রবিবার-২৯ নভেম্বর ২০২০- সময়: রাত ৪:১৪
পর্যটকদের জন্য নয়নাভিরাম ‘সাজেক ভ্যালি’ শীতে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ভাপা পিঠা পাঁচবিবিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপণী কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হলে মাদকমুক্ত ও অসমাপ্ত কাজ করব-আতিয়ার রহমান মিন্টু নেশার টাকার জন্য ২২ দিনের নবজাতককে কুপিয়ে হত্যা ঘোড়াঘাটে হেলথ এসোসিয়েশনের কর্মবিরোতি বন্ধ রাস্তা অবমুক্ত করলেন ইউএনও ভাতা বন্ধ ভাতা ভোগীরা মানবতার জীবনযাপন বিরামপুরে ৭২ বছরের বৃদ্ধ’কে ঔষধ ও আর্থিক সহায়তা দিলেন-ওসি মনিরুজ্জামান কোভিট-১৯ পরিস্থিতিতে মোরেলগঞ্জে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হচ্ছে স্কুল ফিডিং বিস্কুট

ঐতিহাসিক মাটির ঘরটি হবে পাঁচতলা ভবন

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি-শত বছরের মাটির তৈরী জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌর শহরের মাতাইশ মঞ্জিলে অবস্থিত ঐতিহাসিক চৌধুরী অতিথি ভবনটি ঝড়-বৃষ্টিতে ভেঁঙ্গে যায়।

এককালে ভবনটিতে বসেই চৌধুরীরা এলাকার জমি-জমার খাজনা আদায় করত এবং কাচারি ঘর হিসাবে ব্যবহার হত।

অনেকেই এই ভবনে অবস্থান (লজেন) করে পড়ালেখা করে যুগ্ন-সচিব, ডিসি, এসপি পদ মর্যাদা সহ বিভিন্ন পদে চাকুরীও করেছেন।

দূর-দুরান্তের অতিথিরা এসে এই ভবনেই অবস্থান করতেন, এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান এক সময় মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাঁসানীর সঙ্গে দেখা করতে এসে মাটির তৈরী এ চৌধুরী অতিথি ভবনেই খাওয়া-দাওয়া ও রাত্রি যাপন করতেন।

চৌধুরী বংসের পরবর্তী প্রজন্মের নিকট অনেক স্মৃতি জড়িত অতিথি ভবনটি স্বরনীয় করে রাখতেই আধুনিক ভাবে পুনঃ নির্মাণের উদ্দোগ্য গ্রহন করেন চৌধুরী বংসের সকলেই।

শুক্রবার বিকালে ভেঁঙ্গে যাওয়া ভবনের সামনে ভবন পুনঃ নির্মণ কমিটির আহবায়ক মোঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়।

চৌধুরী বংসের অতীত ঐতিহ্যবাহি অতিথি ভবনটি আধুনিকায়ন ভাবে পুনঃ নির্মাণের বিষয়ে সভায় উপস্থিত বক্তব্য রাখেন মমতাজুর, সুলতান, রেজাউল, আনসার, খাইরুজ্জামান, মৃদুল, রুমন চৌধুরী ও বন্ধন এনজিওর নির্বাহী পরিচালক শেখ শেফায়েতুল ইসলাম সহ অনেকেই।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বন্ধন এনজিওর নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) ও মতবিনিময় সভার সমন্বয়কারী বিপ্লব চৌধুরী। সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে আগের ভবনের জায়গাতে পাঁচতলা বিশিষ্ট আধুনিক মানের অতিথি ভবন পুনঃ নির্মাণ করা হবে শুধু মাতাইশ মঞ্জিলের চৌধুরী বংসের সহযোগিতায়। পুনঃ নির্মাণ আধুনিক ভবনে থাকবে অতিথি ভবন, কমিউনিটি সেন্টার ও মাতাইশ মঞ্জিলে আগন্ত অতিথিদের থাকা-খাওয়া এবং রাত্রি যাপনের সু-ব্যবস্থা।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *