আব্দুস সাত্তার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ১৮ নভেম্বর বুধবার এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুপুর সাড়ে ১২টায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ……….. রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহি রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল গভীর প্রকাশ করেছেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি এক শোক বার্তায় মো. আব্দুস সাত্তার এর আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

 

বিরামপুরে বিনা মূল্যে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ

নয়ন হাসান, বিরামপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে চলতি রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা ও কর্মসূচীর আওতায় (১৮ নভেম্বর) বুধবার বিরামপুর উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নের ২০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মাঝে বিনা মূল্যে সরিষা বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহসিয়া তাবাসসুম এর সভাপতিত্বে কৃষকদের উদ্যেশ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিক্সন চন্দ্র পাল,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম মন্ডল ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম বানুসহ প্রমূখ।

এ সময় বিরামপুর উপজেলা ও পৌরসভার ২০০ জন কৃষকে প্রত্যেককে ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি ও ১ কেজি করে সরিষা বীজ বিতরণ করেন।

আমলকিতে থাকা ক্রোমিয়াম শরীরের ইনসুলিন উৎপাদন করে

নিউজ ডেস্ক-আমলকি ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল। ফল ও পাতা দুটিই ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে।

আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর আমলকি শরীরের টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। অনেক রোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করে এই আমলকি। তবে আমলকি খেতে হবে কাঁচা বা রস করে। রান্না করা আমলকিতে সঠিক পুষ্টি মিলবে না। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন আমলকি।

আমলকির কিছু উপকারিতার কথা-

# সর্দি-কাশির সমস্যা এখন খুব পরিচিত। এই ধরনের অসুখে কাজে লাগে আমলকি। দীর্ঘমেয়াদি সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বরের সমস্যার পথ্য হিসেবেও আমলকি বেশ কার্যকরী। টিউবারকিউলোসিস (টিবি) রোগ থেকেও সুরক্ষা দেয় এটি।

# ব্রঙ্কাইটিস কিংবা অ্যাজমার সমস্যায় ভুগছেন? এর থেকে মুক্তি পেতে আমলকি খান নিয়মিত।

# ক্যান্সার থেকে দূরে থাকতে আমলকি খান প্রতিদিন। আমলকিতে পলিফেনল থাকায় তা ক্যান্সারাস কোষের বৃদ্ধিতেও বাধা দেয়।

# নিয়মিত আমলকি খেলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে। পেটের সমস্যা ও বদহজম দূরে রাখতেও সাহায্য করে এই ফল।

# উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত আমলকি খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে অনেকটাই।

# ওজন কমাতে চাইলে আমলকির সাহায্য নিন। আমলকির ফাইবার শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। এদিকে মুখের আলসার বা দাঁতের ক্ষত সারাতেও জুড়ি নেই আমলকির।

# আমলকিতে থাকা ক্রোমিয়াম শরীরের ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করে, সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। বয়স্কদের জন্যও খুব উপকারী। এতে ক্যারোটিন থাকায় দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ছানি পড়া, চোখে চুলকানি বা জল পড়ার সমস্যা থেকেও রেহাই দেয়।

# আমলকির রস স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন ঘটিয়ে চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে। তাই চুল ভালো রাখতে আমলকির ব্যবহার করতে পারেন।

# মুখে বয়সের ছাপ পড়ে যাচ্ছে? বয়স ধরে রাখতে চাইলে আমলকি খান নিয়মিত। আমলকিতে অ্যান্টিএজিং উপাদান রয়েছে, যা বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে।

সূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা

‘ডিমপাহাড়’ পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে

বশির আহমেদ-সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ হাজার ফুট উঁচু বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে ভ্রমণ পিপাসুদের মাঝে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। তবে ৩৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথের মাঝখানে থাকা ‘ডিমপহাড়’ এলাকাটি পর্যটকদের বেশি নজর কাড়ছে।

জেলার থানচি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মারমা জানান, দেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের ওপর থানচি-আলীকদম সড়কের মাঝপথে অবস্থিত ডিমপাহাড় এলাকাটি জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি অর্জন করতে শুরু করেছে । কারণ পুরো ৩৩ কিলোমিটার সড়কপথ জুড়েই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি।

রকমারী ফুল-ফলে আচ্ছাদিত সবুজ গাছ-গাছালিতে ঠাঁসা এই সড়ক পথ। পিচঢালাই আঁকা-বাঁকা পথে এসব দৃশ্য দেখে ভ্রমণপিপাসুরা মনের ভেতর স্পন্দন খুঁজে পান।

পুরো সড়কপথের সাথে যোগ হয়েছে সবুজপাহাড় আর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ছোট-ছোট পাড়া, গ্রামগুলোর বৈচিত্র্যময় মানুষের জীবনধারা ও পথচলা। তবে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এখনও বিপদমুক্ত নয়, এমন এলাকাসমূহে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তা চৌকি কিংবা নিরাপত্তা ক্যাম্প বসানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

বগুড়া থেকে ভ্রমণে আসা পর্যটক আবদুল হালিম, রফিক উদ্দিন এবং মমতাজ খানম জানান, তারা ৩ দিন আগে আলীকদম হয়ে থানচি উপজেলা সদরের সড়কপথ ভ্রমণ করেছেন এবং সেখানে তারা ডিমপাহাড় নামক স্থানে বিশ্রাম করে বেশ আনন্দ উপভোগ করেছেন।

তারা আরো জানান, কেবল ডিমপাহাড় এলাকাটিই নয়, ৩৩ কিলোমিটার দীর্ঘ থানচি-আলীকদম উপজেলা সড়কের প্রতি ১০ কিলোমিটার পর পর একটি করে পথিক বা পর্যটকদের জন্যে অস্থায়ী বিশ্রামাগারসহ নিরাপত্তা চৌকি নির্মাণ করা আবশ্যক। এসব নির্মিত হলে ভ্রমণপিপাসুরা এ সড়ক ব্যবহারে আরও আগ্রহ এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন বলে তারা জানিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা পর্যটকদের নিরাপত্তা বিষয়ে জানান, জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কের পাশে পৃথকস্থানে স্থাপিত নিরাপত্তা চৌকিসমুহে যাতায়াতকারী পর্যটকসহ যাত্রীবহনকারী যানবাহনগুলোর চালক এবং যাত্রীদের জরুরি মোবাইল নাম্বাসহ ডাটা লিপিবদ্ধ করা হয়। যাতে করে যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়। যাতে পর্যটকরা সমস্যায় না পড়েন তার জন্য গাইডের ব্যবস্থাও রয়েছে।

যেভাবে আলীকদম-থানচি সড়ক ব্যবহার করবেন-

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কের চকরিয়া বাসস্টেশন থেকে আলীকদমমুখি বাস কিংবা ছোট যানবাহনে আলীকদম উপজেলা সদরে যাবেন। সেখান থেকে হালকা যানবাহনে সহজেই যাওয়া যায় ‘ডিমপাহাড় এলাকা’।

আবার বান্দরবান জেলা সদর হয়ে থানচি উপজেলা সদর থেকে যেকোন হালকা যানবাহন চেপেই দ্রুত সময়ের মধ্যে ভ্রমণ করা যায় ওই সড়কপথে। তবে প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা হিসেবে পাহাড়ে যানবাহন চালাতে দক্ষ এমন চালককেই সাথে আনা আবশ্যক।

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা সদর থেকে আলীকদম-থানচি সড়কপথে যাবার সময় লামা উপজেলার টপহিল মিরিন্জা পর্যটন কেন্দ্র এবং আলীকদম উপজেলা সদরের কাছে পর্যটন কেন্দ্র আলী ছড়ংগ দর্শনের সুযোগ পাবেন।

জেলা সদর হয়ে থানচি-আলীকদম সড়কপথ ভ্রমণে গেলে দর্শনীয় স্থান প্রান্তিক লেক, নীলাচল, রাজবাড়ি, শৈলপ্রভাত, চিম্বুক পাহাড়, জিয়া পুকুর, সুভ্রনীলা, নিলগিরি এবং জীবননগর অবলোকনের সুযোগ রয়েছে। এখন পর্যটকদের ভ্রমণ মৌসুম না হওয়া সত্বেও প্রতিদিনই বিশেষ করে শুক্রবার-শনিবারসহ সরকারি বন্ধের দিন বিপুল পর্যটকের সমাগম ঘটছে বান্দরবানে।

ধর্ম, ইতিহাস আর স্থাপত্যের সমন্বয় ঘটেছে, ঘুরে আসুন আজমির শরীফ

নিউজ ডেস্ক-মুসলিম শরিফ তীর্থ আজমের শহরটি আজকের নয়। পাহাড় বেষ্টিত আনা সাগরের তীরে ৪৮৬ ফুট উচ্চে রমনীয় পরিবেশে সবুজ মরুদ্যানের মতোই রূপ পেয়েছে শহর।

ধর্ম, ইতিহাস আর স্থাপত্যের সমন্বয় ঘটেছে এখানে। তেমনই সর্বধর্ম সমন্বয়ে মিলনক্ষেত্র ও পূণ্যভূমি এই আজমের। কথিত আছে ৭ বার আজমের দর্শনে ১ বার মক্কা দর্শণের পূণ্য মেলে।

সপ্তম শতকে অজয় পাল চৌহানের হাতে গড়ে ওঠে আজমের শহর। কারো মতে আজমের নামেই শহরের নামকরণ করা হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেন অজয় মেরু পর্বত থেকেই আজমের নাম হয়েছে।

পূর্বের অজয়মেরুর দূর্গটিরনাম এখন তারাগড় দূর্গ। ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দে পৃথ্বিরাজ চৌহাননকে হারিয়ে গজনীর মোহাম্মদ ঘোরী আজমের দখল করেন। সেই থেকে শুরু হয় ক্ষমতা দখলের লড়াই।

১৩৯৮ খ্রিষ্টাব্দে তৈমুর লঙ ভারত আক্রমন করে অবাধে লুটতরাজ, খুন-জখমের বন্যা বইয়ে দিয়ে অত্যাচারের রোলার চালিয়ে চলে যাবার পর রানা কুম্ভ কিছুদিন আজমীরের রাজা হন। কিন্তু ১৪৭০ থেকে ১৫৩১ পর্যন্ত আজমের মলোয়ার সুলতানদের দখলে থাকে।

১৫৫৬ সালে আজমের একটি দূর্গও গড়ে তোলেন। তবে তিনি স্বয়ং এখানে আসেন ১৫৬১ তে এবং এখানে তার কীর্তি তুলে ধরেন নানা দূর্গ, মসজিদ ও স্থাপত্য শিল্পকলার মাধ্যমে। তার সেই সব স্থাপত্যের নিদর্শন আজও পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

আকবরের ধর্মগগুরু খাজা মৈনুদ্দিন চিস্তি ১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে মহম্মদ ঘোরীর সঙ্গে ভারতে আসেন। তিনি মক্কা হয়ে মদীনায় যাওয়ার পথে আল্লাহর নির্দেশ পান যে, তাকে ভারতবর্ষে ইসলাম ধর্মের মহাত্ত প্রচার করতে হবে। তিনি তখন ভারতে আসেন।

এই আজমীরেই আস্তানা করে বিভিন্ন স্থানে ইসলাম ধর্মের প্রচার করতে থাকেন। ১২৩৬ খ্রিষ্টাব্দে ৯৪ বছর বয়সে এই আজমীরেতেই তার জীবনাবসান হয়। এখানেই তাকে সমমাধিস্থ করা হয়। এটাই আজমীর শরিফ।

নির্দেশনা-
আজমীর যেতে প্রথমে যেতে হবে কলকাতা। শহরটির শিয়ালদহ স্টেশন থেকে সরাসরি আজমীরের ট্রেন পাওয়া যায়। এর মধ্যে অনন্যা এক্সপ্রেস উল্লেখযোগ্য। এই ট্রেনে যেতে সময় লাগবে প্রায় ৩৪ ঘণ্টা। এছাড়াও শিয়ালদহ স্টেশন থেকে আজমীর সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেসে যেতে পারেন, সময় লাগবে ২৭ ঘন্টা ৪০ মিনিট।

ভাড়া এসি থ্রী-টায়ার ২৮০০ রুপি, রাত ১১টা ০৫ মিনিটে ছেড়ে যায়।। ক্ষেত্রবিশেষে সময় বেশিও লাগতে পারে। ট্রেনটি আজমীরের রেল স্টেশনে নামিয়ে দেয়ার পর মাজার সড়কে যেতে অটো রিকশায় ৩০ রুপি, রিকশায় ২০ রুপি লাগবে। এছাড়াও জয়পুর থেকে প্রাইভেট গাড়ী ভাড়া করে যেতে পারেন। সময় লাগবে ২ ঘণ্টা।

হোটেলে থাকতে হলে কিছুটা সমস্যা পড়তে হতে পারে। কারণ বিদেশি হলেই সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশনা মতো একটি অনলাইন ফরম পূরণ করতে হয়। এই পদ্ধতি যদি কোনো হোটেলে না থাকে তাহলে বিদেশিদের এসব হোটেল কর্তৃপক্ষ রাখতে চাইবে না।

মাজার রোড থেকে সোজা বের হয়ে একদম শেষ প্রান্তে বাম দিকে কয়েক পা ফেললেই চোখে পড়বে রিগালসহ বহু হোটেল। বাংলাদেশিরা কেউ আজমীরে এলে সাশ্রয়ী ও বেশি দামে দু’ধরনের কক্ষই পাবেন। ১৫০০ রুপি থেকে শুরু করে ৪৫০০ রুপিতে এসি স্যুইট রুমও মিলবে।

বিরামপুরে রোপা আমন ধান কাটায় ব্যস্ত আসিবাসী নারীরা

নয়ন হাসান, বিরামপুর-দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এবার রোপা আমন চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৫শ হেক্টর এবং অর্জন ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৫শ ৫ হেক্টর।

এতে করে সম্ভব্য চালে উৎপাদন হবে ৫১হাজার ২শ ৪১মেট্রিকটন।

এসময় আমন ধান কাটার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন এলাকার আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির (সাঁওতাল) নারীরা।

১৮ নভেম্বর বুধবার উপজেলার খাঁনপুর ইউনিয়নে আমন ধানকাটার কাজে নিয়োজিত সাঁওতাল নারীদের সাথে কথা বলে জানাযায় যে, পুরুষদের দৈনিক মজুরী ৫শ টাকা হলেও নারী শ্রমিকদের মজুরী ৩শ টাকা। আবার পুরুষের চেয়ে কম মজুরীতে শ্রমিক পাওয়ায় চাষীরাও নারী শ্রমিকদের ক্ষেতে পরিচর্যার কাজে নিয়োজিত করছেন।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিকসন চন্দ্র পাল জানান, বিরামপুর উপজেলায় এবার ১৭ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে আমন রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তিনি আরো জানান, অধিক ধানের দাম পাওয়ায় কৃষকরা অন্যান্য ফসলের চেয়ে ধান চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

ফলে বন্যার প্রভাব মুক্ত অনুকূল আবহাওয়ায় বিরামপুর উপজেলায় এবার লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে আমনের চারা রোপন করা হয়েছে। কৃষকদের রোপনকৃত ধানের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গুটি সর্নাসহ বিভিন্ন জাতের ধান।

বিরামপুরে প্রেসক্লাবের মাস্ক-বিতরণ

নয়ন হাসান, বিরামপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বিরামপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে পৌর শহর ঢাকামোড় থেকে শুরু করে পুর্বপাড়া মোড় পযর্ন্ত প্রেসক্লাবের সকল সদস্য বৃন্দের সমন্বয়ে বিকেল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাস্তার পথচারী, রিক্সা ভ্যান চালক,গরীব,অসহায়,এতিম,দুস্থ্যদের  মাঝে ২০০০হাজার পিছ মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এ সময় প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহিনুর আলমের সভাপতিত্বে মাস্ক বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহসিয়া তাব্বাসুম, পৌর মেয়র  লিয়াকত আলী সরকার (টুটুল), প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান ,মোহনা টিভি প্রতিনিধি আকরাম হোসেন,দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম, দৈনিক কালেরকন্ঠ প্রতিনিধি মাহাবুর রহমান, দৈনিক খোলা কাগজ প্রতিনিধি রায়হান কবীর (চপল), জয়যাত্রা টিভি প্রতিনিধি মানিক চৌধুরী,  দৈনিক সংগ্রাম প্রতিনিধি ডাঃ নুরুল হক, দৈনিক যুগেরকথা প্রতিনিধি এস,এম,মাসুদ রানা, দৈনিক স্বাধীন সংবাদ প্রতিনিধি রেজওয়ান আলী, দৈনিক সময়ের আলো প্রতিনিধি নুরে আলম সিদ্দিকী, দৈনিক বজ্রশক্তি প্রতিনিধি শাহ আলম, দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ প্রতিনিধি আবু সাইদ,দৈনিক আমাদের সময় প্রতিনিধি আজাহার ইমাম,দৈনিক গণমুক্তি প্রতিনিধি ফরিদ হোসেন, দৈনিক গণতদন্ত প্রতিনিধি নয়ন হাসানসহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।