রবিবার-২৯ নভেম্বর ২০২০- সময়: রাত ৪:৫৫
পর্যটকদের জন্য নয়নাভিরাম ‘সাজেক ভ্যালি’ শীতে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ভাপা পিঠা পাঁচবিবিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপণী কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হলে মাদকমুক্ত ও অসমাপ্ত কাজ করব-আতিয়ার রহমান মিন্টু নেশার টাকার জন্য ২২ দিনের নবজাতককে কুপিয়ে হত্যা ঘোড়াঘাটে হেলথ এসোসিয়েশনের কর্মবিরোতি বন্ধ রাস্তা অবমুক্ত করলেন ইউএনও ভাতা বন্ধ ভাতা ভোগীরা মানবতার জীবনযাপন বিরামপুরে ৭২ বছরের বৃদ্ধ’কে ঔষধ ও আর্থিক সহায়তা দিলেন-ওসি মনিরুজ্জামান কোভিট-১৯ পরিস্থিতিতে মোরেলগঞ্জে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হচ্ছে স্কুল ফিডিং বিস্কুট

Daily Archives: November 26, 2020

আমাদের কৃতি সন্তান ড.মাহফুজুর রহমান

ড.এসএম মাহফুজুর রহমানকে জনতা ব্যাংকের পরিচালক এবং চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। একই সময়ে তিনি বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি এর ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োজিত আছেন ।

এর আগে তিনি রূপালী ব্যাংকের পরিচালক, Investment Corporation of Bangladesh ICB চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিন্যান্স’র চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন ।

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ায় তিনি সম্পাদনা পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম দিদউফ এর সহ-সভাপতি ।

অমিত মেধাবী এবং অন্তর্মুখ ড.মাহফুজুর রহমান দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন মতিহারা গ্রামের কৃতি সন্তান। তার পিতা মরহুম শফিউদ্দীন সরদার ছিলেন, উচ্চ শিক্ষিত এবং দায়িত্ব জ্ঞান সম্পন্ন অভিভাবক।

পরবর্তীতে তিনি দাউদপুরে বড় হন এবং দাউদপুর হাইস্কুল ও বিরামপুর পাইলট স্কুলে লেখাপড়া করেন।

আমাদের সম্মানীয় বড়ভাই , কৃতবিদ্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.মাহফুজ ডাবলু এর জন্য প্রাণ ঢালা অভিনন্দন । সেই সাথে হৃদয়স্থ দোয়া -সাফল্যের এমন সব অঙ্গনে আপনার অভিষেক হোক বারবার, শান্তি ও সম্মানের সাথে দীর্ঘজীবী হোন ।

লেখক–অধ্যক্ষ মো. মামুনুর রশিদ,পাউশগাড়া ফাযিল ডিগ্রী মাদরাসা।

ঐতিহাসিক মাটির ঘরটি হবে পাঁচতলা ভবন

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি-শত বছরের মাটির তৈরী জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌর শহরের মাতাইশ মঞ্জিলে অবস্থিত ঐতিহাসিক চৌধুরী অতিথি ভবনটি ঝড়-বৃষ্টিতে ভেঁঙ্গে যায়।

এককালে ভবনটিতে বসেই চৌধুরীরা এলাকার জমি-জমার খাজনা আদায় করত এবং কাচারি ঘর হিসাবে ব্যবহার হত।

অনেকেই এই ভবনে অবস্থান (লজেন) করে পড়ালেখা করে যুগ্ন-সচিব, ডিসি, এসপি পদ মর্যাদা সহ বিভিন্ন পদে চাকুরীও করেছেন।

দূর-দুরান্তের অতিথিরা এসে এই ভবনেই অবস্থান করতেন, এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান এক সময় মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাঁসানীর সঙ্গে দেখা করতে এসে মাটির তৈরী এ চৌধুরী অতিথি ভবনেই খাওয়া-দাওয়া ও রাত্রি যাপন করতেন।

চৌধুরী বংসের পরবর্তী প্রজন্মের নিকট অনেক স্মৃতি জড়িত অতিথি ভবনটি স্বরনীয় করে রাখতেই আধুনিক ভাবে পুনঃ নির্মাণের উদ্দোগ্য গ্রহন করেন চৌধুরী বংসের সকলেই।

শুক্রবার বিকালে ভেঁঙ্গে যাওয়া ভবনের সামনে ভবন পুনঃ নির্মণ কমিটির আহবায়ক মোঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়।

চৌধুরী বংসের অতীত ঐতিহ্যবাহি অতিথি ভবনটি আধুনিকায়ন ভাবে পুনঃ নির্মাণের বিষয়ে সভায় উপস্থিত বক্তব্য রাখেন মমতাজুর, সুলতান, রেজাউল, আনসার, খাইরুজ্জামান, মৃদুল, রুমন চৌধুরী ও বন্ধন এনজিওর নির্বাহী পরিচালক শেখ শেফায়েতুল ইসলাম সহ অনেকেই।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বন্ধন এনজিওর নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) ও মতবিনিময় সভার সমন্বয়কারী বিপ্লব চৌধুরী। সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে আগের ভবনের জায়গাতে পাঁচতলা বিশিষ্ট আধুনিক মানের অতিথি ভবন পুনঃ নির্মাণ করা হবে শুধু মাতাইশ মঞ্জিলের চৌধুরী বংসের সহযোগিতায়। পুনঃ নির্মাণ আধুনিক ভবনে থাকবে অতিথি ভবন, কমিউনিটি সেন্টার ও মাতাইশ মঞ্জিলে আগন্ত অতিথিদের থাকা-খাওয়া এবং রাত্রি যাপনের সু-ব্যবস্থা।

কুড়িগ্রামে কালেক্টরেট সমিতির কর্মবিরতী শুরু

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি-কেন্দ্রিয় কমিটির অংশ হিসেবে কুড়িগ্রাম কালেক্টরেট সহকারি সমিতির কর্মবিরতী শুরু হয়েছে।

১৫নভেম্বর রবিবার সকাল ৯টায় জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতীর শুরুতে বক্তব্য রাখেন কমিটির সভাপতি এবিএমএম রিয়াজুল আলম রাফি, সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্রনাথ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হাসান।

এসময় বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

দীপাবলির কম্বল বিতরণ

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি-১৫নভেম্বর,জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পশ্চিম রামচন্দ্রপুর বুড়ীকালী মন্দির কমিটির উদ্দোগ্যে দীপাবলির শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন হিসাবে এলাকার ২’শতাধিক গরীব অসহায়দের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করেন।

রবিবার বিকালে মন্দির প্রাঙ্গনে এসব গরীবদের হাতে কম্বল তুলে দেন প্রধান অতিথি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর ইসলাম রকেট।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন আঙ্গুর, জেলা মহিলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদিকা ও রকেটের সহর্ধমিনী শামিমা আজিজ সাজ, ইউপি আ.লীগের সভাপতি ইউনুস আলী মন্ডল, মন্দির কমিটির সভাপতি/সম্পাদক।

পদন্নোতির দাবিতে হিলি ভুমি অফিসে কলম বিরতি

মোসলেম উদ্দিন-পদন্নোতির দাবিতে কর্ম বিরতি করেছেন দিনাজপুরের হিলির ভুমি অফিসের কর্মরত কর্মচারীরা। ২৫ থেকে ৩০ বছর চাকরী করে এবং অবসর গ্রহন পর্যন্ত আমাদের কোন পতন্নোতি হয় না।

সচিবলয়ে যারা নিয়োগ প্রাপ্ত হয়, তাদের পদন্নোতি হয়, কিন্তু আমরা একই পদে নিয়োগ পেয়েও কোন পদন্নোতি নেই, এমনটিই অভিযোগ তাদের।

এদিকে কর্ম বিরতি থাকায় ভুমি সংক্রান্ত সেবা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে অনেকেই।

রোববার  (১৫ নভেম্বর) সকাল ৯ থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ১৫-১৯ ও ২২-২৬ এবং ২৯-৩০ তারিখ পর্যন্ত ১২ দিনের এই কর্মসুচি হাতে নিয়েছেন  ১৩ এবং ১৬ গ্রেটের এই কর্মচারী গন।

হিলি ভুমি অফিসের সাটেফিকেট সহকারী ইমরুল হোসেন বলেন, আমরা ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী, আমাদের কোন পদন্নোতি নেই। চাকরী পাবার পর থেকে যে পদে রয়েছি, আজ পর্যন্ত সেই পদে অবস্থান করছি। আমাদের অনেকের চাকরীর অবসর পর্যন্ত কোন উন্নতি হয় না।

তিনি দাবি করে বলেন, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসের কার্যালয় ও সহকারী কমিশনার(ভুমি) কার্যালয়ে কর্মরত কর্মচারীদের পদন্নোতির ব্যবস্থা করা হউক এবং গ্রেড ১৩-১৬ পদবী পরিবর্তন করে গ্রেড উন্নীত করনের দাবি জানাচ্ছি।

ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার কর্মচারী গোলাম পাঞ্জাতন বলেন, আমরা ছোট চাকরীজীবি, আমাদের কোন পদন্নোতি বা মুল্যায়ন নেই। দির্ঘদিন যাবৎ চাকরী করে আসছি, যে পদে আছি, ঐপদেই রয়েছি।

এদিকে ভুমি অফিসে সেবা নিতে আসা আজাহার আলীর সাথে কথা হয়, তিনি বলেন, আমি তো আর জানতাম যে আজ আমার জমির কাজ হবে না। অনেক আশা করে আসলা, এসে দেখি সবাই বারান্দায় বসে আছে। আমার জমির কাজের কথা বলতে তারা বলল, এখন আমরা অফিসের কোন কাজ করবো না। তারা নাকি কলম বিরতি পালন করছেন।

‘সরকার মানষক জমি-ঘর দ্যায়, আর হামাক চোখে দ্যাখে না বাহে’ রাজারহাটে এক বৃদ্ধার সর্বস্ব কেড়ে নিল তিস্তা

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি-‘বানের পানিতে ভেসে গ্যাছে মোর ঘরদুয়ার। তিস্তায় গিলে খাইছে মোর বসতভিটা। মুই এ্যালা কোনঠে থাকং ছাওয়া পোয়াক নিয়া। সরকার মানষক জমি ঘর দ্যায়, আর হামাক চোখে দ্যাখে না বাহে।’

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তার করাল গ্রাসে বাস্তুভিটা হারিয়ে রশিদা বেগম নামের এক বৃদ্ধার ছিল এই আহাজারী।

মাত্র ২সের জমির উপর মাথা গুজার ঠাঁই টুকুও কেড়ে নিয়েছে রাক্ষসী তিস্তা। সব হারিয়ে ওই বৃদ্ধা এখন দিনরাত প্রলাপ করছে।

১৫নভেম্বর রবিাবার ওই এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখাঁ বুড়িরহাট গ্রামে মৃত কাশেম আলীর স্ত্রী রশিদা বেগমের(৬২)বাড়ী ছিল।

তাঁর বাড়ী থেকে ৩কিলোমিটার দুরে পশ্চিম দিয়ে তিস্তা নদী প্রবাহিত ছিল। কিন্তু নদীর বিনাসী খেলায় ধীরে ধীরে নদী বুড়িরহাট এলাকায় এসে পৌচ্ছে। ওই এলাকা রক্ষা করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) একটি টি বাঁধ নির্মাণ করেন।

এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন সুখেই দিন কাটাছিল। কিন্তু তিস্তার করাল গ্রাসে গত জুলাইয়ে কয়েক দফা বন্যায় আকস্মিকভাবে টিবাঁধটি ভেঙ্গে যায়। সেই সাথে ভেঙ্গে যায় রশিদা বেগম(৫৫)এর ভিটেমাটি টুকুও। নিঃস্ব হয়ে যায় রশিদা।

বাধ্য হয়েই নদীর পাশেই তার ভাতিজার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। রশিদা ২মেয়ে ও ২ছেলের জননী। কিন্তু দূর্ভাগ্য রশিদার। বড় ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ে রয়েছে। ছোট ছেলে বিয়ে করে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছে।

এক মেয়ের বিয়ে দিয়েছে এলাকাবাসীর সহযোগীতায়। আরেক মেয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে আর করতে পারেনি। বাধ্য হয়ে সেও তার মাকে সহযোগীতা করেছে।

বৃদ্ধ বয়সেই দিনমজুরের কাজ করে ৩জনের খাবার সংগ্রহ করে রশিদা। নদী ভাঙ্গারপর থেকে সে কোন দিন সরকারী-বেসরকারীভাবে কোন সহযোগীতা পাননি। তবে সম্প্রতি বন্যাকালিন সময়ে কে কারা ৯কেজি চালের সঙ্গে ১কেজি চিড়া দিয়ে এসেছে।

এছাড়া স্থানীয় মেম্বাররের কাছে ধন্যা দিয়েও মেলেনি বিধবা ভাতা। রশিদা বলেন, প্রতিদিন অসুখ হওয়া ছাওয়াডার জন্য ওষুধ কিনতে ১শত টাকা লাগে। কোনদিন তাদের রাস্তার ধারের কচু এবং কচুর পাতা খেয়েও দিন চলে যায়।

১৫নভেম্বর রবিবার ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ কর্মকার বলেন, বন্যার সময় ত্রান বাড়ি বাড়ি দেয়া হয়েছে। না পাওয়ার সুযোগ নেই।

এব্যাপারে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ নুরে তাসনিম বলেন, তালিকা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজ সেই ভয়াল ১৫ নভেম্বর : সিডরের ১৪ বছর

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট-আজ সেই দুঃসহ স্মৃতি বিজড়িত ভয়াল ১৫ নভেম্বর। ২০০৭ সালের এই দিনে সুপার সাইক্লোন আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায়। লণ্ডভণ্ড করে দেয় প্রকৃতি ও মানবতাকে।

ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জসহ সবকটি উপজেলা। এ ভয়াবহ স্মৃতি আর বেদনায় প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে জড়িয়ে আছে।

সিডরের ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এ স্মৃতি যেন আজও উপকূলের মানুষের মনে ভয়াবহতা বয়ে বেড়াচ্ছে। সিডরের অগ্নি মূর্তির কথা মনে করে অনেকে এখনো আঁতকে উঠে নিজের অজান্তে।

গত কয়েক বছরে সিডর বিধ্বস্ত বাগেরহাটবাসী ঘুরে দাঁড়াতে না পারলেও দেশি-বিদেশি অগণিত এনজিও তাদের আখের গুছিয়ে নিয়েছে। অসহায় মানুষের পাশে দাড়াবার নাম করে দাতা সংস্থার কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। রাস্তাঘাট, বেড়িবাঁধ,ও পুনর্বাসনের নামে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা সঠিকভাবে কাজ না করে লোটপাট ও আত্মসাৎ করছে বরদ্দকৃত টাকার সিংহভাগ।

ভয়াল ওই সিডরে বলেশ্বরের উন্মত্ততায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় শরণখোলাসহ ওই এলাকার জনপথ। চারিদিক মানুষ আর পশুপাখির লাশে একাকার হয়ে যায়। পরবর্তীতে সৌদি সরকার, মুসলিম এইড এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এনজিও যে গৃহ নির্মাণ করেছে তার বাসযোগ্য নয়। উপকূলবাসী চায় একটি টেকসই বেড়িবাঁধ।

সরকারি-বেসরকারি যে সাহায্য সহযোগিতা এসেছে বলেশ্বরের পাড়ের মানুষগুলোর জন্য তা নিতান্তই কম নয়। অথচ ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের ভাগ্যে জোটেনি গৃহ। সরকারি হিসাবে সিডরে বাগেরহাট জেলায় নিহত হয়েছে ৯০৮ জন, আহত ১১ হাজার ৪’শ ২৮ জন। সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয় ৬৩ হাজার ৬শ’ বাড়িঘর।

আংশিকভাবে বিধ্বস্ত বাড়িঘরের সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার। সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয় পাকা ৫ কি.মি. এবং কাঁচা প্রায় ৫০ কি.মি.। ১৬.৫ কিমি বাঁধ, ২০৬ টি স্কুল ও মাদ্রাসা, ৫টি কলেজ, ৪হাজার ৭’শত ৬৯টি নৌকা ও ট্রলার ধ্বংস হয়। মারা পড়ে ১৭ হাজার ৪২৩টি গবাদি পশু। বিনষ্ট হয় ১২ হাজার হেক্টর ক্ষেতের ফসল ও ৮ হাজার ৮৮৯ হেক্টর চিংড়ি ঘের।

বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী মহারাজ হাওলাদার বলেন, ‘ছেলে-মেয়ে, ঘরবাড়ি সব হারিয়ে নিঃস্ব জীবন কাটছি কোনো মতে। সরকার ও এনজিও থেকে সহযোগিতা পেয়ে বছরের ৬ মাস খেয়ে পড়ে থাকতে হয়। কিন্তু আমাদের কেউ কাজের ব্যবস্থা করে দেয় না। আমার আত্মীয়রা কাজ করতে ঢাকা ও চিটাগাং চলে গেছে। এনজিও গুলো যদি এখন কাজ দেয় তাহলে খেটে পড়ে জীবন বাচঁবে।

কথা হয় একই গ্রামের জাকির হোসেন হাওলাদার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ছেলে-মেয়ে ও ভাই সিডরে হারাইছি। নদী ভাঙনে ঘরবাড়ি-জায়গাজমি সব গেছে। এহন ভূমিহীন হয়ে রাস্তার পাশে থাকতে হয়। যদি কামের সুযোগ হইতো তাহলে জমি কিনে থাহার ঘর বানাইতাম। মোগো এহন সাহায্যে লাগবে না, কাজ করার জায়গা কইর‌্যা দিবে সরকার’।

দক্ষিণ সাউথখালী সেকেন্দার বলেন, অপর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্র ও বেড়িবাঁধ এ এলাকার মানুষের জন্য অন্যতম সমস্যা। যদি টেকসই বেড়িবাঁধ ও পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়, তাহলে সিডরের মত প্রাকৃতিক দুযোর্গে হতাহতের পরিমাণ অনেক কম হবে।

রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, শরণখোলাবাসীকে রক্ষার জন্য আবাসন ব্যবস্থা, সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল পেশাজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থানসহ টেকশই বেড়িবাঁধ নির্মাণ খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।

সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, সিডরে তার ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি লোক মারা গেছে। এবং সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। স্বজন হারানো এ জনপদের মানুষের প্রাণের দাবি বসবাসের জন্য একটু ঘর ও টেকশই বেড়িবাঁধ। জনসংখ্যা অনুপাতে হয়নি সাইক্লোন শেল্টার।

দুর্যোগের পর বিভিন্ন দাতা সংস্থার অর্থায়নে নির্মিত শেল্টারগুলোর কাজের মান নিন্ম হওয়ায় ইতোমধ্যে তার অধিকাংশ ভবন ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টার গুলোরও। এখনও শতশত পরিবার খুপড়ি ঘরে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে।

সকল ধর্মের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ-এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল

ফজিবর রহমান- এই দেশ প্রত্যেকটি নাগরিকের এমন মন্তব্য করে দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টে সিনিয়র সহ-সভাপতি মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেছেন, জিয়াউর রহমান পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এই দেশে একটি সাম্প্রদায়ের অস্তিত্বকে সাংবাধানিক ভাবে স্বীকার দিয়ে অন্যান্য সকল ধর্মের সাংবিধানিক অধিকারকে খর্ব করেছিলেন। কিন্তু পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সেই অধিকারকে নিশ্চিত করেছেন। ফলে এই দেশে সকল ধর্মের মানুষ তার নিজ ধর্ম নির্বিগ্নে পালন করবে তার নিশ^য়তা সরকার দিয়েছেন।

১৪ নভেম্বর ২০২০ শনিবার রাতে হিন্দু ধর্মালম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা উপলক্ষে কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শ্রী শ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনকালে মন্দিরে আসা পুর্নার্থীদের উদ্দেশ্য বক্তব্যে এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল এসব কথা বলেন।

এমপি গোপাল বলেন, মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান প্রত্যেকের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনতাকে বর্তমান সরকার সমান ভাবে সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু এই বাংলাদেশে কিছু ধর্মপাপী রয়েছে। কাজেই এই ধর্মপাপীদের বিরুদ্ধে মা-বোনসহ প্রত্যেককে সজাগ হতে হবে। প্রয়োজনে নিজের সম্মান-মর্যাদা রক্ষার্থে প্রত্যেক নারীকে মা কালি হতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনিরুল হাসান, কাহারোল থানার ওসি মনোজ কুমার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম ফারুক, জেলা পরিষদের সদস্য মো. আতাউর রহমান বাবু, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাজেন্দ্র দেব নাথ, সাধারন সম্পাদক সুকুমার রায়।

এর আগে বীরগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে চকলক্ষীপুর হরি মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর উদে¦াধন, লক্ষীপুর আমাতি কালী মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন ও হিন্দু ধর্মালম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও শ্রী শ্রী শ্মশান কালী মাতা মন্দিরে শ্যামা কালী পূজা পরিদর্শনকালী বক্তব্য রাখেন এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল।

রেল মন্ত্রীর চিলাহাটি হলদিবাড়ীর রেলপথ নির্মান প্রকল্প পরিদর্শন

ডোমার  (নীলফামারী) প্রতিনিধি- বাংলাদেশের চিলাহাটি ভারতের হলদিবাড়ীর মধ্যে সংযোগকারী রেলপথ নির্মান প্রকল্প পরিদর্শন করলেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

১৪ নভেম্বর শনিবার চিলাহাটি থেকে জিরো লাইন পর্যন্ত ৬.৭০ কি.মি. রেলপথ নির্মন প্রকল্প কাজের সমাপ্তি ও ভারতীয় হলদিবাড়ী থেকে জিরো লাইন পর্যন্ত ৩.৮০ কি.মি. নির্মান কাজ শেষ সংযোগ স্থান সরেজমিনে, পরিদর্শন করলেন রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

তিনি সকালে রেলের একটি ট্রাইল ইঞ্জিনে চড়ে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গকে নিয়ে সীমান্তের জিরো লাইন পর্যন্ত গমন করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, যে. আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে আমরা মালগাড়ী চলাচল করার জন্য ভারতীয় কৃতপক্ষ ও আমি নিজে ব্যাক্তিগত ভাবে ভারতের রাষ্ট্রদুতকে অবহিত করিয়াছি।

ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মদি সম্মতি দিলে ১৬ তারিখ অথবা আগে পিছে যে কোন সম্ভব্য তারিখে গাড়ী চলাচল উদ্ভোধন করা হবে।

শুরুতেই মালবাহী রেলগাড়ী চলাচল শুরু হইলেই পরবর্তীতে ভারতের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষ মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেসের পর নতুন নামে ঢাকা থেকে শিলিগুড়ী পর্যন্ত একটি ট্রেন চলাচলের ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

কাস্টম এবং এমিগ্রেশন ঢাকাতেও হতে পারে অথবা চিলাহাটিতেও হতে পারে। সব কিছু হবে তখনকার পরিস্থিতির উপর। এই ট্রেন চলাচল বহুদিন আগেই শুরু হতো কিন্তু অন্য একটি দল ক্ষমতায় থাকার কারনে তাহা চালু হয়নি। আজ তাহা এই সরকারের আমলে চালু হতে যাচ্ছে।

রেলপথ নির্মানের সময় রেল লাইনের ধারে থাকা উচ্ছেদ করা মানুষগুলো মন্ত্রীর সঙ্গে রেলপথ এলাকার বসবাসকারী ঐক্যপরিষদের ৭৮ টি পরিবারের কয়েকশত সদস্য মন্ত্রীর কাছে আর্থিক সাহায্যর দাবী জানালে রেল মন্ত্রী তাদের সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক হাফিজুল রহমান চৌধরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা শবনম, ৫৬ বিজিবির অধিনায়ক মায়মুনুল রহমান।

রেলের পশ্চিম জনের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন, সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন, বিভাগীয় রেল কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম, নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ইনফ্রস্টোকচার লিমিটেড কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

শীতের পূর্ব প্রস্তুতি চলছে হিলির তুলা মার্কেটে

 
মোসলেম উদ্দিন, হিলি-শীতের পূর্ব প্রস্তুতি চলছে দিনাজপুরের হিলির তুলা মার্কেটে। তবে এখনও শীতের গরম পোষাক বিক্রি শুরু হয়নি বাজারের গার্মেন্টসগুলোতে।
এদিকে শীতের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাকিমপুর (হিলি) পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত।
হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পোষাক মার্কেটে শীতের গরম কাপড় কেনার ধুম এখনও পড়েনি। স্বাভাবিক কাপড় ক্রয় করতে এসেছেন ক্রেতারা।
প্রতিটি দোকানিরা বলছে, শীতে তেমন বেচা-কেনা এখনও শুরু হয়নি। দিনে দুই-চারটি করে গরম কাপড় বিক্রি হচ্ছে। বাজারের প্রতিটি দোকানে শীতের জন্য বিভিন্ন প্রকার বিদেশি কম্বল, ভারতীয় চাদর, জ্যাকেট, ছুয়েটারসহ দেশি শীতের গরম পোশাক সাজানো রয়েছে।
এদিকে তুলা বাজারে শুরু হয়েছে তুলার বেচা-কেনা আর লেপ তৈরির ধুম। ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোষক তৈরি কারিগররা। বড় আকারের লেপ তৈরির মজুরি নিচ্ছে ২৫০ টাকা আর মাঝারি আকারের লেপ তৈরি ১৫০ টাকা। এর মধ্যে তুলা ব্যবসায়ীরা সেই মজুরি থেকে কারিগরদের নিকট প্রতি লেপে নিচ্ছে ৫০ টাকা। কেননা কারিগররা ঐ তুলা ব্যবসায়ীর দোকানে থেকে কাজ করে এবং লেপ সেলাইয়ের সকল সরঞ্জাম ব্যবসায়ী দিয়ে থাকেন।
লেপ সেলাই কারিগর আলামিন, সুলতান ও হোমায়ন বলেন, আমরা তিনজন মিলে এক সাথে লেপ-তোষক সেলাইয়ের কাজ করি। ১০ থেকে ১২ দিন থেকে লোকজন লেপ সেলাই করতে আসছেন। প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫ টি লেপ সেলাই করছি। তোষকের কাজ এখনও আসা শুরু হয়নি। বড় লেপ ২০০ টাকা আর মাঝারিটা ১০০ টাকা করে মজুরি পাই এবং এই টাকা তিনজন ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকি।
লেপ তৈরি করতে আসা মরিয়ম বেগম বলেন, বাড়িতে যে লেপ আছে তা দিয়ে আগের লোকসংখ্যার চাহিদা পুরন হয়েছে। এখন বর্তমার ছোট বাচ্চারা বড় হয়েছে, তাই ওদের জন্য আলাদা লেপের প্রয়োজন হবে, তাই তাদের জন্য দুইটি লেপ বানাচ্ছি।
তুলা ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক খাঁন বলেন, এখন শীতের কাজ পুরোদমে শুরু হয়নি। শীতের প্রভাব এখনও পড়েনি। তবে শীতের পূর্ব প্রস্তুতির জন্য লোকজন আগাম লেপ তৈরি করছেন। আরও কয়েকনি পর কাজ-কাম বেশি হবে। আমার দোকানে আঙ্গুরী, উল, কাপাস, শিমুল ও কালার জাতের তুলা রয়েছে।
হিলি বাজার মার্কেটে চাদর কিনতে আসা জেসমিন আক্তারের সাথে কথা হয়, তিনি বলেন, আমি মার্কেটে আসছি একটা ভাল মানের চাদর কিনতে। কয়েকটি দোকানে ঘুরেছি, চাদর আছে, পছন্দও হচ্ছে তবে দামটা একটু বেশি চাচ্ছে দোকানিরা।
কথা হয় হিলি বাজারের লাবণ্য ফ্যাশানের মালিক আনারুল ইসলামের সাথে, তিনি বলেন, দোকানে শীতের সব ধরনের পোষাক রাখা হয়েছে। শীতে প্রভাব এখনও বেশি পড়েনি, তাই শীতের কাপড় কিনতে কেউ আসছেন না। প্রতিদিন এখন বর্তমান ৫ থেকে ৭টি শীতের কাপড় বিক্রি করছি।
হিলি বাজারের বৃষ্টি গার্মেন্টেসের দেলোয়ার হোসেন বলেন, এখনও শীতের তেমন প্রভাব নেই। গরম কাপড়ের বেচা-কেনা তেমন শুরু হয়নি। আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যে গরম পোষাকের কেনা-বেচা বাড়বে।
হাকিমপুর (হিলি) পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন, পৌরবাসীর জন্য শীতের পূর্ব প্রস্তুতি নিয়েছি। শীতের তেমন প্রভাব এলাকায় পড়েনি। প্রতি বছর শীত মৌসুমে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকি। এবছরেও শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুর রাফিউল আলম জানান, শীতের আগাম সকল প্রকার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শীতার্তদের জন্য সরকারি বরাদ্দ রয়েছে। শীতের প্রভাব পড়লে, তাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।